OrioleOriole
  • হোম
  • কোর্স
  • বিষয়সমূহ
  • প্রস্তুতি
  • মডেল টেস্ট
  • লাইভ ক্লাস
  • সিলেবাস
  • ব্লগ
  • সম্পর্কে
OrioleOriole
BCS প্রস্তুতিদুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হলো একটি সমন্বিত ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণ, জরুরি সাড়াদান এবং দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ হওয়ায় এর গুরুত্ব অপরিসীম। সত্তরের দশকের প্রাণঘাতী ভোলা সাইক্লোনের পর থেকে বাংলাদেশ ত্রাণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সরে এসে একটি সামগ্রিক ও সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তুলেছে, যা আজ বিশ্বব্যাপী 'রোল মডেল' হিসেবে স্বীকৃত। বিসিএস পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতি থেকে প্রশ্ন আসে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কার্যকর প্রয়োগের জন্য এর মৌলিক ধারণাগুলো সম্পর্কে স্বচ্ছ জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। বিপদ (Hazard): কোনো সম্ভাব্য ক্ষতিকর ঘটনা। যেমন: বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা একটি বিপদ। দুর্যোগ (Disaster): যখন কোনো বিপদ একটি ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর উপর আঘাত হানে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটায় যা মোকাবেলায় বাইরের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। ঝুঁকিপূর্ণতা বা সংবেদনশীলতা (Vulnerability): কোনো জনগোষ্ঠীর দুর্যোগের ক্ষতিকর প্রভাবের প্রতি উন্মুক্ত ও সংবেদনশীল olma অবস্থা। এর বিভিন্ন রূপ রয়েছে: ভৌত ঝুঁকিপূর্ণতা: দুর্বল অবকাঠামো, যেমন- উপকূলীয় অঞ্চলে কাঁচা ঘরবাড়ি। সামাজিক ঝুঁকিপূর্ণতা: দরিদ্র, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক জনগোষ্ঠীর বিশেষ ঝুঁকি। অর্থনৈতিক ঝুঁকিপূর্ণতা: জীবিকার উৎস হিসেবে শুধুমাত্র কৃষি বা মৎস্যের উপর নির্ভরশীলতা। সামাজিক ঝুঁকিপূর্ণতা: দরিদ্র, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক জনগোষ্ঠীর বিশেষ ঝুঁকি। অর্থনৈতিক ঝুঁকিপূর্ণতা: জীবিকার উৎস হিসেবে শুধুমাত্র কৃষি বা মৎস্যের উপর নির্ভরশীলতা। সক্ষমতা (Capacity): দুর্যোগ মোকাবেলায় কোনো ব্যক্তি, সমাজ বা প্রতিষ্ঠানের সামর্থ্য ও সম্পদ। ঝুঁকি (Risk): কোনো বিপদের কারণে সম্ভাব্য ক্ষতির মাত্রা। ঝুঁকি = (বিপদ × ঝুঁকিপূর্ণতা) / সক্ষমতা। স্থিতিস্থাপকতা (Resilience): কোনো সমাজ বা সিস্টেমের দুর্যোগের আঘাত সহ্য করে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার ক্ষমতা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কার্যক্রমগুলো একটি নিরবচ্ছিন্ন চক্রে আবর্তিত হয়, যা দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পর্যন্ত বিস্তৃত। দুর্যোগ পূর্ববর্তী পর্যায় (Pre-disaster Phase): ঝুঁকি হ্রাস প্রশমন (Mitigation): দুর্যোগের ক্ষতিকর প্রভাব স্থায়ীভাবে কমানোর পদক্ষেপ। কাঠামোগত প্রশমন: ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, উপকূলীয় বাঁধ বা বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও উঁচু করা, নদী খনন, মুজিব কিল্লা নির্মাণ, ঘরবাড়ির ভিত্তি মজবুত করা। অ-কাঠামোগত প্রশমন: বিল্ডিং কোড প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা, লবণাক্ততা-সহনশীল ও খরা-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন, সামাজিক বনায়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি। প্রস্তুতি (Preparedness): দুর্যোগের জন্য আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ। উদাহরণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (CPP) এর মতো স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ও প্রশিক্ষণ, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা (যেমন: ঘূর্ণিঝড়ের ১১টি সংকেত) প্রচার, জরুরি ত্রাণসামগ্রী (শুকনো খাবার, পানি) মজুদ রাখা, নিয়মিত মহড়া (Drill) আয়োজন করা, জরুরি কন্ট্রোল রুম স্থাপন। প্রশমন (Mitigation): দুর্যোগের ক্ষতিকর প্রভাব স্থায়ীভাবে কমানোর পদক্ষেপ। কাঠামোগত প্রশমন: ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, উপকূলীয় বাঁধ বা বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও উঁচু করা, নদী খনন, মুজিব কিল্লা নির্মাণ, ঘরবাড়ির ভিত্তি মজবুত করা। অ-কাঠামোগত প্রশমন: বিল্ডিং কোড প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা, লবণাক্ততা-সহনশীল ও খরা-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন, সামাজিক বনায়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি। কাঠামোগত প্রশমন: ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, উপকূলীয় বাঁধ বা বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও উঁচু করা, নদী খনন, মুজিব কিল্লা নির্মাণ, ঘরবাড়ির ভিত্তি মজবুত করা। অ-কাঠামোগত প্রশমন: বিল্ডিং কোড প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা, লবণাক্ততা-সহনশীল ও খরা-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন, সামাজিক বনায়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি। প্রস্তুতি (Preparedness): দুর্যোগের জন্য আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ। উদাহরণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (CPP) এর মতো স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ও প্রশিক্ষণ, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা (যেমন: ঘূর্ণিঝড়ের ১১টি সংকেত) প্রচার, জরুরি ত্রাণসামগ্রী (শুকনো খাবার, পানি) মজুদ রাখা, নিয়মিত মহড়া (Drill) আয়োজন করা, জরুরি কন্ট্রোল রুম স্থাপন। উদাহরণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (CPP) এর মতো স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ও প্রশিক্ষণ, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা (যেমন: ঘূর্ণিঝড়ের ১১টি সংকেত) প্রচার, জরুরি ত্রাণসামগ্রী (শুকনো খাবার, পানি) মজুদ রাখা, নিয়মিত মহড়া (Drill) আয়োজন করা, জরুরি কন্ট্রোল রুম স্থাপন। দুর্যোগকালীন পর্যায় (During Disaster Phase): সাড়াদান (Response): দুর্যোগ সংঘটনের সময় এবং অব্যবহিত পরে জীবন ও সম্পদ রক্ষার জরুরি কার্যক্রম। উদাহরণ: অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান (ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড কর্তৃক), বিপদাপন্ন মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর, জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদান, বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সরবরাহ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা। সাড়াদান (Response): দুর্যোগ সংঘটনের সময় এবং অব্যবহিত পরে জীবন ও সম্পদ রক্ষার জরুরি কার্যক্রম। উদাহরণ: অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান (ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড কর্তৃক), বিপদাপন্ন মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর, জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদান, বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সরবরাহ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা। উদাহরণ: অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান (ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড কর্তৃক), বিপদাপন্ন মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর, জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদান, বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সরবরাহ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা। দুর্যোগ পরবর্তী পর্যায় (Post-disaster Phase): পুনরুদ্ধার (Recovery): ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা দ্রুত স্বাভাবিক করার জন্য স্বল্পমেয়াদী ও মধ্যমেয়াদী কার্যক্রম। উদাহরণ: ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো (রাস্তা, সেতু, বিদ্যুৎ লাইন) জরুরি ভিত্তিতে মেরামত, গৃহ মেরামতের জন্য আর্থিক সহায়তা (যেমন: ঢেউটিন) প্রদান, ক্যাশ-ফর-ওয়ার্ক কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন (Rehabilitation and Reconstruction): উদাহরণ: টেকসই ও দুর্যোগ-সহনশীল ঘরবাড়ি নির্মাণ (যেমন: দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্প), জীবিকা পুনরুদ্ধার (নৌকা, জাল, বীজ প্রদান), মনস্তাত্ত্বিক পরামর্শ প্রদান, এবং ভবিষ্যতের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর উন্নততর পুনর্নির্মাণ (Build Back Better - BBB)। পুনরুদ্ধার (Recovery): ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা দ্রুত স্বাভাবিক করার জন্য স্বল্পমেয়াদী ও মধ্যমেয়াদী কার্যক্রম। উদাহরণ: ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো (রাস্তা, সেতু, বিদ্যুৎ লাইন) জরুরি ভিত্তিতে মেরামত, গৃহ মেরামতের জন্য আর্থিক সহায়তা (যেমন: ঢেউটিন) প্রদান, ক্যাশ-ফর-ওয়ার্ক কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। উদাহরণ: ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো (রাস্তা, সেতু, বিদ্যুৎ লাইন) জরুরি ভিত্তিতে মেরামত, গৃহ মেরামতের জন্য আর্থিক সহায়তা (যেমন: ঢেউটিন) প্রদান, ক্যাশ-ফর-ওয়ার্ক কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন (Rehabilitation and Reconstruction): উদাহরণ: টেকসই ও দুর্যোগ-সহনশীল ঘরবাড়ি নির্মাণ (যেমন: দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্প), জীবিকা পুনরুদ্ধার (নৌকা, জাল, বীজ প্রদান), মনস্তাত্ত্বিক পরামর্শ প্রদান, এবং ভবিষ্যতের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর উন্নততর পুনর্নির্মাণ (Build Back Better - BBB)। উদাহরণ: টেকসই ও দুর্যোগ-সহনশীল ঘরবাড়ি নির্মাণ (যেমন: দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্প), জীবিকা পুনরুদ্ধার (নৌকা, জাল, বীজ প্রদান), মনস্তাত্ত্বিক পরামর্শ প্রদান, এবং ভবিষ্যতের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর উন্নততর পুনর্নির্মাণ (Build Back Better - BBB)। আইনগত কাঠামো: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২: এটি দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান আইন। এই আইনের অধীনে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল, উপদেষ্টা কমিটি এবং বিভিন্ন স্তরের কমিটি গঠনের বিধান রয়েছে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতি, ২০১৫। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২: এটি দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান আইন। এই আইনের অধীনে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল, উপদেষ্টা কমিটি এবং বিভিন্ন স্তরের কমিটি গঠনের বিধান রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো (উপর থেকে নিচে): জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল (National Disaster Management Council - NDMC): প্রধানমন্ত্রী এই কাউন্সিলের প্রধান। এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম। আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটি (Inter-Ministerial Disaster Management Coordination Committee - IMDMCC): দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এর প্রধান। এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম সমন্বয় করে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা কমিটি (National Disaster Management Advisory Committee)। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় (Ministry of Disaster Management and Relief - MoDMR): দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর (Department of Disaster Management - DDM): দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও সমন্বয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (Cyclone Preparedness Programme - CPP): বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একটি যৌথ কর্মসূচি। এর ৭৬,০০০ এর বেশি প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি (DDMC, UzDMC, CCDMC, PDMC, UDMC)। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল (National Disaster Management Council - NDMC): প্রধানমন্ত্রী এই কাউন্সিলের প্রধান। এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম। আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটি (Inter-Ministerial Disaster Management Coordination Committee - IMDMCC): দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এর প্রধান। এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম সমন্বয় করে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা কমিটি (National Disaster Management Advisory Committee)। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় (Ministry of Disaster Management and Relief - MoDMR): দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর (Department of Disaster Management - DDM): দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও সমন্বয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (Cyclone Preparedness Programme - CPP): বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একটি যৌথ কর্মসূচি। এর ৭৬,০০০ এর বেশি প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি (DDMC, UzDMC, CCDMC, PDMC, UDMC)। সংজ্ঞা: Standing Orders on Disaster (SOD) হলো একটি বিস্তারিত দলিল, যেখানে দুর্যোগের বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা, কমিটি এবং ব্যক্তির দায়িত্ব ও কর্তব্য সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। গুরুত্ব: এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত সকল অংশীজনের জন্য একটি "How-to-do Manual" হিসেবে কাজ করে, যা সমন্বিত সাড়াদান কার্যক্রম নিশ্চিত করে। বিষয়বস্তু: এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, এনজিও এবং গণমাধ্যমের দায়িত্ব পৃথকভাবে উল্লেখ করা আছে। সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ফর ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন (২০১৫-২০৩০): এটি দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের বর্তমান বৈশ্বিক দলিল, যা জাপানের সেন্দাই শহরে গৃহীত হয়। লক্ষ্য: দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং অবকাঠামোগত ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা। অগ্রাধিকার ক্ষেত্র (৪টি): (১) দুর্যোগ ঝুঁকি বোঝা, (২) ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা, (৩) ঝুঁকি হ্রাসের জন্য বিনিয়োগ করা, এবং (৪) কার্যকর সাড়াদানের জন্য প্রস্তুতি বৃদ্ধি এবং 'উন্নততর পুনর্গঠন'। এটি দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের বর্তমান বৈশ্বিক দলিল, যা জাপানের সেন্দাই শহরে গৃহীত হয়। লক্ষ্য: দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং অবকাঠামোগত ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা। অগ্রাধিকার ক্ষেত্র (৪টি): (১) দুর্যোগ ঝুঁকি বোঝা, (২) ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা, (৩) ঝুঁকি হ্রাসের জন্য বিনিয়োগ করা, এবং (৪) কার্যকর সাড়াদানের জন্য প্রস্তুতি বৃদ্ধি এবং 'উন্নততর পুনর্গঠন'। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs): এর বেশ কয়েকটি লক্ষ্য (যেমন: লক্ষ্য ১, ১১, ১৩) সরাসরি দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের সাথে সম্পর্কিত। আন্তর্জাতিক সংস্থা: United Nations Office for Disaster Risk Reduction (UNDRR): সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক বাস্তবায়নে সমন্বয়কারী সংস্থা। জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থা: UNDP, OCHA, WFP, UNICEF, WHO দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহায়তা প্রদান করে। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট মুভমেন্ট: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সংগঠন। United Nations Office for Disaster Risk Reduction (UNDRR): সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক বাস্তবায়নে সমন্বয়কারী সংস্থা। জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থা: UNDP, OCHA, WFP, UNICEF, WHO দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহায়তা প্রদান করে। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট মুভমেন্ট: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সংগঠন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুর্যোগের ধরন ও তীব্রতা বাড়ছে, যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন (Climate Change Adaptation - CCA) ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (Disaster Risk Reduction - DRR) এর মধ্যে সম্পর্ক: এই দুটি ক্ষেত্র ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অভিযোজন হলো দীর্ঘমেয়াদী জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো, আর ঝুঁকি হ্রাস হলো নির্দিষ্ট দুর্যোগের প্রভাব কমানো। বাংলাদেশের উদ্যোগ: বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Delta Plan 2100): এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত পরিকল্পনা, যার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ব-দ্বীপে পরিণত করা। জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP): জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজনের জন্য একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা। বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Delta Plan 2100): এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত পরিকল্পনা, যার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ব-দ্বীপে পরিণত করা। জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP): জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজনের জন্য একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা। এখানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মৌলিক ধারণা, ব্যবস্থাপনা চক্র, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতির উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।

এই পাতার জন্য MCQ বা পাঠ-সামগ্রী এখনও যোগ করা হয়নি। শীঘ্রই উপলব্ধ হবে।

পূর্ববর্তী
পরিবেশ পরিবর্তন ও প্রভাব
পরবর্তী
ভৌত বিজ্ঞান
নিউজলেটার

পরীক্ষার আপডেট সরাসরি আপনার ইনবক্সে

নতুন সার্কুলার, ফ্রি মডেল টেস্ট ও প্রস্তুতি টিপস — সপ্তাহে একবার।

OrioleOriole

অরিয়ল (Oriole) — প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ও NTRCA শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতির এক প্ল্যাটফর্ম। সিলেবাসভিত্তিক পাঠ, প্রশ্ন ব্যাঙ্ক, মডেল টেস্ট এবং বিশেষজ্ঞ ইনস্ট্রাক্টরদের লাইভ ক্লাস — সবকিছু এক জায়গায়।

  • আকুয়া, ময়মনসিংহ ২২০০, বাংলাদেশ
  • +880 171648362490
  • hello@oriole.com.bd

প্রস্তুতি

  • সব কোর্স
  • বিষয়সমূহ
  • মডেল টেস্ট
  • লাইভ ক্লাস
  • সিলেবাস
  • ব্লগ

পরীক্ষা ও বিষয়

  • বাংলা
  • ইংরেজি
  • গণিত
  • সাধারণ জ্ঞান
  • প্রাথমিক ফুল কোর্স
  • NTRCA প্রিলি ব্যাচ

প্ল্যাটফর্ম

  • সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • সচরাচর জিজ্ঞাসা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলী
  • রিফান্ড নীতি

অ্যাপ ডাউনলোড

শীঘ্রই আসছেGoogle Play
শীঘ্রই আসছেApp Store

নিরাপদ পেমেন্ট পার্টনার

bKash
Nagad
Rocket

© 2026 অরিয়ল (Oriole)। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

গোপনীয়তা·শর্তাবলী·কুকিজ·সাইটম্যাপ