উত্তর
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂)।
লোড হচ্ছে…
বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন, বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে গুরুতর চ্যালেঞ্জ।
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন) বিশ্বজুড়ে যে প্রভাব ফেলছে, তা কোনো দেশের একক সমস্যা নয়।
তবে বাংলাদেশের মতো ভৌগোলিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে এর প্রভাব বহুমাত্রিক এবং অত্যন্ত তীব্র। এই পরিবর্তনের ফলে কৃষি, শিল্প, জনস্বাস্থ্য এবং অভিবাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিসিএস পরীক্ষায় এই সেক্টরভিত্তিক প্রভাব এবং তা মোকাবেলায় গৃহীত স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কৌশল সম্পর্কে বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন আসে। এই পৃষ্ঠায় আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের নিয়ামকসমূহ এবং বিভিন্ন খাতে এর প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। জলবায়ু পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি বা নিয়ামক হলো বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধি, যা মূলত মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলেই ঘটছে।
এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যা পৃথিবীকে উষ্ণ রাখে।
কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট অতিরিক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস এই প্রক্রিয়াকে তীব্র করে তুলেছে, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ। প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাসসমূহ:
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লা ও গ্যাস পোড়ানো, যানবাহন, সিমেন্ট কারখানা, বন উজাড়।
কার্বন ডাই অক্সাইডের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
গবাদি পশু, ধানক্ষেত, প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন, আবর্জনার স্তূপ।
নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O):
কৃষিজমিতে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সার, শিল্প প্রক্রিয়া।
ফ্লুরিনেটেড গ্যাস (যেমন CFC, HFC):
রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, অ্যারোসল স্প্রে।
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লা ও গ্যাস পোড়ানো, যানবাহন, সিমেন্ট কারখানা, বন উজাড়।
কার্বন ডাই অক্সাইডের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
গবাদি পশু, ধানক্ষেত, প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন, আবর্জনার স্তূপ।
ফ্লুরিনেটেড গ্যাস (যেমন CFC, HFC):
রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, অ্যারোসল স্প্রে।
গাছপালা কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে রাখে।
পৃথিবীর ফুসফুস খ্যাত আমাজন রেইনফরেস্টসহ বিশ্বজুড়ে বনভূমি ধ্বংসের ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বনের পরিমাণ বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কোনো নির্দিষ্ট দেশের সীমানায় আবদ্ধ থাকে না, বরং এটি বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ে সুদূরপ্রসারী সংকট তৈরি করে।
মেরু অঞ্চলের বরফ গলার কারণে মালদ্বীপ, টুভালুর মতো দ্বীপরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় ব-দ্বীপগুলোর অস্তিত্ব হুমকির মুখে।
ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার তীব্র তাপপ্রবাহ, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার ভয়াবহ দাবানল, পাকিস্তানের विनाशकारी বন্যা—এ সবই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ ফল।
অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের প্রবাল বিবর্ণ হওয়া (Coral Bleaching) এবং মেরু ভালুকের বাসস্থান ধ্বংস হওয়া এর অন্যতম উদাহরণ।
হিমালয়ের হিমবাহগুলো গলে যাওয়ায় গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও সিন্ধুর মতো নদ-নদীর পানি প্রবাহ অনিয়মিত হয়ে পড়ছে, যা বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের জন্য বন্যা ও খরার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
দক্ষিণ এশিয়ার জীবনযাত্রার নিয়ন্ত্রক মৌসুমি বায়ু আরও খামখেয়ালি হয়ে উঠছে, যার ফলে অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টির মতো ঘটনা ঘটছে।
সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ার কারণে সিডর, আইলা, আম্পানের মতো ঘূর্ণিঝড়গুলো আরও শক্তিশালী হয়ে বাংলাদেশ ও ভারতে আঘাত হানছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে সরাসরি ও মারাত্মক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের কৃষি ও মৎস্য খাতের উপর।
সমুদ্রের উচ্চতা বাড়ায় উপকূলীয় অঞ্চলের (যেমন: খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট) কৃষিজমিতে লবণাক্ত পানি প্রবেশ করছে, যা ধান ও অন্যান্য ফসল উৎপাদনের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।
খরা:
রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ) অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে আমন ধানের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
আকস্মিক বন্যা:
সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ) পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে বোরো ধান কাটার আগেই তলিয়ে যাচ্ছে।
পরিবর্তিত আবহাওয়ায় নতুন নতুন রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণে ফসলের উৎপাদনশীলতা কমছে।
নদী-নালা ও খাল-বিল শুকিয়ে যাওয়ায় এবং পানিতে লবণাক্ততা বাড়ায় কার্প, রুই, কাতলার মতো মিঠা পানির মাছের প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র ধ্বংস হচ্ছে।
সমুদ্রের তাপমাত্রা ও অম্লতা বৃদ্ধির কারণে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনসের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে।
এটি ইলিশের মতো গুরুত্বপূর্ণ মাছের মাইগ্রেশন রুটকেও প্রভাবিত করছে।
উপকূলীয় এলাকায় চিংড়ি ঘেরগুলো ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ভেসে যাচ্ছে, যা রপ্তানি আয়ের উপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
জলবায়ু পরিবর্তন দেশের শিল্প উৎপাদন এবং বহু কষ্টে অর্জিত অবকাঠামোকে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। শিল্প খাত:
বন্যা বা ঘূর্ণিঝড়ের কারণে শিল্প-কারখানা, বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প এবং লবণ শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
দুর্যোগের সময় রাস্তাঘাট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় শিল্পের কাঁচামাল পরিবহন এবং উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণ বাধাগ্রস্ত হয়।
অবকাঠামো খাত:
ঘন ঘন বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে রাস্তাঘাট দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় এবং সেতু ও কালভার্টের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দরের জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি।
ঘূর্ণিঝড়ের সময় বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়, যা আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলে।
শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাতে উপকূলীয় বাঁধ (Embankment) ভেঙে গিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়।
দুর্যোগের সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
ঘন ঘন বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে রাস্তাঘাট দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় এবং সেতু ও কালভার্টের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দরের জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি।
ঘূর্ণিঝড়ের সময় বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়, যা আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলে।
শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাতে উপকূলীয় বাঁধ (Embankment) ভেঙে গিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়।
দুর্যোগের সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং অভ্যন্তরীণ অভিবাসন একটি বড় সামাজিক সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। জনস্বাস্থ্য:
বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েডের মতো পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়।
পরিবর্তিত তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের ধরন ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের বিস্তারের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে।
ফসলহানি এবং সুপেয় পানির অভাবে, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের মধ্যে পুষ্টিহীনতা বাড়ছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সম্পদ ও স্বজন হারানোর মানসিক আঘাত দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে।
অভিবাসন (Migration):
নদী ভাঙন, লবণাক্ততা এবং জীবিকা হারানোর কারণে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি জমাতে বাধ্য হচ্ছে।
জলবায়ু উদ্বাস্তুরা মূলত দেশের বড় শহরগুলোতে, বিশেষ করে ঢাকার বস্তি এলাকায় আশ্রয় নেয়।
এর ফলে শহরের উপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয় এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা হ্রাস পায়।
নদী ভাঙন, লবণাক্ততা এবং জীবিকা হারানোর কারণে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি জমাতে বাধ্য হচ্ছে।
জলবায়ু উদ্বাস্তুরা মূলত দেশের বড় শহরগুলোতে, বিশেষ করে ঢাকার বস্তি এলাকায় আশ্রয় নেয়।
এর ফলে শহরের উপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয় এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা হ্রাস পায়। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় অভিযোজন (Adaptation) এবং প্রশমন (Mitigation) উভয় ক্ষেত্রেই সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অভিযোজন (Adaptation - পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো): কৃষি: লবণাক্ততা, বন্যা ও খরা সহনশীল ফসলের জাত (যেমন: ব্রি ধান-৪৭, বিনা ধান-১০) উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ।
ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, উপকূলীয় বাঁধ উঁচু ও শক্তিশালীকরণ, নদীর তীর রক্ষা ও ড্রেজিং।
বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পুকুর ও খাল পুনঃখনন।
আগাম বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস ব্যবস্থা উন্নত করা।
লবণাক্ততা, বন্যা ও খরা সহনশীল ফসলের জাত (যেমন: ব্রি ধান-৪৭, বিনা ধান-১০) উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ।
ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, উপকূলীয় বাঁধ উঁচু ও শক্তিশালীকরণ, নদীর তীর রক্ষা ও ড্রেজিং।
প্রশমন (Mitigation - গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস): নবায়নযোগ্য জ্বালানি: সৌরবিদ্যুৎ (সোলার হোম সিস্টেম), বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উপর জোর দেওয়া।
উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনীসহ দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।
শক্তি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ও ইটভাটা (জিগ-জ্যাগ) ব্যবহারে উৎসাহিত করা।
সৌরবিদ্যুৎ (সোলার হোম সিস্টেম), বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উপর জোর দেওয়া।
শক্তি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ও ইটভাটা (জিগ-জ্যাগ) ব্যবহারে উৎসাহিত করা।
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা (BCCSAP), জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP), এবং বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Delta Plan 2100) হলো এই কৌশল বাস্তবায়নের মূল ভিত্তি।
এখানে বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন, এর নিয়ামক, প্রভাব এবং মোকাবেলার কৌশলের উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।
উত্তর
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂)।
উত্তর
বায়ুমণ্ডলের কিছু গ্যাস কর্তৃক পৃথিবীর তাপ ধরে রেখে পৃথিবীকে উষ্ণ রাখার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া।
উত্তর
বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধি।
উত্তর
গবাদি পশু, ধানক্ষেত এবং আবর্জনার স্তূপ।
উত্তর
রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনার।
উত্তর
সিএফসি (ক্লোরোফ্লুরোকার্বন)।
উত্তর
নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O)।
উত্তর
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন।
উত্তর
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
উত্তর
মালদ্বীপ, টুভালুর মতো দ্বীপরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ডসের মতো উপকূলীয় দেশ।
উত্তর
সমুদ্রের তাপমাত্রা ও অম্লতা বৃদ্ধি।
উত্তর
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ।
উত্তর
বন্যা ও নদী ভাঙন।
উত্তর
মৌসুমি বায়ু আরও খামখেয়ালি হয়ে উঠছে, যার ফলে অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টি হচ্ছে।
উত্তর
সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
উত্তর
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়।
উত্তর
দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে (খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট)।
উত্তর
কৃষি ও মৎস্য খাতে।
উত্তর
উত্তরবঙ্গের বরেন্দ্র অঞ্চল (রাজশাহী বিভাগ)।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায় (সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ)।
উত্তর
বোরো ধান।
উত্তর
মিঠা পানির মাছের প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস হচ্ছে এবং সামুদ্রিক মাছের মাইগ্রেশন রুট পরিবর্তিত হচ্ছে।
উত্তর
সেন্ট মার্টিন'স দ্বীপ।
উত্তর
দুর্যোগের সময় রাস্তাঘাট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার মাধ্যমে।
উত্তর
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি।
উত্তর
এটি ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময় লবণাক্ত পানির প্রবেশ রোধ করে।
উত্তর
পানিবাহিত রোগ (ডায়রিয়া, কলেরা) এবং মশাবাহিত রোগ (ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া)।
উত্তর
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগের ফলে যারা বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়।
উত্তর
অভ্যন্তরীণ অভিবাসন (গ্রাম থেকে শহরে)।
উত্তর
দুই প্রকার—অভিযোজন (Adaptation) ও প্রশমন (Mitigation)।
উত্তর
জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে চলার কৌশল গ্রহণ করা।
উত্তর
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করে জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ মোকাবেলা করা।
উত্তর
ব্রি ধান-৪৭, ব্রি ধান-৬৭, বিনা ধান-১০।
উত্তর
অভিযোজন।
উত্তর
প্রশমন।
উত্তর
উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা কমাতে বনায়ন কর্মসূচি।
উত্তর
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা (Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan)।
উত্তর
জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (National Adaptation Plan)।
উত্তর
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Delta Plan 2100)।
উত্তর
Intergovernmental Panel on Climate Change।
উত্তর
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস।
উত্তর
বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি শিল্প-বিপ্লব পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে, বিশেষভাবে ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা।
উত্তর
Conference of the Parties (UNFCCC-এর বার্ষিক সম্মেলন)।
উত্তর
চীন।
উত্তর
সাধারণত উন্নত ও তেল সমৃদ্ধ দেশগুলো (যেমন: কাতার, যুক্তরাষ্ট্র)।
উত্তর
আমাজন রেইনফরেস্ট।
উত্তর
সিএফসি (CFC)।
উত্তর
ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ নিয়ন্ত্রণ।
উত্তর
সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করা।
উত্তর
অত্যন্ত শীতল (প্রায় -১৮°C) এবং জীবনধারণের অনুপযোগী হতো।
উত্তর
প্রায় ০.০৪%।
উত্তর
মিথেন (CH₄)।
উত্তর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
উত্তর
লক্ষ্য ১৩: জলবায়ু কার্যক্রম (Climate Action)।
উত্তর
নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য।
উত্তর
সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি।
উত্তর
কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস।
উত্তর
বিনা সরিষা-৯, ব্রি ধান-৫৬।
উত্তর
যে ব্যবস্থায় একটি দেশ বা কোম্পানি তার নির্ধারিত কার্বন নির্গমনের কোটা থেকে কম নির্গমন করলে, উদ্বৃত্ত অংশ অন্য দেশ বা কোম্পানির কাছে বিক্রি করতে পারে।
উত্তর
প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণ স্রোতের একটি পর্যায়ক্রমিক ঘটনা, যা বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার ধরনে পরিবর্তন আনে।
উত্তর
শিল্পবর্জ্য।
উত্তর
এটি একটি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত সমস্যা।
উত্তর
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে।
উত্তর
বায়ুমণ্ডলের অতিরিক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড পানিতে দ্রবীভূত হওয়া।
উত্তর
১৯৯৫ সালে।
উত্তর
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
উত্তর
উচ্চ রক্তচাপ, তবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিকেও বলা হয়।
উত্তর
বাংলাদেশ।
উত্তর
চামড়া শিল্প (লবণাক্ততার কারণে পশুর চামড়ার গুণগত মান নষ্ট হয়)।
উত্তর
জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা।
উত্তর
নবায়নযোগ্য শক্তি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার।
উত্তর
United Nations Framework Convention on Climate Change।
উত্তর
১৯৯২ সালে, ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে।
উত্তর
টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষা।
উত্তর
কার্বন ডাই অক্সাইড।
উত্তর
পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার তীরবর্তী অঞ্চল।
উত্তর
উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সহায়তা করার জন্য গঠিত একটি বৈশ্বিক তহবিল।
উত্তর
পানি সম্পদ ও কৃষি খাত।
উত্তর
মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধিকে।
উত্তর
নারীদের উপর।
উত্তর
হিট স্ট্রোক এবং সংক্রামক রোগের বিস্তার।
উত্তর
ওয়ালেস ব্রোকার (Wallace Broecker)।
উত্তর
কিয়োটো প্রোটোকল (যুক্তরাষ্ট্র অনুসমর্থন করেনি)।
উত্তর
বনভূমি ও সমুদ্র, কারণ এরা বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে।
উত্তর
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে।
উত্তর
শিল্পায়ন, নগরায়ন ও জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার।
উত্তর
সেই দেশের মোট কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের পরিমাণ।
উত্তর
পরিবেশ অধিদপ্তর।
উত্তর
কারণ এতে সিসা, পারদ, ক্যাডমিয়ামের মতো বিষাক্ত পদার্থ থাকে।
উত্তর
উদ্ভিদ বা প্রাণীজ পদার্থ থেকে তৈরি জ্বালানি।
উত্তর
এটি একটি ভুল ধারণা, কোনো গ্যাসের ওজন বায়ুমণ্ডলের চেয়ে বেশি হতে পারে না।
উত্তর
৫ জুন।
উত্তর
Reduce (কমানো), Reuse (পুনঃব্যবহার) এবং Recycle (পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ)।
উত্তর
কর্ণফুলী।
উত্তর
সকল Green Energy-ই Renewable, কিন্তু সকল Renewable Energy পুরোপুরি Green বা পরিবেশবান্ধব নাও হতে পারে (যেমন: বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প)।
উত্তর
১৯৯২ সালে।
উত্তর
IPCC।
উত্তর
পানির উপর ধাপ তৈরি করে চাষাবাদ, যা বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের জন্য একটি অভিযোজন কৌশল।
উত্তর
কোনো গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন না করা।