উত্তর
ধান।
লোড হচ্ছে…
বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা কৃষিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষিখাতের অবদান এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দারিদ্র্য বিমোচনে কৃষিজ সম্পদের টেকসই উন্নয়ন অপরিহার্য। বিসিএস পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ, বিশেষ করে শস্য উৎপাদন, এর বহুমুখীকরণ এবং খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পৃষ্ঠায় আমরা এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি, যা পরীক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি গ্রহণে সহায়ক হবে। বাংলাদেশের কৃষি মূলত শস্য উৎপাদন কেন্দ্রিক। ধান প্রধান ফসল হলেও ক্রমবর্ধমান চাহিদা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথে ফসলের বহুমুখীকরণ জরুরি হয়ে পড়েছে। শস্য বহুমুখীকরণ বলতে গতানুগতিক ফসলের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার উচ্চমূল্যের, পুষ্টিকর এবং লাভজনক ফসল চাষ করাকে বোঝায়।
মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি হ্রাস করা। পুষ্টির চাহিদা পূরণ এবং খাদ্য তালিকায় বৈচিত্র্য আনা। রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং আমদানি নির্ভরতা কমানো। জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো। বহুমুখীকরণের উদাহরণ:
ড্রাগন ফল, স্ট্রবেরি, মাল্টা, অ্যাভোকাডো, রকমেলন (তরমুজ), ক্যাপসিকাম, চেরি টমেটো, পার্সিমন, রাম্বুটান, ত্বীন ফল।
ব্রকলি, লেটুস, অ্যাসপারাগাস, বিটরুট, বেবি কর্ন, মাশরুম, স্কোয়াশ, চাইনিজ ক্যাবেজ।
পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, মরিচ, জিরা, কালোজিরা, মেথি, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা।
গোলাপ, রজনীগন্ধা, গাঁদা, গ্লাডিওলাস, জারবেরা, অর্কিড, টিউলিপ।
অ্যালোভেরা (ঘৃতকুমারী), তুলসী, নিম, অর্জুন, হরীতকী, আমলকী, থানকুনি, পুদিনা, লেমনগ্রাস, স্টিভিয়া।
কাজুবাদাম, কফি, ভূট্টা, সূর্যমুখী, সয়াবিন, তুলা, রেশম (তুঁত চাষ)।
ড্রাগন ফল, স্ট্রবেরি, মাল্টা, অ্যাভোকাডো, রকমেলন (তরমুজ), ক্যাপসিকাম, চেরি টমেটো, পার্সিমন, রাম্বুটান, ত্বীন ফল।
ব্রকলি, লেটুস, অ্যাসপারাগাস, বিটরুট, বেবি কর্ন, মাশরুম, স্কোয়াশ, চাইনিজ ক্যাবেজ।
পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, মরিচ, জিরা, কালোজিরা, মেথি, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা।
গোলাপ, রজনীগন্ধা, গাঁদা, গ্লাডিওলাস, জারবেরা, অর্কিড, টিউলিপ।
অ্যালোভেরা (ঘৃতকুমারী), তুলসী, নিম, অর্জুন, হরীতকী, আমলকী, থানকুনি, পুদিনা, লেমনগ্রাস, স্টিভিয়া।
খাদ্যশস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে, বিশেষ করে ধান উৎপাদনে দেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। ধান (Paddy/Rice):
বিআর২১ (নিয়ামত), বিআর২৬, বিনাআউশ-১, নেরিকা মিউট্যান্ট, পারির্জা।
বিআর৫ (দুলাভোগ), বিআর১১ (মুক্তা), বিআর২২ (নবান্ন), ব্রি ধান৩২, ব্রি ধান৪৯ (গাজী), ব্রি ধান৭১, ব্রি ধান৮৭ (প্রগতি), বিনা ধান৭, নাইজারশাইল, লতিশাইল, বালাম, চিনিগুঁড়া, কাটারিভোগ (জিআই পণ্য), তুলশীমালা।
বিআর৩ (বিপ্লব), বিআর১৪, বিআর২৮, বিআর২৯ (সর্বাধিক উৎপাদিত), ব্রি ধান৫০ (বাংলামতি), ব্রি ধান৫৮, ব্রি ধান৮১, ব্রি ধান৮৪, ব্রি ধান৮৯, ব্রি ধান৯২, ব্রি ধান১০০ (বঙ্গবন্ধু ধান), ব্রি হাইব্রিড ধান-৫।
জিংক সমৃদ্ধ ধান (ব্রি ধান-৭৪), খরা সহনশীল, বন্যা সহনশীল, লবণাক্ততা সহনশীল জাত।
গম (Wheat):
প্রদীপ, বিজয়, শতাব্দী, বারি গম-২৫, বারি গম-২৮, বারি গম-৩০, বারি গম-৩৩, ডব্লিউএমআরআই গম-১।
দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, পাবনা, যশোর।
প্রদীপ, বিজয়, শতাব্দী, বারি গম-২৫, বারি গম-২৮, বারি গম-৩০, বারি গম-৩৩, ডব্লিউএমআরআই গম-১।
ভুট্টা (Maize):
বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৯, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১৪, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১৭, শুভ্রা, বর্ণালী, এনকে-৪০, পাইওনিয়ার।
পোল্ট্রি ফিড, ফিশ ফিড, পপকর্ন, কর্নফ্লেক্স, তেল।
দিনাজপুর, চুয়াডাঙ্গা, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও।
বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৯, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১৪, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১৭, শুভ্রা, বর্ণালী, এনকে-৪০, পাইওনিয়ার।
যেসব ফসল মূলত বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য চাষ করা হয়, তাদের অর্থকরী ফসল বলে। পাট (Jute):
'সোনালী আঁশ' (Golden Fibre) নামে পরিচিত।
তোষা পাট (উৎপাদন বেশি), দেশি পাট।
ও-৯৮৯৭, বিজেআরআই তোষা পাট-৫, বিজেআরআই তোষা পাট-৮ (রবি-১), বিজেআরআই দেশি পাট-১০।
উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয় (ভারতের পর), রপ্তানিতে বিশ্বে প্রথম।
ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, জামালপুর, রংপুর।
ও-৯৮৯৭, বিজেআরআই তোষা পাট-৫, বিজেআরআই তোষা পাট-৮ (রবি-১), বিজেআরআই দেশি পাট-১০।
চা (Tea):
উৎপাদনে বিশ্বে নবম।
মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট (বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল)।
বর্তমানে পঞ্চগড় ও লালমনিরহাটেও চা চাষ হচ্ছে।
বিটি-১, বিটি-২, বিটিআরআই উদ্ভাবিত ২১টি ক্লোন।
মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট (বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল)।
বর্তমানে পঞ্চগড় ও লালমনিরহাটেও চা চাষ হচ্ছে। আখ (Sugarcane):
চিনি ও গুড় উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল।
ঈশ্বরদী-১৬, ঈশ্বরদী-৩৮, ঈশ্বরদী-৩৯, সিএমএল, বিএসআরআই আখ-৪৫।
রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা।
তুলা (Cotton):
বস্ত্র শিল্পের প্রধান কাঁচামাল।
সিবি-১২, সিবি-১৪, হাইব্রিড জাত।
যশোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা।
তামাক (Tobacco):
রংপুর, কুষ্টিয়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম।
সিগারেট, বিড়ি, জর্দা।
(এর চাষ নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে)। খাদ্যশস্য ও অর্থকরী ফসলের পাশাপাশি ডাল, তৈলবীজ, আলু, ফল ও শাকসবজি দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আলু (Potato):
ডায়মন্ট, কার্ডিনাল, গ্রানুলা, লেডি রোসেটা (শিল্পে ব্যবহার), বারি আলু-৪১, বারি আলু-৭৮, অ্যাস্টারিক্স।
ডায়মন্ট, কার্ডিনাল, গ্রানুলা, লেডি রোসেটা (শিল্পে ব্যবহার), বারি আলু-৪১, বারি আলু-৭৮, অ্যাস্টারিক্স।
ডাল (Pulses):
বারি মসুর-৬, বারি মসুর-৮, বিনা মসুর-১০।
বারি ছোলা-৯, বারি ছোলা-১১।
বারি মুগ-৬, বিনা মুগ-৮।
মাসকলাই, খেসারী, অড়হর, মটর।
তৈলবীজ (Oilseeds):
বারি সরিষা-১৪, বারি সরিষা-১৭, বিনা সরিষা-৯।
তিল, সয়াবিন, সূর্যমুখী, চীনাবাদাম, তিসি।
ফল (Fruits):
ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হিমসাগর, আম্রপালি, হাড়িভাঙ্গা (জিআই), বারি আম-৪, সূর্যডিম (বিদেশি)।
বাংলাদেশের জাতীয় ফল।
বোম্বাই, চায়না-৩, বেদানা, বারি লিচু-৪।
কলা, পেঁপে, আনারস, পেয়ারা, কুল, তরমুজ, ড্রাগন ফল, মাল্টা, আমড়া, জাম, নারকেল, সুপারি।
ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হিমসাগর, আম্রপালি, হাড়িভাঙ্গা (জিআই), বারি আম-৪, সূর্যডিম (বিদেশি)।
কলা, পেঁপে, আনারস, পেয়ারা, কুল, তরমুজ, ড্রাগন ফল, মাল্টা, আমড়া, জাম, নারকেল, সুপারি।
বেগুন, টমেটো, শিম, লাউ, কুমড়া, পটল, করলা, ঢেঁড়স, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, শসা, পালংশাক, লালশাক ইত্যাদি।
পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, মরিচ, ধনিয়া, জিরা, কালোজিরা, মেথি, তেজপাতা।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য শুধু উৎপাদন বৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়, এর সঠিক ব্যবস্থাপনাও অপরিহার্য। এর মধ্যে রয়েছে সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিতরণ এবং পুষ্টি নিশ্চিতকরণ। খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বয়ংসম্পূর্ণতা:
সকল নাগরিকের জন্য সর্বদা প্রয়োজনীয় ও পুষ্টিকর খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা।
খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা (Food Self-sufficiency): দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট পরিমাণ খাদ্য দেশেই উৎপাদন করার সক্ষমতা। বাংলাদেশ বর্তমানে দানাদার খাদ্যে (চালে) স্বয়ংসম্পূর্ণ।
সকল নাগরিকের জন্য সর্বদা প্রয়োজনীয় ও পুষ্টিকর খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা।
খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা (Food Self-sufficiency): দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট পরিমাণ খাদ্য দেশেই উৎপাদন করার সক্ষমতা। বাংলাদেশ বর্তমানে দানাদার খাদ্যে (চালে) স্বয়ংসম্পূর্ণ। সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনা:
সরকার কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে (Minimum Support Price) আমন, বোরো ধান এবং গম সংগ্রহ করে।
সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপো (CSD) এবং লোকাল সাপ্লাই ডিপো (LSD): খাদ্য অধিদপ্তরের অধীনে দেশব্যাপী খাদ্য গুদাম।
আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা (যেমন: পোস্তগোলা, চট্টগ্রাম, আশুগঞ্জ সাইলো)।
দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় পারিবারিক পর্যায়ে খাদ্য সংরক্ষণের জন্য বিতরণকৃত ছোট সাইলো।
খোলা বাজারে বিক্রয় (OMS - Open Market Sale): নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য কম মূল্যে চাল ও আটা বিক্রয়।
১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ।
দুস্থ মহিলাদের জন্য খাদ্য সহায়তা।
দুর্যোগকালীন ও উৎসবের সময় খাদ্য সহায়তা।
কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) ও টিআর (টেস্ট রিলিফ)।
সরকার কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে (Minimum Support Price) আমন, বোরো ধান এবং গম সংগ্রহ করে।
সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপো (CSD) এবং লোকাল সাপ্লাই ডিপো (LSD): খাদ্য অধিদপ্তরের অধীনে দেশব্যাপী খাদ্য গুদাম।
আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা (যেমন: পোস্তগোলা, চট্টগ্রাম, আশুগঞ্জ সাইলো)।
দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় পারিবারিক পর্যায়ে খাদ্য সংরক্ষণের জন্য বিতরণকৃত ছোট সাইলো।
সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপো (CSD) এবং লোকাল সাপ্লাই ডিপো (LSD): খাদ্য অধিদপ্তরের অধীনে দেশব্যাপী খাদ্য গুদাম।
আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা (যেমন: পোস্তগোলা, চট্টগ্রাম, আশুগঞ্জ সাইলো)।
দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় পারিবারিক পর্যায়ে খাদ্য সংরক্ষণের জন্য বিতরণকৃত ছোট সাইলো।
খোলা বাজারে বিক্রয় (OMS - Open Market Sale): নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য কম মূল্যে চাল ও আটা বিক্রয়।
১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ।
দুস্থ মহিলাদের জন্য খাদ্য সহায়তা।
দুর্যোগকালীন ও উৎসবের সময় খাদ্য সহায়তা।
কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) ও টিআর (টেস্ট রিলিফ)। খোলা বাজারে বিক্রয় (OMS - Open Market Sale): নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য কম মূল্যে চাল ও আটা বিক্রয়। খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পুষ্টি:
চালকল, আটা-ময়দার মিল, বেকারি, জুস, জ্যাম-জেলি, চিপস, দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ (দই, ঘি, মাখন), হিমায়িত খাদ্য (মাছ, সবজি) ইত্যাদি।
খাদ্যের সহজলভ্যতার পাশাপাশি পুষ্টির নিশ্চয়তা।
সরকার ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ চাল, আয়োডিনযুক্ত লবণ ইত্যাদি কর্মসূচির মাধ্যমে পুষ্টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।
চালকল, আটা-ময়দার মিল, বেকারি, জুস, জ্যাম-জেলি, চিপস, দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ (দই, ঘি, মাখন), হিমায়িত খাদ্য (মাছ, সবজি) ইত্যাদি।
খাদ্যের সহজলভ্যতার পাশাপাশি পুষ্টির নিশ্চয়তা।
সরকার ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ চাল, আয়োডিনযুক্ত লবণ ইত্যাদি কর্মসূচির মাধ্যমে পুষ্টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। কৃষি উৎপাদনে সাফল্য সত্ত্বেও বাংলাদেশকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে এবং ভবিষ্যতের জন্য নতুন কৌশল গ্রহণ করতে হচ্ছে। চ্যালেঞ্জসমূহ:
বন্যা, খরা, লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত।
শিল্পায়ন ও নগরায়নের ফলে কৃষি জমি হ্রাস।
মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, সংরক্ষণ সুবিধার অভাব।
সব কৃষকের কাছে আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রের অপ্রতুলতা।
কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং খাদ্যে ভেজাল।
মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, সংরক্ষণ সুবিধার অভাব।
ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও করণীয়:
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT), ড্রোন, সেন্সর ও ডেটা অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করে উৎপাদন বৃদ্ধি।
উচ্চমূল্যের ফল, সবজি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রপ্তানি বৃদ্ধি।
লবণাক্ততা, খরা ও বন্যা সহনশীল জাতের উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ।
রাসায়নিক সার ও কীটনাশকমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন।
কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও সমবায় ভিত্তিক চাষাবাদ।
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT), ড্রোন, সেন্সর ও ডেটা অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করে উৎপাদন বৃদ্ধি।
এখানে বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ, শস্য উৎপাদন, খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলির উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।
উত্তর
ধান।
উত্তর
পাট।
উত্তর
গতানুগতিক ফসলের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার উচ্চমূল্যের ও লাভজনক ফসল চাষ করা।
উত্তর
Open Market Sale (খোলা বাজারে বিক্রয়)।
উত্তর
তৃতীয়।
উত্তর
ময়মনসিংহ।
উত্তর
ধান (ব্রি ধান-৫০)।
উত্তর
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
উত্তর
গম।
উত্তর
সাইলো (Silo)।
উত্তর
দ্বিতীয় (ভারতের পর)।
উত্তর
প্রথম।
উত্তর
ড. মাকসুদুল আলম।
উত্তর
মৌলভীবাজার।
উত্তর
নবম।
উত্তর
ড্রাগন ফল, স্ট্রবেরি, অ্যাভোকাডো।
উত্তর
Vulnerable Group Feeding।
উত্তর
Vulnerable Group Development।
উত্তর
আম (রংপুরের বিখ্যাত জাত)।
উত্তর
কাঁঠাল।
উত্তর
কেরু অ্যান্ড কোং (বাংলাদেশ) লিমিটেড, দর্শনা।
উত্তর
সপ্তম।
উত্তর
তোষা পাট (বিজেআরআই তোষা পাট-৮)।
উত্তর
উত্তরাঞ্চলে (বিশেষত পঞ্চগড়)।
উত্তর
১লা অগ্রহায়ণ (১৫ নভেম্বর)।
উত্তর
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প।
উত্তর
সকল নাগরিকের জন্য সর্বদা প্রয়োজনীয় ও পুষ্টিকর খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা।
উত্তর
আমন ধান (বিআর-২২)।
উত্তর
বোরো ধান (বিআর-৩)।
উত্তর
ঠাকুরগাঁও।
উত্তর
ভুট্টা।
উত্তর
দিনাজপুর, চুয়াডাঙ্গা।
উত্তর
আমন ধান (ব্রি ধান-৮৭)।
উত্তর
তোষা পাট।
উত্তর
ফরিদপুর।
উত্তর
শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
উত্তর
ঈশ্বরদী, পাবনা।
উত্তর
আলু।
উত্তর
মসুর ডাল।
উত্তর
সরিষা।
উত্তর
লিচু।
উত্তর
ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে (Minimum Support Price)।
উত্তর
সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপো এবং লোকাল সাপ্লাই ডিপো।
উত্তর
১০ টাকা (বর্তমানে ১৫ টাকা)।
উত্তর
কাজের বিনিময়ে খাদ্য।
উত্তর
আধুনিক প্রযুক্তি (ড্রোন, সেন্সর, IoT) ব্যবহার করে কৃষি কাজ পরিচালনা করা।
উত্তর
রাসায়নিক সার ও কীটনাশকমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা।
উত্তর
দিনাজপুর।
উত্তর
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী।
উত্তর
টাঙ্গাইল (মধুপুর)।
উত্তর
আউশ ধান।
উত্তর
ব্রি ধান-৭৪।
উত্তর
যশোর।
উত্তর
ফুল চাষ।
উত্তর
যশোর (গদখালী)।
উত্তর
নিবিড় বা শ্রমঘন।
উত্তর
প্রায় ১১-১২% (অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী পরিবর্তিত)।
উত্তর
১৮৫৪ সাল থেকে (সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে)।
উত্তর
এটি আলুর জাত, যা চিপস তৈরিতে শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
উত্তর
দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায়।
উত্তর
৭টি (সর্বশেষ: কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়)।
উত্তর
শস্য উপখাত।
উত্তর
আমন ধান (বিআর-১১)।
উত্তর
সাভার, ঢাকা।
উত্তর
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল।
উত্তর
Bangladesh Agricultural Research Institute।
উত্তর
Bangladesh Institute of Nuclear Agriculture।
উত্তর
কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুরা।
উত্তর
২০১৮ সালে (সর্বশেষ)।
উত্তর
এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়, যা জলবায়ু পরিবর্তন ঘটায় এবং ফসলের ক্ষতি করে।
উত্তর
তুঁত গাছ।
উত্তর
ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এক ধরনের জেনেটিক্যালি মডিফায়েড ধান।
উত্তর
সংখ্যাটি পরিবর্তনশীল, তবে উল্লেখযোগ্য হলো জামদানি, ইলিশ, ক্ষীরসাপাত আম, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহীর সিল্ক ইত্যাদি।
উত্তর
উত্তরাঞ্চলে (বরেন্দ্রভূমি)।
উত্তর
মসুর।
উত্তর
ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, রসুন, ডাল ইত্যাদি।
উত্তর
আফ্রিকা থেকে আনা এক প্রকার খরা সহনশীল আউশ ধান (New Rice for Africa)।
উত্তর
কৃষি মন্ত্রণালয়।
উত্তর
রামু, কক্সবাজার।
উত্তর
ডাল জাতীয় ফসল (কারণ এরা বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করতে পারে)।
উত্তর
চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত একটি ঔষধি গাছ।
উত্তর
বরিশাল।
উত্তর
চিংড়ি।
উত্তর
দশেরি ও নীলম।
উত্তর
৬টি (সর্বশেষ ২০১৮)।
উত্তর
ঘৃতকুমারী।
উত্তর
উদ্যান পালন বা ফল, ফুল ও সবজি চাষ।
উত্তর
আম গাছ।
উত্তর
বোরো মৌসুমে।
উত্তর
দক্ষিণাঞ্চলে (বরিশাল, বাগেরহাট, নোয়াখালী)।
উত্তর
বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার।
উত্তর
১২টি।
উত্তর
জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃষি জমির পরিমাণ হ্রাস।
উত্তর
কলা।