উত্তর
ধ্বনি।
লোড হচ্ছে…
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক থেকে শুরু করে একটি পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশ পর্যন্ত যে মৌলিক উপাদানগুলো কাজ করে, সেগুলো হলো ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পদ ও বাক্য। বাংলা ব্যাকরণের এই ভিত্তিগত বিষয়গুলো সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অপরিহার্য। এই পৃষ্ঠায় আমরা প্রতিটি উপাদানের সংজ্ঞা, প্রকারভেদ এবং গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। বাম পাশের সূচী থেকে আপনার কাঙ্ক্ষিত বিষয়টি নির্বাচন করুন। ভাষার উচ্চারিত ক্ষুদ্রতম একক বা আওয়াজকে ধ্বনি বলে। ধ্বনি চোখে দেখা যায় না, কানে শোনা যায়। এটি ভাষার মূল ভিত্তি। ধ্বনি প্রধানত দুই প্রকার:
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখের মধ্যে কোথাও বাধা পায় না, তাকে স্বরধ্বনি বলে।
উদাহরণ: অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা।
অ মল, আ কাশ, ই তি, এ ক, ব ্যা ংক)।
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস মুখের মধ্যে কোনো না কোনো স্থানে (কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত, ওষ্ঠ) বাধা পায়, তাকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।
উদাহরণ: ক্, চ্, প্, ত্, ম্, শ্।
ক লম, চ ল, প থ, ত খন, ম ন, শা প)।
অ, আ, ই, উ, এ, অ্যা, ও।
এগুলোকে আর ভাঙা যায় না।
উদাহরণ: বল, বাবা, চিনি, চুল, মেঘ, দ্যাখা, ভোর।
দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি যৌগিক স্বরধ্বনি তৈরি হয়।
ঐ (অ+ই) এবং ঔ (অ+উ)।
উদাহরণ: ব ই (ব+ই), ভ া ই (ভ+আ+ই), ল াউ (ল+আ+উ), ঐ ক্য (অ+ই+...), ঔ ষধ (অ+উ+...)।
ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, শ, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়, ৎ, ং, ঃ, ঁ।
ক, ঘ, চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, দ, ধ, ন, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, শ, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়, অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ।
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'কার' বলে।
কার ১০টি (অ-এর কোনো কার নেই)।
যেমন: া (বাবা), ি (চিনি), ী (নদী), ু (ফুল), ূ (দূর), ৃ (কৃষক), ে (ছেলে), ৈ (বৈঠা), ো (ভোর), ৌ (নৌকা)।
ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'ফলা' বলে।
যেমন: ন-ফলা (চিহ্ন, রত্ন), ম-ফলা (পদ্ম, আত্মা), য-ফলা (বিদ্যা, স্বাস্থ্য), র-ফলা (গ্রাম, প্রথম), ল-ফলা (ক্লাস, অম্ল), ব-ফলা (বিশ্বাস, অশ্ব)।
একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি করে।
ক্ষ = ক্ + ষ (শিক্ষা, রক্ষা, ক্ষমা, পরীক্ষা) | জ্ঞ = জ্ + ঞ (জ্ঞান, বিজ্ঞান, সংজ্ঞা, আজ্ঞা) | ঞ্চ = ঞ্ + চ (অঞ্চল, চঞ্চল, সঞ্চয়) | ঞ্জ = ঞ্ + জ (গঞ্জ, রঞ্জন, কুঞ্জ) | ষ্ণ = ষ্ + ণ (কৃষ্ণ, তৃষ্ণা, উষ্ণ) | হ্ম = হ্ + ম (ব্রাহ্মণ, ব্রহ্মপুত্র) | ত্ত = ত্ + ত (উত্তর, চিত্ত) | দ্ধ = দ্ + ধ (শুদ্ধ, বুদ্ধি) | ন্ত = ন্ + ত (শান্ত, অন্ত) | ন্ধ = ন্ + ধ (অন্ধ, বন্ধন) | ঙ্ক = ঙ্ + ক (অঙ্ক, আশঙ্কা) | ঙ্গ = ঙ্ + গ (অঙ্গ, বঙ্গ) | স্থ = স্ + থ (সুস্থ, স্থান) | ষ্ট্র = ষ্ + ট্ + র (রাষ্ট্র, মহারাষ্ট্র)।
এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ মিলে কোনো অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শব্দ বলে। উৎস, গঠন এবং অর্থ—এই তিন দিক থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগ করা হয়।
যে শব্দকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং যার সাথে কোনো প্রত্যয়, উপসর্গ বা সমাস যুক্ত নেই।
উদাহরণ: মা, বাবা, বই, হাত, পা, গোলাপ, নাক, লাল, তিন, দেশ, জল, মুখ, ভাত, ফুল, আকাশ, বাতাস, সবুজ, সাদা, কালো, কর, চল, দেখ, বল।
যে শব্দকে ভাঙলে একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায়।
এটি প্রত্যয়, উপসর্গ বা সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়।
উদাহরণ: চলন্ত (চল্+অন্ত), প্রশাসন (প্র+শাসন), নীলকণ্ঠ (নীল কণ্ঠ যার), মিঠাই (মিঠা+আই), উপকূল (উপ+কূল), চাঁদমুখ (চাঁদের মতো মুখ), হিমালয় (হিম+আলয়), পাঠক (পাঠ্+অক), নিখুঁত (নি+খুঁত), দম্পতি (জায়া ও পতি), পকেটমার (পকেট মারে যে), ধার্মিক (ধর্ম+ইক)।
যে শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই।
অর্থাৎ, শব্দটি যেভাবে গঠিত হয়েছে, সেই অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: কর্তব্য (কৃ+তব্য = যা করা উচিত), পাঠক (পঠ্+অক = যে পাঠ করে), গায়ক (গৈ+অক = যে গান করে), বাবুয়ানা (বাবু+আনা = বাবুর ভাব), চিকামারা (চিকা+মারা = দেয়ালের লিখন), মিতালি (মিতা+আলি = বন্ধুর ভাব), দৌহিত্র (দুহিতা+ষ্ণ্য = কন্যার পুত্র)।
প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে গঠিত যে শব্দ মূল অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো विशिष्ट অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ:
হাত আছে যার, কিন্তু প্রচলিত অর্থ: একটি বিশেষ পশু), গবেষণা (গো+এষণা, অর্থ: গরু খোঁজা, কিন্তু প্রচলিত অর্থ: ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা), সন্দেশ (সং+দেশ, অর্থ: সংবাদ, কিন্তু প্রচলিত অর্থ: এক প্রকার মিষ্টান্ন), প্রবীণ (প্রকৃষ্টরূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি, কিন্তু প্রচলিত অর্থ: অভিজ্ঞ বা বয়স্ক ব্যক্তি), পাঞ্জাবি (পাঞ্জাবের অধিবাসী, কিন্তু প্রচলিত অর্থ: এক প্রকার পোশাক), বাঁশি (বাঁশ দিয়ে তৈরি, কিন্তু প্রচলিত অর্থ: সুরের যন্ত্রবিশেষ), তৈল (তিল থেকে জাত স্নেহ পদার্থ, কিন্তু প্রচলিত অর্থ: যেকোনো উদ্ভিজ্জ স্নেহ পদার্থ)।
সমাস নিষ্পন্ন যে শব্দ তার সমস্যমান পদগুলোর অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ: পঙ্কজ (পঙ্কে জন্মে যা; শৈবাল, পদ্ম, শালুক সবই পঙ্কে জন্মে, কিন্তু 'পঙ্কজ' বলতে শুধু পদ্মফুলকে বোঝায়), জলধি (জল ধারণ করে যা; পুকুর, নদী, সাগর সবই জল ধারণ করে, কিন্তু 'জলধি' বলতে শুধু সমুদ্রকে বোঝায়), রাজপুত (রাজার পুত্র, কিন্তু প্রচলিত অর্থ: একটি জাতিবিশেষ), মহাযাত্রা (মহাসমারোহে যাত্রা, কিন্তু প্রচলিত অর্থ: মৃত্যু), অশ্বগন্ধা (অশ্বের গন্ধের ন্যায় গন্ধযুক্ত, কিন্তু প্রচলিত অর্থ: এক প্রকার গাছ), তুরঙ্গম (ত্বরায় গমন করে যে, কিন্তু প্রচলিত অর্থ: ঘোড়া)।
বাক্যে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে পদ বলে।
(১) সব্যয় পদ এবং (২) অব্যয় পদ।
সব্যয় পদ আবার চার প্রকার। সব মিলিয়ে পদ মোট পাঁচ প্রকার।
কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, জাতি, সমষ্টি, গুণ বা ক্রিয়ার নাম বোঝায়।
উদাহরণ: ঢাকা, নজরুল, গীতাঞ্জলি, সোনা, লোহা, পর্বত, নদী, মেঘনা, সততা, মাধুর্য, সভা, সমিতি, জনতা, সৌন্দর্য, গমন, ভোজন, শয়ন, দেখা, পড়া, সরলতা, দয়া, ক্ষমা, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বাংলাদেশ, এশিয়া।
যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে।
উদাহরণ: ভালো, মন্দ, ঠান্ডা, গরম, এক, দশ, হাজার, প্রথম, দশম, সুন্দর, মেধাবী, চলন্ত গাড়ি, দ্রুত চলো, করুণাময়, নীল আকাশ, সবুজ মাঠ, ২৫ টাকা, সিকি পথ, দক্ষ কারিগর, তাজা মাছ, রোগা ছেলে, সুস্থ শরীর, বেলে মাটি, জ্ঞানী লোক।
বিশেষ্যের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তিনি, তারা, এ, এই, এরা, ও, ওই, ওরা, যিনি, যিনি-তিনি, যে-সে, যা-তা, কে, কী, কারা, কোনটি, স্বয়ং, নিজ, খোদ, আপন, অমুক, অন্য, পর, সকল, সব।
যে পদ দ্বারা কোনো কাজ করা, হওয়া বা ঘটা বোঝায়।
উদাহরণ: করে, খায়, যায়, ঘুমায়, পড়ছে, খেলছে, লিখেছিল, যাবে, হবে, দেখিব, আসিলেন, বসিয়া, পড়িয়া, খেলিতে, করিতে (অসমাপিকা); লেখে, ঘুমায়, আসে, যায়, পড়িতেছে, খেলিতেছে (সমাপিকা)।
যে পদের কোনো পরিবর্তন বা ব্যয় নেই।
এটি বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে বা দুটি পদের মধ্যে সংযোগ, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায়।
উদাহরণ: এবং, ও, আর, অথবা, কিন্তু, সুতরাং, অতএব, নতুবা, বরং, তথাপি (সংযোজক); বাহ্, ছি ছি, মরি মরি, শাবাশ, হায়, আহা (অনন্বয়ী); বই, অবধি, কাছে, জন্য, মতো, ন্যায়, পর্যন্ত (অনুসর্গ)।
এক বা একাধিক পদের সমন্বয়ে গঠিত সম্পূর্ণ ও অর্থবোধক উক্তিকে বাক্য বলে।
আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা।
যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে।
উদাহরণ: সে বই পড়ে।
আমি বাড়ি গিয়ে ভাত খাব। সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। পুকুরে পদ্মফুল ফোটে। তিনি একজন সৎ লোক। ভালো ছেলেরা শিক্ষকের কথা শোনে। আমি বহু কষ্টে শিক্ষা লাভ করেছি। আমার জ্বর হওয়ায় আমি স্কুলে যাইনি।
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে।
এগুলো সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় (যে-সে, যিনি-তিনি, যখন-তখন, যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু) দ্বারা যুক্ত থাকে।
উদাহরণ: যিনি পরের উপকার করেন, তাঁকে সবাই শ্রদ্ধা করে।
যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব। যেহেতু তার টাকা আছে, সেহেতু সে গর্বিত। যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে। যখন বিপদ আসে, তখন দুঃখও আসে।
দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য যখন সংযোজক অব্যয় (এবং, ও, আর, কিন্তু, অথবা, অথচ, সুতরাং, তথাপি, তাই, ফলে) দ্বারা যুক্ত হয়।
উদাহরণ: সে গরিব কিন্তু সৎ।
দুঃখ এবং বিপদ একসাথে আসে। তিনি শিক্ষিত কিন্তু তার জ্ঞান কম। মেঘ গর্জন করল এবং বৃষ্টি নামল। তুমি পড়বে, নতুবা ফেল করবে। তিনি কঠোর পরিশ্রম করেন, তাই তিনি সফল হয়েছেন।
কোনো কিছু সাধারণভাবে বর্ণনা বা বিবৃতি করা হয়।
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
সে কাল আসবে না। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। আমি ভাত খাই না। নজরুল আমাদের জাতীয় কবি।
কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করা হয়।
উদাহরণ: তুমি কি আজ স্কুলে যাবে? তোমার নাম কী? তিনি কেন আসেননি? সে কোথায় থাকে? আমরা কি কাজটি করতে পারব? বিস্ময়সূচক বাক্য: আবেগ, আনন্দ, দুঃখ, বিস্ময়, ঘৃণা ইত্যাদি প্রকাশ পায়।
উদাহরণ: বাহ্! কী সুন্দর দৃশ্য! হায়! তার সব শেষ হয়ে গেল।
ছি ছি! তুমি এত নিচ! উফ! কী গরম! আহা! কী শান্তি! অনুজ্ঞাসূচক বাক্য: আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ, নিষেধ, প্রার্থনা ইত্যাদি বোঝায়।
উদাহরণ: মন দিয়ে পড়।
সদা সত্য কথা বলবে। দয়া করে কাজটি করে দিন। বাইরে যেও না। আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুন।
বক্তার ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায়।
উদাহরণ: তোমার মঙ্গল হোক।
ঈশ্বর তোমার সহায় হোন। আমি যদি রাজা হতাম! তিনি দীর্ঘজীবী হোন। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক। এখানে বাংলা ব্যাকরণের মৌলিক ভিত্তি—ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পদ ও বাক্য—বিষয়ের উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।
উত্তর
ধ্বনি।
উত্তর
বর্ণ।
উত্তর
৭টি (অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা)।
উত্তর
২টি (ঐ এবং ঔ)।
উত্তর
কণ্ঠ বা জিহ্বামূল (এগুলো কণ্ঠ্যধ্বনি)।
উত্তর
ওষ্ঠ্যধ্বনি (উচ্চারণ স্থান: ঠোঁট)।
উত্তর
৫০টি (স্বরবর্ণ ১১টি, ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি)।
উত্তর
৩২টি।
উত্তর
১০টি।
উত্তর
কার।
উত্তর
'অ' স্বরবর্ণের।
উত্তর
ফলা।
উত্তর
ক্ + ষ।
উত্তর
জ্ + ঞ।
উত্তর
জ্ঞ (জ্ + ঞ)।
উত্তর
হ্ + ম।
উত্তর
ষ্ + ণ।
উত্তর
পাঁচ প্রকার (তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি, বিদেশি)।
উত্তর
তৎসম শব্দ।
উত্তর
অর্ধ-তৎসম শব্দ।
উত্তর
এটি তদ্ভব শব্দ (সংস্কৃত 'হস্ত' থেকে এসেছে)।
উত্তর
তদ্ভব (সংস্কৃত: চর্ম > প্রাকৃত: चम्म)।
উত্তর
দেশি শব্দ।
উত্তর
দেশি।
উত্তর
আরবি।
উত্তর
ফারসি।
উত্তর
ইংরেজি।
উত্তর
পর্তুগিজ।
উত্তর
জাপানি।
উত্তর
চিন (চিনা ভাষার শব্দ)।
উত্তর
তুর্কি।
উত্তর
গুজরাটি।
উত্তর
মিশ্র শব্দ (ইংরেজি + ফারসি)।
উত্তর
দুই প্রকার—মৌলিক ও সাধিত।
উত্তর
মৌলিক শব্দ।
উত্তর
সাধিত শব্দ।
উত্তর
প্রত্যয়যোগে সাধিত (ধর্ম + ইক)।
উত্তর
তিন প্রকার—যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ়।
উত্তর
যৌগিক শব্দ।
উত্তর
রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ।
উত্তর
যোগরূঢ় শব্দ।
উত্তর
কারণ এর অর্থ 'বিরাট কোনো ভ্রমণ' না বুঝিয়ে 'মৃত্যু'-কে বোঝায়।
উত্তর
পদ।
উত্তর
পাঁচ প্রকার।
উত্তর
বিশেষ্য পদ।
উত্তর
সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।
উত্তর
গুণবাচক বা ভাববাচক বিশেষ্য।
উত্তর
ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য।
উত্তর
সর্বনাম পদ।
উত্তর
সাপেক্ষ সর্বনাম।
উত্তর
অনির্দিষ্ট সর্বনাম।
উত্তর
ব্যতিহারিক সর্বনাম।
উত্তর
বিশেষণ পদ।
উত্তর
অবস্থাবাচক বিশেষণ।
উত্তর
পরিমাণবাচক বিশেষণ।
উত্তর
উপাদানবাচক বিশেষণ।
উত্তর
ক্রিয়া বিশেষণ।
উত্তর
বিশেষণের বিশেষণ।
উত্তর
ক্রিয়া পদ।
উত্তর
সমাপিকা ক্রিয়া।
উত্তর
গিয়ে।
উত্তর
অকর্মক।
উত্তর
প্রযোজক ক্রিয়া।
উত্তর
যৌগিক ক্রিয়া।
উত্তর
সংযোজক অব্যয় (সমুচ্চয়ী)।
উত্তর
অনন্বয়ী অব্যয়।
উত্তর
অনুসর্গ অব্যয়।
উত্তর
অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়।
উত্তর
তিনটি—আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা।
উত্তর
আকাঙ্ক্ষা।
উত্তর
আসত্তি।
উত্তর
যোগ্যতা।
উত্তর
তিন প্রকার (সরল, জটিল, যৌগিক)।
উত্তর
সরল বাক্য।
উত্তর
জটিল বা মিশ্র বাক্য।
উত্তর
যৌগিক বাক্য।
উত্তর
বিবৃতিমূলক বাক্য।
উত্তর
প্রশ্নবোধক বাক্য।
উত্তর
বিস্ময়সূচক বাক্য।
উত্তর
অনুজ্ঞাসূচক বাক্য।
উত্তর
ইচ্ছাসূচক বাক্য।
উত্তর
দন্ত (দাঁত)।
উত্তর
উষ্মধ্বনি বা শিশধ্বনি।
উত্তর
ঞ্ + চ।
উত্তর
গৃহিণী।
উত্তর
সংস্কৃত 'চন্দ্র' শব্দ।
উত্তর
সাধিত (প্র + শাসন)।
উত্তর
রূঢ়ি শব্দ (বিশেষ পোশাক অর্থে)।
উত্তর
সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য।
উত্তর
গুণবাচক বিশেষণ।
উত্তর
সংকোচক সমুচ্চয়ী অব্যয়।
উত্তর
মিশ্র ক্রিয়া।