OrioleOriole
  • হোম
  • কোর্স
  • বিষয়সমূহ
  • প্রস্তুতি
  • মডেল টেস্ট
  • লাইভ ক্লাস
  • সিলেবাস
  • ব্লগ
  • সম্পর্কে
OrioleOriole
BCS প্রস্তুতিসুশাসন

সুশাসন

সুশাসন আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি কেন্দ্রীয় ধারণা। এটি কেবল 'শাসন' (Governance) নয়, বরং এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক, ন্যায়ভিত্তিক এবং আইনের শাসন দ্বারা পরিচালিত হয়। একটি রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের বিকাশ, মানবাধিকার রক্ষা, টেকসই উন্নয়ন এবং নাগরিক সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সুশাসন অপরিহার্য। বিসিএস পরীক্ষায় 'নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন' অংশের মূল ভিত্তিই হলো সুশাসন। এর সংজ্ঞা, উপাদান, প্রতিবন্ধকতা এবং প্রতিষ্ঠা লাভের উপায় থেকে একাধিক বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন আসে। এই পৃষ্ঠায় আমরা সুশাসনের প্রতিটি দিক বিস্তারিতভাবে এবং প্রচুর উদাহরণসহ আলোচনা করেছি। শাসন (Governance): কোনো রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য নিয়ম-নীতি প্রণয়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া। এটি ভালো বা মন্দ উভয়ই হতে পারে। সুশাসন (Good Governance): যখন শাসন প্রক্রিয়াটি নৈতিকতা, মূল্যবোধ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসনের মতো ইতিবাচক উপাদানের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয় এবং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করে। আন্তর্জাতিক সংস্থার সংজ্ঞা: বিশ্বব্যাংক (World Bank): বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়। সংস্থাটি সুশাসনের ৬টি সূচক নির্ধারণ করেছে। জাতিসংঘ (United Nations): জাতিসংঘের মতে, সুশাসন হলো এমন একটি ব্যবস্থা যা মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, আইনের শাসন নিশ্চিত করে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে অধিকতর স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সাড়াদানকারী করে তোলে। বিশ্বব্যাংক (World Bank): বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়। সংস্থাটি সুশাসনের ৬টি সূচক নির্ধারণ করেছে। জাতিসংঘ (United Nations): জাতিসংঘের মতে, সুশাসন হলো এমন একটি ব্যবস্থা যা মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, আইনের শাসন নিশ্চিত করে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে অধিকতর স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সাড়াদানকারী করে তোলে। মৌলিক উদ্দেশ্য: জনগণের ক্ষমতায়ন, মৌলিক অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা সুশাসনের বেশ কিছু মূল উপাদান বা বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে জাতিসংঘের চিহ্নিত ৮টি উপাদান সর্বাধিক স্বীকৃত। অংশগ্রহণ (Participation): সংজ্ঞা: নীতি নির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অংশগ্রহণ। উদাহরণ: নির্বাচনে ভোট প্রদান, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) কার্যক্রমে অংশ নেওয়া, উন্মুক্ত বাজেট আলোচনায় মতামত দেওয়া, গণশুনানিতে অংশগ্রহণ, শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ করা। সংজ্ঞা: নীতি নির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অংশগ্রহণ। উদাহরণ: নির্বাচনে ভোট প্রদান, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) কার্যক্রমে অংশ নেওয়া, উন্মুক্ত বাজেট আলোচনায় মতামত দেওয়া, গণশুনানিতে অংশগ্রহণ, শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ করা। আইনের শাসন (Rule of Law): সংজ্ঞা: আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমতা, আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়—এই নীতির প্রতিষ্ঠা। উদাহরণ: ধনী-দরিদ্র, সরকারি-বেসরকারি নির্বিশেষে সকলের জন্য একই আইন প্রযোজ্য হওয়া, স্বাধীন বিচার বিভাগ কর্তৃক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, বিনা বিচারে আটক না রাখা। সংজ্ঞা: আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমতা, আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়—এই নীতির প্রতিষ্ঠা। উদাহরণ: ধনী-দরিদ্র, সরকারি-বেসরকারি নির্বিশেষে সকলের জন্য একই আইন প্রযোজ্য হওয়া, স্বাধীন বিচার বিভাগ কর্তৃক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, বিনা বিচারে আটক না রাখা। স্বচ্ছতা (Transparency): সংজ্ঞা: সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া জনগণের জন্য উন্মুক্ত ও সহজবোধ্য হওয়া। উদাহরণ: তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বাস্তবায়ন, সরকারি ক্রয় ও টেন্ডার প্রক্রিয়া অনলাইনে প্রকাশ করা, সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ, গণমাধ্যমের অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করা। সংজ্ঞা: সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া জনগণের জন্য উন্মুক্ত ও সহজবোধ্য হওয়া। উদাহরণ: তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বাস্তবায়ন, সরকারি ক্রয় ও টেন্ডার প্রক্রিয়া অনলাইনে প্রকাশ করা, সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ, গণমাধ্যমের অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করা। জবাবদিহিতা (Accountability): সংজ্ঞা: নিজ কর্মের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দায়বদ্ধ থাকা। উদাহরণ: জাতীয় সংসদ কর্তৃক সরকারের কাজের জবাবদিহিতা চাওয়া (প্রশ্ন জিজ্ঞাসা, অনাস্থা প্রস্তাব), সরকারি কর্মকর্তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহি করা, গণমাধ্যমের রিপোর্টের মাধ্যমে সরকারের কাজের সমালোচনা, মহা হিসাব-নিরীক্ষক (C&AG) কর্তৃক সরকারি অর্থের ব্যয় নিরীক্ষা। উদাহরণ: জাতীয় সংসদ কর্তৃক সরকারের কাজের জবাবদিহিতা চাওয়া (প্রশ্ন জিজ্ঞাসা, অনাস্থা প্রস্তাব), সরকারি কর্মকর্তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহি করা, গণমাধ্যমের রিপোর্টের মাধ্যমে সরকারের কাজের সমালোচনা, মহা হিসাব-নিরীক্ষক (C&AG) কর্তৃক সরকারি অর্থের ব্যয় নিরীক্ষা। সাড়াদান (Responsiveness): সংজ্ঞা: প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়াসমূহ কর্তৃক যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সকল অংশীজনের চাহিদা পূরণে সচেষ্ট থাকা। উদাহরণ: নাগরিক অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি করা, জরুরি সেবার জন্য হটলাইন (যেমন: ৯৯৯) চালু করা, দুর্যোগের পর দ্রুত ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম গ্রহণ করা। সংজ্ঞা: প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়াসমূহ কর্তৃক যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সকল অংশীজনের চাহিদা পূরণে সচেষ্ট থাকা। উদাহরণ: নাগরিক অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি করা, জরুরি সেবার জন্য হটলাইন (যেমন: ৯৯৯) চালু করা, দুর্যোগের পর দ্রুত ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম গ্রহণ করা। ঐকমত্য ভিত্তিক (Consensus Oriented): সংজ্ঞা: সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর ভিন্ন ভিন্ন স্বার্থ ও মতামতের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে একটি বৃহত্তর ঐকমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করা। উদাহরণ: জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে (যেমন: শিক্ষা নীতি, স্বাস্থ্য নীতি) সরকার, বিরোধী দল ও সুশীল সমাজের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ। সংজ্ঞা: সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর ভিন্ন ভিন্ন স্বার্থ ও মতামতের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে একটি বৃহত্তর ঐকমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করা। উদাহরণ: জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে (যেমন: শিক্ষা নীতি, স্বাস্থ্য নীতি) সরকার, বিরোধী দল ও সুশীল সমাজের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ। সাম্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক (Equity and Inclusiveness): সংজ্ঞা: সমাজের সকল সদস্য, বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও কল্যাণের সুযোগ নিশ্চিত করা। উদাহরণ: সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি (বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা), অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা বা বিশেষ সুবিধা প্রদান, নারীদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন। সংজ্ঞা: সমাজের সকল সদস্য, বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও কল্যাণের সুযোগ নিশ্চিত করা। উদাহরণ: সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি (বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা), অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা বা বিশেষ সুবিধা প্রদান, নারীদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন। কার্যকারিতা ও দক্ষতা (Effectiveness and Efficiency): সংজ্ঞা: ন্যূনতম সম্পদ ও সময় ব্যবহার করে সমাজের চাহিদা পূরণকারী ফলাফল অর্জন করা। উদাহরণ: সরকারি সেবাকে ডিজিটাল বা ই-গভর্নেন্সের আওতায় আনা (যেমন: ই-পাসপোর্ট, অনলাইন জন্মনিবন্ধন), প্রকল্পের ব্যয় ও সময়সীমা ঠিক রেখে কাজ সম্পন্ন করা। উদাহরণ: সরকারি সেবাকে ডিজিটাল বা ই-গভর্নেন্সের আওতায় আনা (যেমন: ই-পাসপোর্ট, অনলাইন জন্মনিবন্ধন), প্রকল্পের ব্যয় ও সময়সীমা ঠিক রেখে কাজ সম্পন্ন করা। সুশাসন ও গণতন্ত্র: গণতন্ত্র হলো সুশাসনের ভিত্তি। গণতন্ত্র জনগণের অংশগ্রহণ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং নির্বাচনকে নিশ্চিত করে, যা সুশাসনের মূল উপাদান। অন্যদিকে, সুশাসন (যেমন: আইনের শাসন, স্বচ্ছতা) ছাড়া গণতন্ত্র অর্থবহ হয় না। একটিকে ছাড়া অন্যটি কল্পনা করা কঠিন। সুশাসন ও উন্নয়ন: টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো সুশাসন। সুশাসন দুর্নীতি প্রতিরোধ করে, সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে। সুশাসন ও মানবাধিকার: সুশাসন মানবাধিকারকে সুরক্ষা দেয়। আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুশাসন নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ভোগ করার পরিবেশ তৈরি করে। দুর্নীতি (Corruption): সুশাসনের প্রধান শত্রু। ঘুষ, স্বজনপ্রীতি, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার ইত্যাদি দুর্নীতি সুশাসনকে বাধাগ্রস্ত করে। আইনের শাসনের অভাব: আইনের দুর্বল প্রয়োগ, বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা এবং আইন অমান্য করার সংস্কৃতি। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা: হরতাল, অবরোধ, সংঘাত এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অসহিষ্ণুতা। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও লাল ফিতার দৌরাত্ম্য (Bureaucratic Red Tape): সরকারি সেবা প্রদানে দীর্ঘসূত্রিতা ও জটিল প্রক্রিয়া। দুর্বল প্রতিষ্ঠান: সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর (যেমন: দুদক, মানবাধিকার কমিশন) দুর্বলতা বা স্বাধীনতার অভাব। জনসচেতনতার অভাব: নাগরিকরা তাদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে অসচেতন হলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা কঠিন হয়। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার অভাব: গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারলে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায় না। সুশাসন প্রতিষ্ঠা একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা, যেখানে সরকার, নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ জনগণ—সকলের ভূমিকা রয়েছে। সরকারি ভূমিকা: আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা: বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ করা। দুর্নীতি দমন: দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) শক্তিশালী করা এবং দুর্নীতিবাজদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান। ই-গভর্নেন্স চালু: সরকারি সেবাগুলোকে ডিজিটাল করা, যাতে স্বচ্ছতা বাড়ে এবং হয়রানি কমে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ: তথ্য অধিকার আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ: স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা: বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ করা। দুর্নীতি দমন: দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) শক্তিশালী করা এবং দুর্নীতিবাজদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান। ই-গভর্নেন্স চালু: সরকারি সেবাগুলোকে ডিজিটাল করা, যাতে স্বচ্ছতা বাড়ে এবং হয়রানি কমে। নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা: ওয়াচডগ (Watchdog) হিসেবে কাজ করা: সরকারের কাজের পর্যবেক্ষণ ও গঠনমূলক সমালোচনা করা। জনসচেতনতা বৃদ্ধি: নাগরিকদের তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা: দুর্নীতি ও অনিয়ম তুলে ধরা। ওয়াচডগ (Watchdog) হিসেবে কাজ করা: সরকারের কাজের পর্যবেক্ষণ ও গঠনমূলক সমালোচনা করা। সাধারণ নাগরিকের ভূমিকা: আইন মেনে চলা, নিয়মিত কর প্রদান করা, নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়া, এবং নিজের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হওয়া। আইন মেনে চলা, নিয়মিত কর প্রদান করা, নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়া, এবং নিজের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হওয়া। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি যেমন রয়েছে, তেমনি অনেক চ্যালেঞ্জও বিদ্যমান। অগ্রগতি ও ইতিবাচক দিক: আইনগত কাঠামো: তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯; জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল; দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪। প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো: দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC), মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (C&AG) প্রতিষ্ঠা। ই-গভর্নেন্স: ই-পাসপোর্ট, অনলাইন জন্মনিবন্ধন, ই-টেন্ডারিং, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (UDC) স্থাপন। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী: বিভিন্ন ভাতা কর্মসূচির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের চেষ্টা। আইনগত কাঠামো: তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯; জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল; দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪। প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো: দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC), মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (C&AG) প্রতিষ্ঠা। ই-গভর্নেন্স: ই-পাসপোর্ট, অনলাইন জন্মনিবন্ধন, ই-টেন্ডারিং, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (UDC) স্থাপন। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী: বিভিন্ন ভাতা কর্মসূচির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের চেষ্টা। চ্যালেঞ্জসমূহ: বিশ্বব্যাংকের সুশাসন সূচক এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো সন্তোষজনক নয়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থার সংকট এবং আইনের প্রয়োগে ঘাটতি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্বব্যাংকের সুশাসন সূচক এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো সন্তোষজনক নয়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থার সংকট এবং আইনের প্রয়োগে ঘাটতি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। এখানে নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন বিষয়ের অন্তর্গত 'সুশাসন'-এর ধারণা, উপাদান, প্রতিবন্ধকতা এবং প্রতিষ্ঠা লাভের উপায়ের উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।

এই পাতার জন্য MCQ বা পাঠ-সামগ্রী এখনও যোগ করা হয়নি। শীঘ্রই উপলব্ধ হবে।

পূর্ববর্তী
মূল্যবোধ শিক্ষা
নিউজলেটার

পরীক্ষার আপডেট সরাসরি আপনার ইনবক্সে

নতুন সার্কুলার, ফ্রি মডেল টেস্ট ও প্রস্তুতি টিপস — সপ্তাহে একবার।

OrioleOriole

অরিয়ল (Oriole) — প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ও NTRCA শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতির এক প্ল্যাটফর্ম। সিলেবাসভিত্তিক পাঠ, প্রশ্ন ব্যাঙ্ক, মডেল টেস্ট এবং বিশেষজ্ঞ ইনস্ট্রাক্টরদের লাইভ ক্লাস — সবকিছু এক জায়গায়।

  • আকুয়া, ময়মনসিংহ ২২০০, বাংলাদেশ
  • +880 171648362490
  • hello@oriole.com.bd

প্রস্তুতি

  • সব কোর্স
  • বিষয়সমূহ
  • মডেল টেস্ট
  • লাইভ ক্লাস
  • সিলেবাস
  • ব্লগ

পরীক্ষা ও বিষয়

  • বাংলা
  • ইংরেজি
  • গণিত
  • সাধারণ জ্ঞান
  • প্রাথমিক ফুল কোর্স
  • NTRCA প্রিলি ব্যাচ

প্ল্যাটফর্ম

  • সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • সচরাচর জিজ্ঞাসা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলী
  • রিফান্ড নীতি

অ্যাপ ডাউনলোড

শীঘ্রই আসছেGoogle Play
শীঘ্রই আসছেApp Store

নিরাপদ পেমেন্ট পার্টনার

bKash
Nagad
Rocket

© 2026 অরিয়ল (Oriole)। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

গোপনীয়তা·শর্তাবলী·কুকিজ·সাইটম্যাপ