উত্তর
প্রায় ৮০%।
লোড হচ্ছে…
বাংলাদেশ এক বৈচিত্র্যময় ভৌত পরিবেশের দেশ, যা নদীমাতৃক সমভূমি, সবুজ পাহাড় এবং বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন দ্বারা সমৃদ্ধ। এই অনন্য প্রকৃতি দেশটিকে দিয়েছে অফুরন্ত প্রাকৃতিক সম্পদ, যা এর অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার মূল ভিত্তি। তবে, জনসংখ্যার চাপ, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের পরিবেশ আজ মারাত্মক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। বিসিএস পরীক্ষায় ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অংশে বাংলাদেশের পরিবেশ, এর সম্পদ এবং সংকটগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই পৃষ্ঠায় আমরা এই বিষয়গুলো বিস্তারিত ও উদাহরণসহ আলোচনা করেছি, যা পরীক্ষার্থীদের একটি ধারণা পেতে সহায়তা করবে।
দেশের প্রায় ৮০% এলাকাই সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি, যা পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নদী ব্যবস্থার পলি দ্বারা গঠিত।
এই উর্বর সমভূমিই বাংলাদেশের কৃষির মূল ভিত্তি।
দেশের প্রায় ১২% এলাকা টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নিয়ে গঠিত।
উদাহরণ: দক্ষিণ-পূর্বের বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি এবং উত্তর-পূর্বের সিলেট অঞ্চলের টিলাসমূহ।
প্লাইস্টোসিন কালে গঠিত এই অঞ্চল দেশের প্রায় ৮% এলাকা জুড়ে রয়েছে।
উদাহরণ: বরেন্দ্রভূমি (রাজশাহী), মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (টাঙ্গাইল, গাজীপুর)।
পদ্মা, মেঘনা, যমুনা (ব্রহ্মপুত্র) দেশের প্রধান নদী ব্যবস্থা, যা দেশের প্রায় সকল অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম বন্দরের ধারক), তিস্তা, সুরমা, কুশিয়ারা, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, হালদা (স্বাভাবিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র)।
নদীগুলো পলি পরিবহনের মাধ্যমে সমভূমিকে উর্বর রাখে, কৃষি ও সেচের উৎস হিসেবে কাজ করে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম।
বাংলাদেশের বনভূমি দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য অপরিহার্য। সুন্দরবন (The Sundarbans):
বিশ্বের বৃহত্তম একক ম্যানগ্রোভ বন।
এটি একটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান (১৯৯৭) এবং রামসার সাইট।
সুন্দরী, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার (জাতীয় পশু), চিত্রা হরিণ, কুমির, বানর, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও সরীসৃপ।
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে, মধু ও মোমের প্রধান উৎস।
বিশ্বের বৃহত্তম একক ম্যানগ্রোভ বন।
এটি একটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান (১৯৯৭) এবং রামসার সাইট।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার (জাতীয় পশু), চিত্রা হরিণ, কুমির, বানর, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও সরীসৃপ।
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে, মধু ও মোমের প্রধান উৎস।
পাহাড়ি বন (Hill Forests):
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চল।
চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল বৃক্ষের মিশ্র বন।
গর্জন, সেগুন, জারুল, গামার, চাপালিশ, বাঁশ, বেত।
হাতি, বানর, বন্য শূকর, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।
সমতলভূমির বন (Plain Land Forests):
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়।
শাল বা গজারি।
সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ (দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ), টাঙ্গুয়ার হাওর, হাকালুকি হাওর (পরিযায়ী পাখির জন্য বিখ্যাত)।
কৃষি সম্পদ:
ধান, পাট ('সোনালী আঁশ'), গম, ভুট্টা, আলু, চা, আখ।
আম (জাতীয় বৃক্ষ), কাঁঠাল (জাতীয় ফল), লিচু, কলা, পেঁপে, আনারস, পেয়ারা।
ডাল, তৈলবীজ, শাকসবজি, মসলা।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, এবং রপ্তানি আয়ের উৎস।
মৎস্য সম্পদ:
বাংলাদেশ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়।
উদাহরণ: রুই, কাতলা, মৃগেল, পাঙ্গাস, কৈ, শিং, মাগুর।
ইলিশ।
বাংলাদেশ বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনে প্রথম (প্রায় ৮৬%)। এটি একটি জিআই পণ্য।
বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৪৭৫ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়।
উদাহরণ: রূপচাঁদা, লইট্টা, টুনা।
'সাদা সোনা' নামে পরিচিত, একটি প্রধান রপ্তানি পণ্য।
উদাহরণ: গলদা ও বাগদা।
বাংলাদেশ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়।
উদাহরণ: রুই, কাতলা, মৃগেল, পাঙ্গাস, কৈ, শিং, মাগুর।
ইলিশ।
বাংলাদেশ বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনে প্রথম (প্রায় ৮৬%)। এটি একটি জিআই পণ্য।
বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৪৭৫ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়।
উদাহরণ: রূপচাঁদা, লইট্টা, টুনা।
বাংলাদেশ খনিজ সম্পদে খুব সমৃদ্ধ না হলেও, প্রাকৃতিক গ্যাসসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ রয়েছে।
দেশের প্রধান জ্বালানি সম্পদ।
তিতাস (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ (কুমিল্লা), বিবিয়ানা (হবিগঞ্জ, দেশের বৃহত্তম)।
চুনাপাথর (সুনামগঞ্জ), সাদামাটি (নেত্রকোনা), কাচবালি (সিলেট), পিট কয়লা (ফরিদপুর)।
বঙ্গোপসাগরের তলদেশে গ্যাস হাইড্রেট এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।
এর ফলে দেশের উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো স্থায়ীভাবে প্লাবিত হওয়ার এবং মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধির মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় (যেমন: সিডর, আইলা, আম্পান) এবং তৎসংলগ্ন জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় জীবন ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি করে।
মৌসুমি বন্যা, আকস্মিক বন্যা (হাওর অঞ্চলে) এবং নদী ভাঙন প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
কালবৈশাখী, টর্নেডো, বজ্রপাত এবং ভূমিকম্পের ঝুঁকিও রয়েছে (বাংলাদেশ তিনটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছাকাছি অবস্থিত)।
দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়নের ফলে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বায়ু দূষণ:
ইটভাটা, শিল্প-কারখানার ধোঁয়া, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন, নির্মাণ কাজের ধুলাবালি।
ঢাকা প্রায়ই বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় শীর্ষে থাকে।
এর ফলে শ্বাসতন্ত্রের রোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ছে।
ইটভাটা, শিল্প-কারখানার ধোঁয়া, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন, নির্মাণ কাজের ধুলাবালি।
ঢাকা প্রায়ই বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় শীর্ষে থাকে।
এর ফলে শ্বাসতন্ত্রের রোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ছে। পানি দূষণ:
শিল্পবর্জ্য (বিশেষ করে ট্যানারি ও টেক্সটাইল), কৃষিজমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক, এবং অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য।
ঢাকার বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যাসহ দেশের প্রধান প্রধান নদীগুলো মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে জলজ প্রাণের জন্য হুমকিতে পরিণত হয়েছে।
কৃষিজমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার এবং শিল্পবর্জ্য ফেলার কারণে মাটির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে।
অপচনশীল প্লাস্টিক ও পলিথিন নদী-নালা ও শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাকে অচল করে দিচ্ছে এবং সামুদ্রিক পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে।
দেশের ৬১টি জেলার ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি একটি বড় জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ।
এখানে বাংলাদেশের পরিবেশ, ভৌত প্রকৃতি, নদ-নদী, বনজ, কৃষি, মৎস্য ও খনিজ সম্পদ এবং প্রধান পরিবেশগত চ্যালেঞ্জসমূহের উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।
উত্তর
প্রায় ৮০%।
উত্তর
টারশিয়ারি যুগের।
উত্তর
দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে (রাজশাহী বিভাগ)।
উত্তর
প্লাইস্টোসিন কালের সোপান।
উত্তর
পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নদী ব্যবস্থা।
উত্তর
কর্ণফুলী নদীর তীরে।
উত্তর
হালদা নদী।
উত্তর
ম্যানগ্রোভ বন।
উত্তর
সুন্দরবন।
উত্তর
১৯৯৭ সালে।
উত্তর
সুন্দরী।
উত্তর
রয়েল বেঙ্গল টাইগার, এটি সুন্দরবনে পাওয়া যায়।
উত্তর
চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল বৃক্ষের মিশ্র বন।
উত্তর
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়ে।
উত্তর
সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ।
উত্তর
এটি একটি রামসার সাইট এবং মিঠা পানির মাছ ও পরিযায়ী পাখির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল।
উত্তর
সুন্দরবন ও টাঙ্গুয়ার হাওর।
উত্তর
পাট।
উত্তর
জাতীয় ফল কাঁঠাল এবং জাতীয় বৃক্ষ আম গাছ।
উত্তর
তৃতীয়।
উত্তর
ইলিশ।
উত্তর
প্রথম (প্রায় ৮৬%)।
উত্তর
হিমায়িত চিংড়ি।
উত্তর
প্রাকৃতিক গ্যাস।
উত্তর
বিবিয়ানা (হবিগঞ্জ)।
উত্তর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
উত্তর
বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর।
উত্তর
মধ্যপাড়া, দিনাজপুর।
উত্তর
সুনামগঞ্জ ও সেন্ট মার্টিন'স।
উত্তর
নেত্রকোনার বিজয়পুরে।
উত্তর
সমুদ্র সম্পদ-নির্ভর অর্থনীতি।
উত্তর
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি।
উত্তর
সিডর, আইলা, আম্পান, ফণী, রেমাল।
উত্তর
আকস্মিক বন্যা (Flash Flood)।
উত্তর
বরেন্দ্র অঞ্চল (উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল)।
উত্তর
ইন্ডিয়ান, ইউরেশিয়ান এবং বার্মা প্লেট।
উত্তর
ইটভাটা, যানবাহন ও নির্মাণ কাজের ধুলাবালি।
উত্তর
ঢাকার বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী।
উত্তর
৬১টি।
উত্তর
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে।
উত্তর
নদী-নালা ভরাট করে, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাকে অচল করে এবং সামুদ্রিক পরিবেশের ক্ষতি করে।
উত্তর
মেঘনা।
উত্তর
মেঘনা (ভোলা জেলায়)।
উত্তর
নাফ নদী।
উত্তর
মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায়।
উত্তর
আম গাছ।
উত্তর
চিংড়ি।
উত্তর
বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনা।
উত্তর
গ্রীষ্মকালে।
উত্তর
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে।
উত্তর
কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন, সিএফসি ইত্যাদি।
উত্তর
কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি।
উত্তর
কর্ণফুলী নদীর উপর।
উত্তর
আত্রাই নদী।
উত্তর
বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি গভীর সামুদ্রিক খাদ।
উত্তর
১৯৯৫ সালে।
উত্তর
গঙ্গা নদীর উপর (ভারতে)।
উত্তর
পদ্মা নদীর।
উত্তর
উপকূলীয় অঞ্চলে।
উত্তর
তিস্তা নদীর উপর।
উত্তর
বন্যা।
উত্তর
সিলেটের লালাখালে।
উত্তর
নাটোরের লালপুরে।
উত্তর
ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু।
উত্তর
এটি এক ধরনের সাময়িক খাদ্য সংকট, যা উত্তরবঙ্গের রংপুর অঞ্চলে দেখা যায়।
উত্তর
প্রায় ৬২%।
উত্তর
প্রায় ১৭% (সরকারি হিসাব অনুযায়ী)।
উত্তর
২৫%।
উত্তর
কুয়াকাটা।
উত্তর
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট, সিলেট।
উত্তর
সুন্দরবনে।
উত্তর
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
উত্তর
Environmental Impact Assessment (পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা)।
উত্তর
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂)।
উত্তর
নরসিংদী।
উত্তর
কক্সবাজার।
উত্তর
এটি মহাস্থানগড়ের একটি অংশ।
উত্তর
সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম।
উত্তর
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে।
উত্তর
কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুরা।
উত্তর
মোংলা সমুদ্রবন্দরের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে।
উত্তর
এটি কোনো নির্দিষ্ট শৃঙ্গ নয়, তবে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড একটি গভীর খাদ।
উত্তর
ক্যামেরা ট্র্যাপিং।
উত্তর
Conference of the Parties (জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন)।
উত্তর
উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
উত্তর
কারণ এতে সিসা, পারদ, ক্যাডমিয়ামের মতো বিষাক্ত পদার্থ থাকে।
উত্তর
উদ্ভিদ বা প্রাণীজ পদার্থ থেকে।
উত্তর
Reduce (কমানো), Reuse (পুনঃব্যবহার) এবং Recycle (পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ)।
উত্তর
জাপান।
উত্তর
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।
উত্তর
বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের জন্য।
উত্তর
কার্বন নির্গমনের কোটা ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবস্থা।
উত্তর
কোনো বড় প্রকল্প শুরু করার আগে।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (সিলেট) এবং উত্তরাঞ্চলে (পঞ্চগড়)।
উত্তর
সাঙ্গু ও মাতামুহুরী।
উত্তর
থানচি-আলীকদম সড়ক।
উত্তর
বঙ্গোপসাগরে।
উত্তর
মৌলভীবাজার।
উত্তর
২৯টি (সংখ্যা পরিবর্তনশীল)।