OrioleOriole
  • হোম
  • কোর্স
  • বিষয়সমূহ
  • প্রস্তুতি
  • মডেল টেস্ট
  • লাইভ ক্লাস
  • সিলেবাস
  • ব্লগ
  • সম্পর্কে
OrioleOriole
BCS প্রস্তুতিপরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

আধুনিক বিশ্বে পরিবেশগত সংকট একটি অন্যতম প্রধান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ, জীববৈচিত্র্য হ্রাস এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অবক্ষয় মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে। কোনো দেশের একার পক্ষে এই সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব নয়, তাই প্রয়োজন সম্মিলিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগ। এই কারণে পরিবেশগত কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশ আইন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখায় পরিণত হয়েছে। বিসিএস পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে বিভিন্ন সম্মেলন, চুক্তি, প্রটোকল এবং পরিবেশগত সংকট সম্পর্কিত প্রশ্ন নিয়মিত আসে। এই পৃষ্ঠায় আমরা আন্তর্জাতিক পরিবেশ রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন, চুক্তি, সংকট এবং এতে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। পরিবেশগত সংকট মোকাবেলায় বিশ্ববাসীকে একত্রিত করতে বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা বৈশ্বিক পরিবেশ রাজনীতির মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন (স্টকহোম সম্মেলন), ১৯৭২: এটি ছিল পরিবেশ বিষয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন। ফলাফল: জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠিত হয় এবং ৫ জুনকে 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ফলাফল: জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠিত হয় এবং ৫ জুনকে 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। জাতিসংঘ পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন (রিও ডি জেনিরো ধরিত্রী সম্মেলন), ১৯৯২: এটি ছিল সবচেয়ে সফল ও প্রভাবশালী পরিবেশ সম্মেলন। ফলাফল: 'এজেন্ডা ২১' নামক একটি ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়। ৩টি গুরুত্বপূর্ণ কনভেনশনের খসড়া তৈরি হয়: UNFCCC (জলবায়ু), CBD (জীববৈচিত্র্য), এবং UNCCD (মরুকরণ)। ফলাফল: 'এজেন্ডা ২১' নামক একটি ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়। ৩টি গুরুত্বপূর্ণ কনভেনশনের খসড়া তৈরি হয়: UNFCCC (জলবায়ু), CBD (জীববৈচিত্র্য), এবং UNCCD (মরুকরণ)। টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক বিশ্ব সম্মেলন (জোহানেসবার্গ সম্মেলন), ২০০২: রিও সম্মেলনের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন (রিও+২০), ২০১২: রিও সম্মেলনের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। ফলাফল: 'The Future We Want' শীর্ষক ঘোষণাপত্র গৃহীত হয় এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলাফল: 'The Future We Want' শীর্ষক ঘোষণাপত্র গৃহীত হয় এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জলবায়ু সম্মেলন (Conference of the Parties - COP): UNFCCC-এর অধীনে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়। যেমন: COP3 (কিয়োটো, ১৯৯৭), COP15 (কোপেনহেগেন, ২০০৯), COP21 (প্যারিস, ২০১৫), COP26 (গ্লাসগো, ২০২১), COP27 (শারম আল-শেখ, ২০২২), COP28 (দুবাই, ২০২৩)। UNFCCC-এর অধীনে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়। যেমন: COP3 (কিয়োটো, ১৯৯৭), COP15 (কোপেনহেগেন, ২০০৯), COP21 (প্যারিস, ২০১৫), COP26 (গ্লাসগো, ২০২১), COP27 (শারম আল-শেখ, ২০২২), COP28 (দুবাই, ২০২৩)। আন্তর্জাতিক আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরির মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষায় বিভিন্ন চুক্তি ও প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত: United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC), ১৯৯২: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় একটি বৈশ্বিক কাঠামো চুক্তি। কিয়োটো প্রটোকল (Kyoto Protocol), ১৯৯৭: উন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের আইনগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। এটি 'Common But Differentiated Responsibilities' (CBDR) নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি। প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement), ২০১৫: বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে প্রাক-শিল্পায়ন যুগের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে, এবং সম্ভব হলে ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এর মূল ভিত্তি হলো Nationally Determined Contributions (NDCs)। United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC), ১৯৯২: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় একটি বৈশ্বিক কাঠামো চুক্তি। কিয়োটো প্রটোকল (Kyoto Protocol), ১৯৯৭: উন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের আইনগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। এটি 'Common But Differentiated Responsibilities' (CBDR) নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি। প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement), ২০১৫: বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে প্রাক-শিল্পায়ন যুগের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে, এবং সম্ভব হলে ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এর মূল ভিত্তি হলো Nationally Determined Contributions (NDCs)। ওজোন স্তর সুরক্ষা: ভিয়েনা কনভেনশন (Vienna Convention), ১৯৮৫: ওজোন স্তর সুরক্ষার জন্য একটি কাঠামো চুক্তি। মন্ট্রিল প্রটোকল (Montreal Protocol), ১৯৮৭: ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (যেমন: CFC) উৎপাদন ও ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার জন্য একটি সফল আন্তর্জাতিক চুক্তি। ভিয়েনা কনভেনশন (Vienna Convention), ১৯৮৫: ওজোন স্তর সুরক্ষার জন্য একটি কাঠামো চুক্তি। মন্ট্রিল প্রটোকল (Montreal Protocol), ১৯৮৭: ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (যেমন: CFC) উৎপাদন ও ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার জন্য একটি সফল আন্তর্জাতিক চুক্তি। জীববৈচিত্র্য ও জলাভূমি: Convention on Biological Diversity (CBD), ১৯৯২: জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, এর টেকসই ব্যবহার এবং জিনগত সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা এর লক্ষ্য। রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention), ১৯৭১: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) এবং এর সম্পদ সংরক্ষণের জন্য স্বাক্ষরিত। Convention on Biological Diversity (CBD), ১৯৯২: জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, এর টেকসই ব্যবহার এবং জিনগত সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা এর লক্ষ্য। রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention), ১৯৭১: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) এবং এর সম্পদ সংরক্ষণের জন্য স্বাক্ষরিত। অন্যান্য: CITES (Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora): বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে। Basel Convention: বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল ও নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণ করে। UN Convention to Combat Desertification (UNCCD): মরুকরণ মোকাবেলা এবং খরা-পীড়িত দেশগুলোকে সহায়তা করে। CITES (Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora): বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে। Basel Convention: বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল ও নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণ করে। UN Convention to Combat Desertification (UNCCD): মরুকরণ মোকাবেলা এবং খরা-পীড়িত দেশগুলোকে সহায়তা করে। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming): মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে জমা হয়ে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া। গ্রিনহাউস এফেক্ট ও গ্যাসসমূহ: গ্রিনহাউস গ্যাস: কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC), হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFC)। সবচেয়ে বেশি দায়ী গ্যাস: কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂)। গ্রিনহাউস গ্যাস: কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC), হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFC)। কারণ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, তেল, গ্যাস) দহন, শিল্পায়ন, বন উজাড় (Deforestation), কৃষিকাজ। প্রভাব: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি। মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়া। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহের মতো চরম আবহাওয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি। জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি। কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC): জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্য মূল্যায়ন করার জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সংস্থা। Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC): জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্য মূল্যায়ন করার জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সংস্থা। ওজোন স্তর ক্ষয় (Ozone Layer Depletion): বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে। CFC গ্যাসের কারণে এই স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসিড বৃষ্টি (Acid Rain): কলকারখানা ও যানবাহন থেকে নির্গত সালফার ডাই অক্সাইড (SO₂) ও নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড তৈরি করে, যা মাটি, পানি ও স্থাপনার ক্ষতি করে। বন উজাড় (Deforestation): বিশ্বের ফুসফুস হিসেবে পরিচিত আমাজন রেইনফরেস্টসহ বিভিন্ন বনভূমি ধ্বংস। সামুদ্রিক দূষণ: প্লাস্টিক দূষণ: মহাসাগরে প্লাস্টিক বর্জ্য জমা হয়ে 'গ্রেট প্যাসিফিক গার্বেজ প্যাচ'-এর মতো বিশাল আবর্জনার স্তূপ তৈরি হয়েছে। তেল নিঃসরণ (Oil Spill): সমুদ্রগামী ট্যাংকার দুর্ঘটনা বা তেল কূপ থেকে তেল ছড়িয়ে পড়া। প্লাস্টিক দূষণ: মহাসাগরে প্লাস্টিক বর্জ্য জমা হয়ে 'গ্রেট প্যাসিফিক গার্বেজ প্যাচ'-এর মতো বিশাল আবর্জনার স্তূপ তৈরি হয়েছে। তেল নিঃসরণ (Oil Spill): সমুদ্রগামী ট্যাংকার দুর্ঘটনা বা তেল কূপ থেকে তেল ছড়িয়ে পড়া। পারমাণবিক দুর্যোগ: চেরনোবিল দুর্ঘটনা (১৯৮৬, ইউক্রেন), ফুকুশিমা দাইচি দুর্ঘটনা (২০১১, জাপান)। পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি এবং নীতি নির্ধারকদের উপর চাপ প্রয়োগে বিভিন্ন সংস্থা ও আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আন্তঃসরকারি সংস্থা: জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (United Nations Environment Programme - UNEP): জাতিসংঘের প্রধান পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা। সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (United Nations Environment Programme - UNEP): জাতিসংঘের প্রধান পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা। সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া। আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা (INGO): গ্রিনপিস (Greenpeace): পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে সরাসরি পদক্ষেপ (Direct Action) গ্রহণের জন্য পরিচিত। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচার (WWF): বিশ্বের বৃহত্তম বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা। ফ্রেন্ডস অব দি আর্থ (Friends of the Earth)। গ্রিনপিস (Greenpeace): পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে সরাসরি পদক্ষেপ (Direct Action) গ্রহণের জন্য পরিচিত। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচার (WWF): বিশ্বের বৃহত্তম বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা। বিখ্যাত আন্দোলন ও ব্যক্তিত্ব: চিপকো আন্দোলন: ভারতে গাছ কাটার বিরুদ্ধে নারীদের গাছ জড়িয়ে ধরে প্রতিবাদের আন্দোলন। গ্রেটা থুনবার্গ: সুইডিশ স্কুলছাত্রী, যার 'Fridays for Future' আন্দোলন বিশ্বজুড়ে জলবায়ু সচেতনতায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। চিপকো আন্দোলন: ভারতে গাছ কাটার বিরুদ্ধে নারীদের গাছ জড়িয়ে ধরে প্রতিবাদের আন্দোলন। গ্রেটা থুনবার্গ: সুইডিশ স্কুলছাত্রী, যার 'Fridays for Future' আন্দোলন বিশ্বজুড়ে জলবায়ু সচেতনতায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। তবে একই সাথে পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত ভূমিকাও রাখছে। ঝুঁকি ও সংকট: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি (উপকূলীয় অঞ্চল ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা), লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি, নদী ভাঙন। দূষণ: ঢাকা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বায়ু দূষণের শহর। বুড়িগঙ্গাসহ বিভিন্ন নদী শিল্পবর্জ্যে মারাত্মকভাবে দূষিত। অন্যান্য: সুন্দরবনসহ বিভিন্ন বনাঞ্চল উজাড়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি (উপকূলীয় অঞ্চল ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা), লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি, নদী ভাঙন। দূষণ: ঢাকা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বায়ু দূষণের শহর। বুড়িগঙ্গাসহ বিভিন্ন নদী শিল্পবর্জ্যে মারাত্মকভাবে দূষিত। অন্যান্য: সুন্দরবনসহ বিভিন্ন বনাঞ্চল উজাড়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া। পদক্ষেপ ও অর্জন: বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা (BCCSAP), ২০০৯। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF): নিজস্ব অর্থায়নে গঠিত। বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Delta Plan 2100): শতবর্ষী একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) বাস্তবায়নে অগ্রগতি। পুরস্কার: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নেতৃত্বের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের 'চ্যাম্পিয়নস অব দি আর্থ' পুরস্কার লাভ করেন (২০১৫)। রামসার সাইট: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর ও হাকালুকি হাওরকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Delta Plan 2100): শতবর্ষী একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা। পুরস্কার: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নেতৃত্বের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের 'চ্যাম্পিয়নস অব দি আর্থ' পুরস্কার লাভ করেন (২০১৫)। রামসার সাইট: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর ও হাকালুকি হাওরকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এখানে আন্তর্জাতিক পরিবেশগত বিষয়, গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন, চুক্তি, প্রটোকল, বৈশ্বিক সংকট এবং পরিবেশবাদী সংস্থার উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।

এই পাতার জন্য MCQ বা পাঠ-সামগ্রী এখনও যোগ করা হয়নি। শীঘ্রই উপলব্ধ হবে।

পূর্ববর্তী
সাম্প্রতিক ঘটনাবলি
পরবর্তী
আন্তর্জাতিক সংস্থা
নিউজলেটার

পরীক্ষার আপডেট সরাসরি আপনার ইনবক্সে

নতুন সার্কুলার, ফ্রি মডেল টেস্ট ও প্রস্তুতি টিপস — সপ্তাহে একবার।

OrioleOriole

অরিয়ল (Oriole) — প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ও NTRCA শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতির এক প্ল্যাটফর্ম। সিলেবাসভিত্তিক পাঠ, প্রশ্ন ব্যাঙ্ক, মডেল টেস্ট এবং বিশেষজ্ঞ ইনস্ট্রাক্টরদের লাইভ ক্লাস — সবকিছু এক জায়গায়।

  • আকুয়া, ময়মনসিংহ ২২০০, বাংলাদেশ
  • +880 171648362490
  • hello@oriole.com.bd

প্রস্তুতি

  • সব কোর্স
  • বিষয়সমূহ
  • মডেল টেস্ট
  • লাইভ ক্লাস
  • সিলেবাস
  • ব্লগ

পরীক্ষা ও বিষয়

  • বাংলা
  • ইংরেজি
  • গণিত
  • সাধারণ জ্ঞান
  • প্রাথমিক ফুল কোর্স
  • NTRCA প্রিলি ব্যাচ

প্ল্যাটফর্ম

  • সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • সচরাচর জিজ্ঞাসা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলী
  • রিফান্ড নীতি

অ্যাপ ডাউনলোড

শীঘ্রই আসছেGoogle Play
শীঘ্রই আসছেApp Store

নিরাপদ পেমেন্ট পার্টনার

bKash
Nagad
Rocket

© 2026 অরিয়ল (Oriole)। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

গোপনীয়তা·শর্তাবলী·কুকিজ·সাইটম্যাপ