উত্তর
পরিকল্পনা কমিশন।
লোড হচ্ছে…
স্বাধীনতা পরবর্তী 'তলাবিহীন ঝুড়ি' থেকে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ। কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতের সমন্বিত অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে এবং উন্নয়নশীল দেশের কাতারে অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ পেয়েছে। বিসিএস পরীক্ষায় বাংলাদেশ বিষয়াবলির একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে অর্থনীতি, তাই এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা অপরিহার্য। এই পৃষ্ঠায় আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি, বিশেষ করে দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা, জাতীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব, সরকারের রাজস্ব নীতি এবং দারিদ্র্য বিমোচন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘমেয়াদী ও মধ্যমেয়াদী বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। দেশের সর্বোচ্চ পরিকল্পনা প্রণয়নকারী সংস্থা 'পরিকল্পনা কমিশন' এই দায়িত্ব পালন করে।
এর মূল লক্ষ্য ছিল 'রূপকল্প ২০২১' বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশকে একটি ডিজিটাল ও মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা।
এর মূল লক্ষ্য 'রূপকল্প ২০৪১' বাস্তবায়ন, যার মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত করা হবে।
মাথাপিছু আয় ১২,৫০০ মার্কিন ডলারে উন্নীত করা, চরম দারিদ্র্য নির্মূল করা, শিল্পায়নের প্রসার ঘটানো ইত্যাদি।
প্রেক্ষিত পরিকল্পনার আলোকে মধ্যমেয়াদী লক্ষ্য অর্জনের জন্য পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
এটি বর্তমানে চলমান এবং রূপকল্প ২০৪১ এর প্রথম ধাপ।
এর প্রধান লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৮.৫১ শতাংশে উন্নীত করা, ১ কোটি ১৬ লক্ষ ৭০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং চরম দারিদ্র্যের হার ৪.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা। এটি একটি শতবর্ষী মহাপরিকল্পনা। এর মূল লক্ষ্য জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পানি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এর অধীনে ৬টি হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে, যেমন: উপকূলীয় অঞ্চল, বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল, হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল ইত্যাদি।
উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রকল্প অনুমোদনকারী সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ।
প্রধানমন্ত্রী এর চেয়ারপার্সন।
নির্দিষ্ট অংকের প্রকল্প অনুমোদনকারী নির্বাহী কমিটি।
প্রধানমন্ত্রী এর চেয়ারপার্সন। জাতীয় আয় একটি দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও সমৃদ্ধির অন্যতম প্রধান পরিমাপক। এটি নির্দিষ্ট সময়ে দেশের মোট আয় ও ব্যয়কে নির্দেশ করে।
একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার অভ্যন্তরে একটি নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছরে) উৎপাদিত সকল চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্য।
GDP-এর সাথে দেশের বাইরে থেকে অর্জিত আয় (যেমন: রেমিট্যান্স, বিদেশি বিনিয়োগ থেকে লাভ) যোগ করে এবং বিদেশিদের অর্জিত আয় বিয়োগ করে GNI পাওয়া যায়।
(GNI = GDP + Net Factor Income from Abroad). মাথাপিছু আয় (Per Capita Income): মোট জাতীয় আয়কে (GNI) মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২,৭৬৫ মার্কিন ডলার। সেবা খাত (Services):
পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, পরিবহন ও যোগাযোগ, আর্থিক খাত (ব্যাংক, বীমা), রিয়েল এস্টেট, লোক প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি।
পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, পরিবহন ও যোগাযোগ, আর্থিক খাত (ব্যাংক, বীমা), রিয়েল এস্টেট, লোক প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি।
শিল্প খাত (Industry):
তৈরি পোশাক (RMG), টেক্সটাইল, ঔষধ, চামড়া, পাট, সার, সিমেন্ট, ইস্পাত, জাহাজ নির্মাণ, নির্মাণ শিল্প, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি।
তৈরি পোশাক (RMG), টেক্সটাইল, ঔষধ, চামড়া, পাট, সার, সিমেন্ট, ইস্পাত, জাহাজ নির্মাণ, নির্মাণ শিল্প, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি।
কৃষি খাত (Agriculture):
শস্য ও শাকসবজি, প্রাণিসম্পদ, বনজ সম্পদ, মৎস্য সম্পদ।
দেশের জনগণ ও পরিবার দ্বারা ব্যক্তিগত প্রয়োজন মেটাতে যে ব্যয় করা হয় (যেমন: খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা)।
বিনিয়োগ ব্যয় (Investment - I):
যন্ত্রপাতি, দালানকোঠা) তৈরির জন্য যে ব্যয় হয়।
সরকার কর্তৃক বিভিন্ন পণ্য ও সেবা ক্রয়ে যে ব্যয় হয় (যেমন: রাস্তা নির্মাণ, প্রতিরক্ষা, সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন)।
রাজস্ব নীতি (Revenue Policy) হলো সরকারি আয় (কর ও কর-বহির্ভূত) এবং সরকারি ব্যয় সংক্রান্ত নীতি। এর মূল উদ্দেশ্য হলো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা। কর রাজস্ব (Tax Revenue):
আয়কর (ব্যক্তি ও কর্পোরেট), ভূমি রাজস্ব, যানবাহন কর।
মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (VAT) - (রাজস্ব আয়ের বৃহত্তম উৎস), সম্পূরক শুল্ক, আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক, আবগারি শুল্ক।
এগুলো মূলত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক আদায় করা হয়।
মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (VAT) - (রাজস্ব আয়ের বৃহত্তম উৎস), সম্পূরক শুল্ক, আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক, আবগারি শুল্ক।
কর-বহির্ভূত রাজস্ব (Non-Tax Revenue):
উদাহরণ: সরকারি প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ, সুদ, টোল ও লেভি, জরিমানা, সরকারি সম্পদ ইজারা, পাসপোর্ট ফি ইত্যাদি।
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রতি অর্থবছরে যে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়, তার সমষ্টিই হলো ADP। এটি সরকারের উন্নয়ন বাজেটের মূল অংশ।
পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল প্রকল্প, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর, নতুন স্কুল-কলেজ-হাসপাতাল নির্মাণ, রাস্তাঘাট ও সেতু নির্মাণ, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্থাপন ইত্যাদি।
ADP বাস্তবায়নের জন্য অর্থ আসে অভ্যন্তরীণ সম্পদ এবং বৈদেশিক সাহায্য (ঋণ ও অনুদান) থেকে।
দারিদ্র্য বিমোচন বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি (Social Safety Net Programmes - SSNP): বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি। বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা দুঃস্থ মহিলা ভাতা। অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি। মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা। খাদ্য নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানমূলক কর্মসূচি: খোলা বাজারে বিক্রয় (OMS): কম মূল্যে চাল ও আটা বিক্রয়।
হতদরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ।
ভিজিডি (Vulnerable Group Development) ও ভিজিএফ (Vulnerable Group Feeding)। কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) ও টিআর (টেস্ট রিলিফ)। আশ্রয়ণ ও পুনর্বাসন কর্মসূচি:
ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ নির্মাণ।
আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প।
বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান (NGO) যেমন গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক, আশা ইত্যাদির মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে উপবৃত্তি প্রদান।
বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান। এখানে বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়ন পরিকল্পনা, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি, বাজেট এবং দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলের উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।
উত্তর
পরিকল্পনা কমিশন।
উত্তর
২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত করা।
উত্তর
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২১-২০২৫)।
উত্তর
১৯৭৩-১৯৭৮।
উত্তর
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Delta Plan 2100)।
উত্তর
জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
উত্তর
প্রধানমন্ত্রী।
উত্তর
Executive Committee of the National Economic Council।
উত্তর
২০২১ থেকে ২০২৫ সাল।
উত্তর
Gross Domestic Product (মোট দেশজ উৎপাদন)।
উত্তর
Gross National Income (মোট জাতীয় আয়)।
উত্তর
মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)।
উত্তর
GNI (মোট জাতীয় আয়)।
উত্তর
২,৭৬৫ মার্কিন ডলার।
উত্তর
সেবা খাত।
উত্তর
শিল্প খাত।
উত্তর
প্রায় ১১%।
উত্তর
শিল্প খাতের।
উত্তর
সেবা খাতের।
উত্তর
G (Government Spending)।
উত্তর
রপ্তানি আয় থেকে আমদানি ব্যয় বিয়োগ করে (X-M)।
উত্তর
রাজস্ব নীতি (Revenue Policy)।
উত্তর
দুটি—কর রাজস্ব ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব।
উত্তর
মূল্য সংযোজন কর (VAT)।
উত্তর
পরোক্ষ কর (Indirect Tax)।
উত্তর
প্রত্যক্ষ কর (Direct Tax)।
উত্তর
টোল, লেভি, পাসপোর্ট ফি, সরকারি প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ ইত্যাদি।
উত্তর
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)।
উত্তর
Annual Development Programme (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি)।
উত্তর
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP)।
উত্তর
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (ADP)।
উত্তর
অভ্যন্তরীণ সম্পদ এবং বৈদেশিক সাহায্য (ঋণ ও অনুদান) থেকে।
উত্তর
১৮.৭%।
উত্তর
৫.৬%।
উত্তর
Social Safety Net Programmes (সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি)।
উত্তর
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি।
উত্তর
Open Market Sale (খোলা বাজারে বিক্রয়)।
উত্তর
হতদরিদ্রদের জন্য কম মূল্যে (১০ টাকা কেজি) চাল বিতরণ করা।
উত্তর
Vulnerable Group Development।
উত্তর
Vulnerable Group Feeding।
উত্তর
কাজের বিনিময়ে খাদ্য।
উত্তর
দারিদ্র্য বিমোচন (ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ নির্মাণ)।
উত্তর
ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
উত্তর
দীর্ঘমেয়াদী (১০, ১৫ বা ২০ বছর)।
উত্তর
২০১০-২০২১।
উত্তর
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-২০৪১)।
উত্তর
২০১৬-২০২০।
উত্তর
৬টি।
উত্তর
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (NEC)।
উত্তর
GDP-এর অন্তর্ভুক্ত হবে না, তবে GNI-তে (বিয়োগ হিসেবে) বিবেচিত হবে।
উত্তর
মোট জাতীয় আয় (GNI)।
উত্তর
কৃষি খাতের।
উত্তর
দেশের জনগণ ও পরিবার দ্বারা ব্যক্তিগত প্রয়োজন মেটাতে যে ব্যয় করা হয়।
উত্তর
নতুন মূলধন (যন্ত্রপাতি, দালানকোঠা) তৈরির জন্য যে ব্যয় হয়।
উত্তর
পরোক্ষ কর।
উত্তর
প্রত্যক্ষ কর।
উত্তর
দারিদ্র্য বিমোচন ও আত্মকর্মসংস্থান।
উত্তর
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
উত্তর
জাতীয় সংসদে।
উত্তর
তাজউদ্দীন আহমদ।
উত্তর
মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি।
উত্তর
'Bougette' (অর্থ: থলে)।
উত্তর
Test Relief।
উত্তর
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।
উত্তর
গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা।
উত্তর
মিশ্র অর্থনীতি (সরকারি ও বেসরকারি খাতের সহাবস্থান)।
উত্তর
২০১১-২০১৫।
উত্তর
Delta Plan 2100।
উত্তর
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০।
উত্তর
GDP-তে অন্তর্ভুক্ত হয়, কিন্তু GNI থেকে বাদ যায়।
উত্তর
UNDP (জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি)।
উত্তর
কর-বহির্ভূত রাজস্ব।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১৫ (মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা)।
উত্তর
ক্ষুদ্রঋণ (Microcredit)।
উত্তর
বাংলাদেশকে একটি ডিজিটাল ও মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা।
উত্তর
মোট অভ্যন্তরীণ ব্যয়।
উত্তর
বিলাসজাত বা সামাজিকভাবে অনভিপ্রেত পণ্যের উপর আরোপিত অতিরিক্ত কর।
উত্তর
ভোগ বা আয়ভিত্তিক পদ্ধতি (Cost of Basic Needs - CBN)।
উত্তর
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করে এবং জাতীয় আয় (GNI) বাড়ায়।
উত্তর
বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ।
উত্তর
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি।
উত্তর
টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়।
উত্তর
১৯৯১-৯২ অর্থবছরে।
উত্তর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
উত্তর
তৈরি পোশাক (RMG)।
উত্তর
বেসরকারি খাতের কার্যক্রম কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে।
উত্তর
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (ADP) অধীনে একটি ফাস্ট-ট্র্যাক প্রকল্প।
উত্তর
Least Developed Country (স্বল্পোন্নত দেশ)।
উত্তর
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১।
উত্তর
মূলধনী যন্ত্রপাতি, তুলা, খনিজ তেল, খাদ্যশস্য ইত্যাদি।
উত্তর
২০১৫ সালে।
উত্তর
বিনিয়োগ আকর্ষণ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য।
উত্তর
প্রাকৃতিক গ্যাস।