উত্তর
তমদ্দুন মজলিস।
লোড হচ্ছে…
বাংলাদেশের ইতিহাস হাজার বছরের শোষণ, বঞ্চনা এবং তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর এক মহাকাব্য। প্রাচীন বাংলার জনপদ থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা, গণঅভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা— প্রতিটি ঘটনাই এ জাতির আত্মপরিচয় এবং গণতান্ত্রিক চেতনার সাক্ষ্য বহন করে। এই সংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিকশিত হয়েছে এদেশের স্বতন্ত্র কৃষ্টি ও সংস্কৃতি। বিসিএস পরীক্ষায় এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং এর ধারাবাহিকতা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা অপরিহার্য। এই পৃষ্ঠায় আমরা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সম-সাময়িক কালের ইতিহাস পর্যন্ত বিস্তারিত আলোচনা করেছি। ভাষা আন্দোলন ছিল পাকিস্তান রাষ্ট্রে বাঙালির প্রথম স্বাধিকার আন্দোলন এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষের প্রথম সোপান।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫৬% বাঙালি হওয়া সত্ত্বেও মাত্র ৭% মানুষের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়।
অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে 'তমদ্দুন মজলিস' (২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭) ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
কুমিল্লার গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেন।
১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে গঠিত হয়।
ঐতিহাসিক ২১শে ফেব্রুয়ারি (৮ই ফাল্গুন, ১৩৫৮): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ নাম না জানা অনেকে শহীদ হন।
প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২।
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান।
১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করে। এটি ছিল পূর্ব বাংলার প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম ব্যালট বিপ্লব।
মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল মিলে এই জোট গঠন করে।
প্রধান নেতারা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ও মওলানা ভাসানী।
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১-দফা, যার মধ্যে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা, স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, জমিদারি প্রথা বিলোপ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।
মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন।
শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠিত হয়, কিন্তু মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় কেন্দ্রীয় সরকার ৯২(ক) ধারা জারি করে মন্ত্রিসভা ভেঙে দেয়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক উত্থাপিত ছয় দফা ছিল বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের দাবি এবং স্বাধীনতার পথে একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা। একে 'বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ' বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির সরকার ও সংসদীয় গণতন্ত্র।
দুটি পৃথক কিন্তু অবাধে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা অথবা বিশেষ শর্তসাপেক্ষে একক মুদ্রা।
বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষমতা থাকবে আঞ্চলিক সরকারের হাতে।
আঞ্চলিক সংহতি ও সংবিধান রক্ষার জন্য আঞ্চলিক সরকারকে আধা-সামরিক বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠনের ক্ষমতা দিতে হবে।
ছয় দফা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা এবং আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করা হয়।
ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠন মিলে 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে এবং ছয় দফার পাশাপাশি ছাত্রদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে ১১-দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান (২০ জানুয়ারি), স্কুলছাত্র মতিউর রহমান (২৪ জানুয়ারি) এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা (১৮ ফেব্রুয়ারি) শহীদ হন।
তীব্র আন্দোলনের মুখে আইয়ুব খান আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন।
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ রেসকোর্স ময়দানে তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করেন। ২৫ মার্চ, ১৯৬৯ আইয়ুব খান পদত্যাগ করেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর ক্ষমতা হস্তান্তরে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার অস্বীকৃতি চূড়ান্তভাবে বাঙালিকে স্বাধীনতার পথে ধাবিত করে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন, যেখানে তিনি ঘোষণা করেন, "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"।
২৫শে মার্চ, ১৯৭১ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকায় যে নারকীয় গণহত্যা চালায়, তার সাংকেতিক নাম 'অপারেশন সার্চলাইট'।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
এই ঘোষণাটি পরবর্তীতে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এম. এ. হান্নান এবং মেজর জিয়াউর রহমান (বঙ্গবন্ধুর পক্ষে) পাঠ করেন।
১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ গ্রহণ করে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
তাজউদ্দীন আহমদ।
মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি সুসংগঠিত জনযুদ্ধ, যা নির্দিষ্ট রণকৌশল ও সামরিক পরিকল্পনার অধীনে পরিচালিত হয়েছিল।
যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
প্রতিটি সেক্টরের একজন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।
নৌ-কমান্ডোদের নিয়ে গঠিত এই সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা ছিল না।
এটি অভ্যন্তরীণ নৌপথে অভিযান পরিচালনা করত।
তিনটি নিয়মিত ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়েছিল, যা সেক্টর কমান্ডারদের নামে পরিচিত ছিল: জেড ফোর্স: মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে।
মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে।
মেজর কে. এম. শফিউল্লাহর নেতৃত্বে।
মুক্তিবাহিনী:
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইপিআর, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের নিয়ে গঠিত।
ছাত্র, যুবক, কৃষক, শ্রমিকদের নিয়ে গঠিত গেরিলা বাহিনী।
'হিট অ্যান্ড রান' পদ্ধতিতে শত্রুকে অতর্কিত আক্রমণ করে ব্যতিব্যস্ত রাখা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধান কৌশল।
১৯৭১ সালের ১৫ই আগস্ট রাতে নৌ-কমান্ডোদের দ্বারা পরিচালিত একটি সফল অভিযান, যেখানে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরে একযোগে পাকিস্তানি জাহাজ ধ্বংস করা হয়।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা ছিল মিশ্র। কিছু দেশ সরাসরি সমর্থন দিয়েছিল, আবার কিছু দেশ পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন করেছিল। বাংলাদেশের পক্ষে:
প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয়, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ এবং সবশেষে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ভারত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের পক্ষে কূটনৈতিক সমর্থন জোগায় এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে, যা বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয়কে ত্বরান্বিত করে।
পাকিস্তানের পক্ষে:
পাকিস্তানকে অস্ত্র ও কূটনৈতিক সমর্থন প্রদান করে এবং যুদ্ধবিরতির জন্য বঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌবহর প্রেরণ করে।
পাকিস্তানকে সমর্থন জানায় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে।
পাকিস্তানকে অস্ত্র ও কূটনৈতিক সমর্থন প্রদান করে এবং যুদ্ধবিরতির জন্য বঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌবহর প্রেরণ করে।
যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ পশ্চিম ইউরোপের অনেক দেশ মানবিক সহায়তা প্রদান করে এবং নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে।
বিবিসি), শিল্পী (জর্জ হ্যারিসনের 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'), এবং বুদ্ধিজীবীরা বিশ্বজনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১ পাকিস্তান ভারতে বিমান হামলা চালালে যুদ্ধ正式ভাবে শুরু হয়।
বাংলাদেশ ও ভারতের সামরিক বাহিনী মিলে 'মিত্রবাহিনী' বা যৌথবাহিনী গঠন করা হয়।
পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর আল-বদর, আল-শামস বাহিনী ১৪ই ডিসেম্বর দেশের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭১ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লে. জে. আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী, প্রায় ৯৩,০০০ সৈন্যসহ, যৌথবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লে. জে. জগজিৎ সিং অরোরার কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করেন।
এই আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে একটি নতুন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম হয়।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, যা পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়, দেশের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এটি 'জুলাই বিপ্লব' নামেও পরিচিতি পাচ্ছে।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিল।
২০১৮ সালের আন্দোলনের পর কোটা ব্যবস্থা বাতিল করা হলেও, ২০২৪ সালের ৫ই জুন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তা পুনর্বহাল করার রায় দিলে ছাত্রসমাজের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়।
প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন সীমাবদ্ধ থাকলেও জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে তা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা 'সমন্বয়কহীন' এই আন্দোলনকে সংগঠিত করে। তাদের মূল স্লোগান ছিল "বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমরা সবাই"।
সরকারের দমন-পীড়ন, ইন্টারনেট সেবা বন্ধ এবং প্রাণহানির ঘটনা আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তোলে।
ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে 'এক দফা' দাবি অর্থাৎ সরকারের পদত্যাগের দাবিতে 'অসহযোগ আন্দোলন' শুরু করে। আগস্ট মাসের শুরুতে 'লং মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচির পর পরিস্থিতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়।
৫ই আগস্ট, ২০২৪ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ও দেশত্যাগের মধ্য দিয়ে এই আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, দেশের তরুণ সমাজ ও সাধারণ জনগণ ঐক্যবদ্ধ হলে যেকোনো অগণতান্ত্রিক শক্তির পতন ঘটানো সম্ভব। এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
সরকারি চাকরিতে ২০১৮ সালে বাতিল হওয়া ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন'-এর ব্যানারে বিক্ষোভ শুরু।
দেশব্যাপী 'সর্বাত্মক অবরোধ' ও অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।
সরকার ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন এবং দেশত্যাগ করেন।
ছাত্র-জনতা বিজয় উল্লাস করে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শপথ গ্রহণ করে।
এখানে বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা, গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ এবং সমসাময়িক বিষয়াবলির উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।
উত্তর
তমদ্দুন মজলিস।
উত্তর
২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭।
উত্তর
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
উত্তর
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮।
উত্তর
৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২।
উত্তর
৮ই ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
উত্তর
সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউর।
উত্তর
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২।
উত্তর
হামিদুর রহমান।
উত্তর
১৯৫৬ সালে।
উত্তর
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর।
উত্তর
যুক্তফ্রন্ট।
উত্তর
২১-দফা কর্মসূচি।
উত্তর
২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টি।
উত্তর
শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক।
উত্তর
মাত্র ৫৬ দিন।
উত্তর
১৯৬৬ সালে।
উত্তর
শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি (যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির সরকার ও সংসদীয় গণতন্ত্র)।
উত্তর
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা।
উত্তর
ষষ্ঠ দফায়।
উত্তর
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
উত্তর
৩৫ জন।
উত্তর
আইয়ুব খান।
উত্তর
২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯।
উত্তর
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ একজন স্কুলছাত্র।
উত্তর
তোফায়েল আহমেদ, ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে।
উত্তর
২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯।
উত্তর
১১-দফা।
উত্তর
আওয়ামী লীগ।
উত্তর
৭ই মার্চ, ১৯৭১।
উত্তর
ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)।
উত্তর
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের।
উত্তর
২৫শে মার্চ, ১৯৭১-এর কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পরিচালিত গণহত্যার সাংকেতিক নাম।
উত্তর
২৬শে মার্চ, ১৯৭১-এর প্রথম প্রহরে।
উত্তর
চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এম. এ. হান্নান।
উত্তর
মেজর জিয়াউর রহমান।
উত্তর
গঠিত হয় ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ এবং শপথ গ্রহণ করে ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১।
উত্তর
মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে (বর্তমান মুজিবনগর)।
উত্তর
সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
উত্তর
তাজউদ্দীন আহমদ।
উত্তর
১১টি।
উত্তর
১০ নং সেক্টর (নৌ-কমান্ডো)।
উত্তর
১৯৭১ সালের ১৫ই আগস্ট রাতে নৌ-কমান্ডোদের দ্বারা চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরে পরিচালিত সফল অভিযান।
উত্তর
জেড ফোর্স, কে ফোর্স ও এস ফোর্স।
উত্তর
মেজর খালেদ মোশাররফ।
উত্তর
মুক্তি ফৌজ।
উত্তর
গণবাহিনী।
উত্তর
ভারত।
উত্তর
সোভিয়েত ইউনিয়ন (USSR)।
উত্তর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।
উত্তর
সপ্তম নৌবহর।
উত্তর
জর্জ হ্যারিসন ও রবিশঙ্কর।
উত্তর
নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে।
উত্তর
মিত্রবাহিনী বা যৌথবাহিনী।
উত্তর
১৪ই ডিসেম্বর।
উত্তর
আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী।
উত্তর
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১, ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে।
উত্তর
যৌথবাহিনীর পক্ষে লে. জে. জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষে লে. জে. আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী।
উত্তর
প্রায় ৯৩,০০০।
উত্তর
মেজর খালেদ মোশাররফ এবং মেজর এ.টি.এম. হায়দার।
উত্তর
২ নং সেক্টরের।
উত্তর
চট্টগ্রামের কালুরঘাট থেকে।
উত্তর
এম. আর. আখতার মুকুল।
উত্তর
ভারতের।
উত্তর
ইউ. কে. চিং মারমা।
উত্তর
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট।
উত্তর
ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার।
উত্তর
সিপাহী হামিদুর রহমানের (পরে দেশে এনে সমাহিত করা হয়)।
উত্তর
ডাচ-অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক ডব্লিউ. এ. এস. ওডারল্যান্ড।
উত্তর
উ থান্ট।
উত্তর
খুলনা।
উত্তর
মুক্তিযুদ্ধের সময় শত্রুমুক্ত এলাকা।
উত্তর
ইন্দিরা গান্ধী।
উত্তর
অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
উত্তর
১০ এপ্রিল, ১৯৭২।
উত্তর
ইংল্যান্ডের ম্যাগনাকার্টার সাথে।
উত্তর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
৭ই জুন।
উত্তর
বাঙালি জাতীয়তাবাদ।
উত্তর
'হিট অ্যান্ড রান' পদ্ধতিতে শত্রুকে অতর্কিত আক্রমণ করার কৌশল।
উত্তর
চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
উত্তর
যশোর।
উত্তর
ঢাকা সেনানিবাসে।
উত্তর
১৬৭টি (১৬৯টি আসনের মধ্যে)।
উত্তর
২ মার্চ, ১৯৭১।
উত্তর
সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালের রায়।
উত্তর
"বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমরা সবাই"।
উত্তর
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের।
উত্তর
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
উত্তর
১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের সাথে।
উত্তর
ছাত্র-জনতা।
উত্তর
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষিত হয় এবং ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হয়।
উত্তর
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
উত্তর
ভুটান (৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।
উত্তর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
উত্তর
মেহেরপুর।
উত্তর
২ মার্চ, ২০২২।
উত্তর
বৃহস্পতিবার।