উত্তর
তিনটি—টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিন কালের সোপান, এবং সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি।
লোড হচ্ছে…
বাংলাদেশের ভৌত পরিবেশ বা ভূ-প্রকৃতি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। এই ভূ-প্রাকৃতিক ভিন্নতার কারণেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্দিষ্ট ধরণের প্রাকৃতিক সম্পদ গড়ে উঠেছে এবং সেগুলোর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্বও ভিন্ন। একটি অঞ্চলের মাটি, ভূ-গঠন, নদ-নদী এবং জলবায়ু নির্ধারণ করে দেয় সেখানকার কৃষি, শিল্প, বনজ সম্পদ এবং জনবসতির ধরণ। বিসিএস পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে অঞ্চলভেদে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের ভৌত বৈশিষ্ট্য, প্রাপ্ত সম্পদ এবং এর জাতীয় ও আঞ্চলিক গুরুত্ব সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারণা থাকা অপরিহার্য। এই পৃষ্ঠায় আমরা এই বিষয়গুলো বিস্তারিত ও উদাহরণসহ আলোচনা করেছি। বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ১২% এলাকা টারশিয়ারি যুগে গঠিত পাহাড় নিয়ে গঠিত। হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এই পাহাড়গুলো সৃষ্টি হয়েছিল। এগুলো মূলত বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামের পূর্বাংশ।
এই অঞ্চলের পাহাড়গুলো বেশ উঁচু এবং উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত।
গুরুত্বপূর্ণ শৃঙ্গ (উদাহরণ):
বান্দরবানে অবস্থিত, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ (উচ্চতা ১২৩১ মিটার)।
বান্দরবানে অবস্থিত, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (উচ্চতা ৯৮৬ মিটার)।
মোদক মুয়াল, সাকা হাফং, ডিম পাহাড় ইত্যাদি। গুরুত্বপূর্ণ শৃঙ্গ (উদাহরণ):
বান্দরবানে অবস্থিত, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ (উচ্চতা ১২৩১ মিটার)।
বান্দরবানে অবস্থিত, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (উচ্চতা ৯৮৬ মিটার)।
মোদক মুয়াল, সাকা হাফং, ডিম পাহাড় ইত্যাদি।
বান্দরবানে অবস্থিত, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ (উচ্চতা ১২৩১ মিটার)।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
বৃহত্তর সিলেটের (সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ) বিভিন্ন অংশে অবস্থিত নিচু টিলাসমূহ।
এগুলো মূলত 'ডুপিটিলা' ও 'টিপাম' স্তর নামে পরিচিত এবং এদের উচ্চতা তুলনামূলকভাবে কম (সাধারণত ৩০-৯০ মিটার)।
উদাহরণ: চিকনাগুল, খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশীয় টিলাসমূহ।
বৃহত্তর সিলেটের (সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ) বিভিন্ন অংশে অবস্থিত নিচু টিলাসমূহ।
এগুলো মূলত 'ডুপিটিলা' ও 'টিপাম' স্তর নামে পরিচিত এবং এদের উচ্চতা তুলনামূলকভাবে কম (সাধারণত ৩০-৯০ মিটার)।
আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বে বরফ গলা পানিতে সৃষ্ট প্লাবনের ফলে এই সোপান বা চত্বরভূমিগুলো গঠিত হয়েছিল। এটি দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৮%। বরেন্দ্রভূমি (Barind Tract):
দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে (রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ) প্রায় ৯,৩২০ বর্গ কি.মি. এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
এখানকার মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের, যা খুবই অনুর্বর এবং পানি ধারণ ক্ষমতা কম।
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (Madhupur and Bhawal Garh): অবস্থান: টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গ কি.মি.।
এখানকার মাটি লালচে ও কাঁকরময়।
টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর জেলায় অবস্থিত।
এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গ কি.মি.। লালমাই পাহাড় (Lalmai Hills):
কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৮ কি.মি. পশ্চিমে অবস্থিত।
এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গ কি.মি.।
কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৮ কি.মি. পশ্চিমে অবস্থিত।
এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গ কি.মি.। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল, যা মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৮০% জুড়ে বিস্তৃত। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা এবং তাদের অসংখ্য উপনদী ও শাখানদীর পলি দ্বারা এই বিশাল সমভূমি গঠিত হয়েছে। পাদদেশীয় পলল সমভূমি (Piedmont Alluvial Plain): হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের সমভূমি।
দেশের অধিকাংশ এলাকা এর অন্তর্ভুক্ত।
বর্ষাকালে এই অঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়।
দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের (ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, ঢাকা) এলাকা নিয়ে গঠিত।
এটি বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচেয়ে সক্রিয় ব-দ্বীপ।
নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চল।
জলাভূমি (Wetlands):
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের (সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার) বিস্তীর্ণ নিচু জলাভূমি।
উদাহরণ: টাঙ্গুয়ার হাওর, হাকালুকি হাওর।
দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত নিম্নভূমি।
উদাহরণ: চলন বিল (বৃহত্তম), ডাকাতিয়া বিল।
বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য অঞ্চলভিত্তিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট সম্পর্ক তৈরি করেছে। এখানে বাংলাদেশের অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ, ভূ-প্রকৃতি, সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্বের উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।
উত্তর
তিনটি—টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিন কালের সোপান, এবং সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি।
উত্তর
প্রায় ১২%।
উত্তর
টারশিয়ারি যুগে।
উত্তর
তাজিংডং (বিজয়), এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
উত্তর
বান্দরবান।
উত্তর
রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম।
উত্তর
টিলা।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের (সিলেট)।
উত্তর
প্রায় ৮%।
উত্তর
তিনটি—বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়, এবং লালমাই পাহাড়।
উত্তর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে (রাজশাহী বিভাগ)।
উত্তর
ধূসর ও লাল বর্ণের।
উত্তর
টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর।
উত্তর
শাল বা গজারি।
উত্তর
কুমিল্লা জেলায়।
উত্তর
সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি।
উত্তর
প্রায় ৮০%।
উত্তর
পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও তাদের উপনদীর পলি দ্বারা।
উত্তর
রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে।
উত্তর
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা ব-দ্বীপ (বাংলাদেশ)।
উত্তর
হাকালুকি হাওর।
উত্তর
সুনামগঞ্জ।
উত্তর
চলন বিল।
উত্তর
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে (পার্বত্য চট্টগ্রাম)।
উত্তর
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে।
উত্তর
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (পার্বত্য চট্টগ্রাম)।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (সিলেট বিভাগ)।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট বিভাগ)।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকা।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চল।
উত্তর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে (দিনাজপুর)।
উত্তর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল।
উত্তর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল (বরেন্দ্রভূমি)।
উত্তর
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে।
উত্তর
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে (খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট)।
উত্তর
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল (সুন্দরবনের কারণে)।
উত্তর
কেন্দ্রীয় অঞ্চলে (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)।
উত্তর
কেন্দ্রীয় অঞ্চল (ঢাকা)।
উত্তর
কেন্দ্রীয় অঞ্চল।
উত্তর
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
উত্তর
হাওর ও বিল অঞ্চল।
উত্তর
খুবই উর্বর।
উত্তর
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে।
উত্তর
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার)।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (নেত্রকোনার বিজয়পুরে)।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায়।
উত্তর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে (বরেন্দ্রভূমিতে)।
উত্তর
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায়।
উত্তর
কেন্দ্রীয় অঞ্চলে (ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ)।
উত্তর
ভোলা।
উত্তর
কক্সবাজার ও পটুয়াখালী।
উত্তর
প্লাবন সমভূমি অঞ্চল।
উত্তর
সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমির মাটি।
উত্তর
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (সিলেট)।
উত্তর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে।
উত্তর
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের।
উত্তর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে (রংপুর)।
উত্তর
প্লাবন সমভূমি ও ব-দ্বীপ অঞ্চলের।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (সিলেটের লালাখাল)।
উত্তর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে (নাটোরের লালপুর)।
উত্তর
খাগড়াছড়ি।
উত্তর
এটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের নিমজ্জিত অংশ।
উত্তর
প্লাবন সমভূমি অঞ্চলে।
উত্তর
ব-দ্বীপ সমভূমি।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরে।
উত্তর
পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ।
উত্তর
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়।
উত্তর
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
উত্তর
হাওর অববাহিকা ও উপকূলীয় অঞ্চল।
উত্তর
দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে।
উত্তর
দক্ষিণ দিকে (বঙ্গোপসাগরের দিকে)।
উত্তর
বঙ্গোপসাগরে (সুন্দরবনের দক্ষিণে)।
উত্তর
যমুনা নদীর তীরে।
উত্তর
বরেন্দ্র অঞ্চলে।
উত্তর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের।
উত্তর
হাতিয়া, নোয়াখালী।
উত্তর
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে।
উত্তর
সুন্দরবন (দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল)।
উত্তর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে (রাজশাহী)।
উত্তর
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে (পটুয়াখালী)।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে।
উত্তর
উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট)।
উত্তর
দক্ষিণ-পূর্ব (কক্সবাজার) ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে।
উত্তর
মধুপুর গড়ের উত্তরে ময়মনসিংহ অঞ্চলে।
উত্তর
প্লাবন সমভূমি অঞ্চলে (বিশেষত পদ্মা, মেঘনা, যমুনার তীরে)।
উত্তর
কেন্দ্রীয় অঞ্চলে।
উত্তর
বঙ্গোপসাগরে (দক্ষিণাঞ্চল)।
উত্তর
কেন্দ্রীয় ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (ঢাকা ও সিলেট বিভাগ)।
উত্তর
বরিশাল (দক্ষিণাঞ্চল)।
উত্তর
সিলেট (উত্তর-পূর্বাঞ্চল)।