উত্তর
জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন (স্টকহোম সম্মেলন), ১৯৭২।
লোড হচ্ছে…
আধুনিক বিশ্বে পরিবেশগত সংকট একটি অন্যতম প্রধান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ, জীববৈচিত্র্য হ্রাস এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অবক্ষয় মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে। কোনো দেশের একার পক্ষে এই সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব নয়, তাই প্রয়োজন সম্মিলিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগ। এই কারণে পরিবেশগত কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশ আইন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখায় পরিণত হয়েছে। বিসিএস পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে বিভিন্ন সম্মেলন, চুক্তি, প্রটোকল এবং পরিবেশগত সংকট সম্পর্কিত প্রশ্ন নিয়মিত আসে। এই পৃষ্ঠায় আমরা আন্তর্জাতিক পরিবেশ রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন, চুক্তি, সংকট এবং এতে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। পরিবেশগত সংকট মোকাবেলায় বিশ্ববাসীকে একত্রিত করতে বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা বৈশ্বিক পরিবেশ রাজনীতির মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন (স্টকহোম সম্মেলন), ১৯৭২: এটি ছিল পরিবেশ বিষয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন।
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠিত হয় এবং ৫ জুনকে 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
জাতিসংঘ পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন (রিও ডি জেনিরো ধরিত্রী সম্মেলন), ১৯৯২: এটি ছিল সবচেয়ে সফল ও প্রভাবশালী পরিবেশ সম্মেলন।
'এজেন্ডা ২১' নামক একটি ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়।
৩টি গুরুত্বপূর্ণ কনভেনশনের খসড়া তৈরি হয়: UNFCCC (জলবায়ু), CBD (জীববৈচিত্র্য), এবং UNCCD (মরুকরণ)।
'এজেন্ডা ২১' নামক একটি ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়।
৩টি গুরুত্বপূর্ণ কনভেনশনের খসড়া তৈরি হয়: UNFCCC (জলবায়ু), CBD (জীববৈচিত্র্য), এবং UNCCD (মরুকরণ)। টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক বিশ্ব সম্মেলন (জোহানেসবার্গ সম্মেলন), ২০০২: রিও সম্মেলনের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন (রিও+২০), ২০১২: রিও সম্মেলনের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
'The Future We Want' শীর্ষক ঘোষণাপত্র গৃহীত হয় এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জলবায়ু সম্মেলন (Conference of the Parties - COP): UNFCCC-এর অধীনে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
যেমন: COP3 (কিয়োটো, ১৯৯৭), COP15 (কোপেনহেগেন, ২০০৯), COP21 (প্যারিস, ২০১৫), COP26 (গ্লাসগো, ২০২১), COP27 (শারম আল-শেখ, ২০২২), COP28 (দুবাই, ২০২৩)।
UNFCCC-এর অধীনে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
যেমন: COP3 (কিয়োটো, ১৯৯৭), COP15 (কোপেনহেগেন, ২০০৯), COP21 (প্যারিস, ২০১৫), COP26 (গ্লাসগো, ২০২১), COP27 (শারম আল-শেখ, ২০২২), COP28 (দুবাই, ২০২৩)।
আন্তর্জাতিক আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরির মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষায় বিভিন্ন চুক্তি ও প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছে।
United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC), ১৯৯২: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় একটি বৈশ্বিক কাঠামো চুক্তি।
উন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের আইনগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে।
এটি 'Common But Differentiated Responsibilities' (CBDR) নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি।
বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে প্রাক-শিল্পায়ন যুগের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে, এবং সম্ভব হলে ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
এর মূল ভিত্তি হলো Nationally Determined Contributions (NDCs)। United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC), ১৯৯২: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় একটি বৈশ্বিক কাঠামো চুক্তি।
উন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের আইনগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে।
এটি 'Common But Differentiated Responsibilities' (CBDR) নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি।
বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে প্রাক-শিল্পায়ন যুগের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে, এবং সম্ভব হলে ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
এর মূল ভিত্তি হলো Nationally Determined Contributions (NDCs)।
ভিয়েনা কনভেনশন (Vienna Convention), ১৯৮৫: ওজোন স্তর সুরক্ষার জন্য একটি কাঠামো চুক্তি।
মন্ট্রিল প্রটোকল (Montreal Protocol), ১৯৮৭: ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (যেমন: CFC) উৎপাদন ও ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার জন্য একটি সফল আন্তর্জাতিক চুক্তি। ভিয়েনা কনভেনশন (Vienna Convention), ১৯৮৫: ওজোন স্তর সুরক্ষার জন্য একটি কাঠামো চুক্তি। মন্ট্রিল প্রটোকল (Montreal Protocol), ১৯৮৭: ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (যেমন: CFC) উৎপাদন ও ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার জন্য একটি সফল আন্তর্জাতিক চুক্তি।
Convention on Biological Diversity (CBD), ১৯৯২: জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, এর টেকসই ব্যবহার এবং জিনগত সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা এর লক্ষ্য।
আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) এবং এর সম্পদ সংরক্ষণের জন্য স্বাক্ষরিত।
Convention on Biological Diversity (CBD), ১৯৯২: জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, এর টেকসই ব্যবহার এবং জিনগত সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা এর লক্ষ্য।
আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) এবং এর সম্পদ সংরক্ষণের জন্য স্বাক্ষরিত।
CITES (Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora): বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে।
বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল ও নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণ করে।
UN Convention to Combat Desertification (UNCCD): মরুকরণ মোকাবেলা এবং খরা-পীড়িত দেশগুলোকে সহায়তা করে। CITES (Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora): বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে।
বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল ও নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণ করে।
UN Convention to Combat Desertification (UNCCD): মরুকরণ মোকাবেলা এবং খরা-পীড়িত দেশগুলোকে সহায়তা করে।
মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে জমা হয়ে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া।
গ্রিনহাউস এফেক্ট ও গ্যাসসমূহ:
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC), হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFC)।
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂)।
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC), হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFC)।
জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, তেল, গ্যাস) দহন, শিল্পায়ন, বন উজাড় (Deforestation), কৃষিকাজ।
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি।
মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়া। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহের মতো চরম আবহাওয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি। জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি। কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব।
Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC): জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্য মূল্যায়ন করার জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সংস্থা।
Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC): জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্য মূল্যায়ন করার জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সংস্থা।
বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে।
CFC গ্যাসের কারণে এই স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কলকারখানা ও যানবাহন থেকে নির্গত সালফার ডাই অক্সাইড (SO₂) ও নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড তৈরি করে, যা মাটি, পানি ও স্থাপনার ক্ষতি করে।
বিশ্বের ফুসফুস হিসেবে পরিচিত আমাজন রেইনফরেস্টসহ বিভিন্ন বনভূমি ধ্বংস।
সামুদ্রিক দূষণ:
মহাসাগরে প্লাস্টিক বর্জ্য জমা হয়ে 'গ্রেট প্যাসিফিক গার্বেজ প্যাচ'-এর মতো বিশাল আবর্জনার স্তূপ তৈরি হয়েছে।
সমুদ্রগামী ট্যাংকার দুর্ঘটনা বা তেল কূপ থেকে তেল ছড়িয়ে পড়া।
চেরনোবিল দুর্ঘটনা (১৯৮৬, ইউক্রেন), ফুকুশিমা দাইচি দুর্ঘটনা (২০১১, জাপান)।
পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি এবং নীতি নির্ধারকদের উপর চাপ প্রয়োগে বিভিন্ন সংস্থা ও আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (United Nations Environment Programme - UNEP): জাতিসংঘের প্রধান পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা।
নাইরোবি, কেনিয়া।
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (United Nations Environment Programme - UNEP): জাতিসংঘের প্রধান পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা।
নাইরোবি, কেনিয়া।
আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা (INGO):
পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে সরাসরি পদক্ষেপ (Direct Action) গ্রহণের জন্য পরিচিত।
বিশ্বের বৃহত্তম বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা।
ফ্রেন্ডস অব দি আর্থ (Friends of the Earth)।
পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে সরাসরি পদক্ষেপ (Direct Action) গ্রহণের জন্য পরিচিত।
বিশ্বের বৃহত্তম বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা।
বিখ্যাত আন্দোলন ও ব্যক্তিত্ব:
ভারতে গাছ কাটার বিরুদ্ধে নারীদের গাছ জড়িয়ে ধরে প্রতিবাদের আন্দোলন।
সুইডিশ স্কুলছাত্রী, যার 'Fridays for Future' আন্দোলন বিশ্বজুড়ে জলবায়ু সচেতনতায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। তবে একই সাথে পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত ভূমিকাও রাখছে। ঝুঁকি ও সংকট:
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি (উপকূলীয় অঞ্চল ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা), লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি, নদী ভাঙন।
ঢাকা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বায়ু দূষণের শহর।
বুড়িগঙ্গাসহ বিভিন্ন নদী শিল্পবর্জ্যে মারাত্মকভাবে দূষিত।
সুন্দরবনসহ বিভিন্ন বনাঞ্চল উজাড়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া।
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা (BCCSAP), ২০০৯।
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF): নিজস্ব অর্থায়নে গঠিত। বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Delta Plan 2100): শতবর্ষী একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) বাস্তবায়নে অগ্রগতি।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নেতৃত্বের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের 'চ্যাম্পিয়নস অব দি আর্থ' পুরস্কার লাভ করেন (২০১৫)।
সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর ও হাকালুকি হাওরকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Delta Plan 2100): শতবর্ষী একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নেতৃত্বের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের 'চ্যাম্পিয়নস অব দি আর্থ' পুরস্কার লাভ করেন (২০১৫)।
সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর ও হাকালুকি হাওরকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
এখানে আন্তর্জাতিক পরিবেশগত বিষয়, গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন, চুক্তি, প্রটোকল, বৈশ্বিক সংকট এবং পরিবেশবাদী সংস্থার উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।
উত্তর
জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন (স্টকহোম সম্মেলন), ১৯৭২।
উত্তর
৫ জুন।
উত্তর
স্টকহোম সম্মেলন, ১৯৭২।
উত্তর
১৯৯২ সালের রিও ডি জেনিরো সম্মেলন।
উত্তর
রিও ডি জেনিরো ধরিত্রী সম্মেলন, ১৯৯২।
উত্তর
রিও+২০ সম্মেলন, ২০১২।
উত্তর
Conference of the Parties।
উত্তর
UNFCCC।
উত্তর
প্যারিসে, ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য।
উত্তর
দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত (২০২৩)।
উত্তর
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস।
উত্তর
১৯৯৭ সালে।
উত্তর
কিয়োটো প্রটোকল।
উত্তর
বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে প্রাক-শিল্পায়ন যুগের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে, এবং সম্ভব হলে ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা।
উত্তর
Nationally Determined Contributions।
উত্তর
মন্ট্রিল প্রটোকল, ১৯৮৭।
উত্তর
ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC)।
উত্তর
আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands)।
উত্তর
ইরান।
উত্তর
সুন্দরবন ও টাঙ্গুয়ার হাওর।
উত্তর
Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora।
উত্তর
CITES।
উত্তর
বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল ও নিষ্পত্তি।
উত্তর
UNCCD (UN Convention to Combat Desertification)।
উত্তর
কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂)।
উত্তর
কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, সিএফসি।
উত্তর
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে।
উত্তর
সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করা।
উত্তর
সালফার ডাই অক্সাইড (SO₂) ও নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx)।
উত্তর
আমাজন রেইনফরেস্ট।
উত্তর
প্রশান্ত মহাসাগরে প্লাস্টিক বর্জ্য দ্বারা সৃষ্ট একটি বিশাল আবর্জনার স্তূপ।
উত্তর
সামুদ্রিক দূষণ।
উত্তর
১৯৮৬ সালে, ইউক্রেনে (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন)।
উত্তর
২০১১ সালে, জাপানে।
উত্তর
United Nations Environment Programme।
উত্তর
নাইরোবি, কেনিয়া।
উত্তর
একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি পরিবেশবাদী সংস্থা।
উত্তর
World Wide Fund for Nature।
উত্তর
পান্ডা।
উত্তর
ভারতে গাছ কাটার বিরুদ্ধে।
উত্তর
'Fridays for Future' জলবায়ু আন্দোলন।
উত্তর
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও ঘূর্ণিঝড়।
উত্তর
শিল্পবর্জ্য (বিশেষ করে ট্যানারি) ও অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য।
উত্তর
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা।
উত্তর
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF)।
উত্তর
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Delta Plan 2100)।
উত্তর
২০১৫ সালে।
উত্তর
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)।
উত্তর
Intergovernmental Panel on Climate Change।
উত্তর
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্য মূল্যায়ন করা এবং প্রতিবেদন প্রকাশ করা।
উত্তর
কানাডা। (যুক্তরাষ্ট্র অনুসমর্থন করেনি)।
উত্তর
কার্বন নির্গমনের উপর আরোপিত কর।
উত্তর
ইনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া।
উত্তর
ব্রান্ডল্যান্ড কমিশনের 'Our Common Future' (১৯৮৭) প্রতিবেদনে।
উত্তর
১৭টি।
উত্তর
ওজোন স্তর সুরক্ষায় মন্ট্রিল প্রটোকলের সাফল্যকে।
উত্তর
Convention on Biological Diversity।
উত্তর
জৈব নিরাপত্তা (Biosafety)।
উত্তর
প্রায় ২৫-৩০ গুণ।
উত্তর
আর্সেনিক দূষণ।
উত্তর
Environmental Impact Assessment (পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা)।
উত্তর
জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
উত্তর
WWF কর্তৃক আয়োজিত একটি বার্ষিক কর্মসূচি, যেখানে এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় বাতি নিভিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করা হয়।
উত্তর
বাংলাদেশ।
উত্তর
বর্তমান ভূতাত্ত্বিক যুগ, যেখানে মানুষের কর্মকাণ্ড পৃথিবীর পরিবেশের উপর প্রধান প্রভাব ফেলছে।
উত্তর
চীন।
উত্তর
কোনো গ্রিনহাউস গ্যাস কার্বন ডাই অক্সাইডের তুলনায় কত গুণ বেশি তাপ শোষণ করতে পারে তার পরিমাপ।
উত্তর
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দ্বারা নির্গত মোট কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ।
উত্তর
কারণ এতে সিসা, পারদ, ক্যাডমিয়ামের মতো বিষাক্ত পদার্থ থাকে।
উত্তর
উদ্ভিদ বা প্রাণীজ পদার্থ থেকে।
উত্তর
Reduce (কমানো), Reuse (পুনঃব্যবহার) এবং Recycle (পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ)।
উত্তর
সমুদ্র সম্পদ-নির্ভর অর্থনীতি।
উত্তর
নাইট্রোজেন (N₂)।
উত্তর
যে স্থান বা প্রক্রিয়া বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে, যেমন—বনভূমি ও সমুদ্র।
উত্তর
মিথেন (CH₄)।
উত্তর
IUCN (International Union for Conservation of Nature)।
উত্তর
ওয়াঙ্গারি মাথাই (কেনিয়া)।
উত্তর
র্যাচেল কারসন (Rachel Carson)।
উত্তর
কীটনাশকের (বিশেষ করে ডিডিটি) ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে।
উত্তর
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে।
উত্তর
কাগজ, পাট, খাদ্যবর্জ্য।
উত্তর
প্লাস্টিক, পলিথিন, কাচ।
উত্তর
১৯৯৬ সালে।
উত্তর
জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা।
উত্তর
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি জোট।
উত্তর
বন্যা।
উত্তর
এটি একটি ভুল ধারণা, সাধারণত জলবায়ু সংকটকে বোঝানো হয়।
উত্তর
পরিবেশের ক্ষতি না করে এবং স্থানীয় সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়ে পর্যটন পরিচালনা।
উত্তর
যে পরিমাণ কার্বন নির্গমন করা হয়, সেই পরিমাণ কার্বন বায়ুমণ্ডল থেকে অপসারণ করে নির্গমনের ভারসাম্য আনা।
উত্তর
মন্ট্রিল প্রটোকল (কিগালি সংশোধনীর মাধ্যমে)।
উত্তর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়, পরে জো বাইডেন আবার যোগদান করেন)।
উত্তর
পরিবেশগত উদ্বাস্তু বা জলবায়ু উদ্বাস্তু (Climate Refugee)।
উত্তর
এটি রুই জাতীয় মাছের একমাত্র প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র।
উত্তর
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ তাপ থেকে উৎপাদিত শক্তি।
উত্তর
এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে সম্পদের পুনঃব্যবহার ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বর্জ্য সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা হয়।
উত্তর
প্রবাল ও খোলসযুক্ত সামুদ্রিক প্রাণী।
উত্তর
পানিতে অতিরিক্ত পুষ্টির (যেমন: ফসফেট, নাইট্রেট) কারণে শৈবালের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, যা পানির অক্সিজেন কমিয়ে দেয়।
উত্তর
সকল Green Energy-ই Renewable, কিন্তু সকল Renewable Energy পুরোপুরি Green বা পরিবেশবান্ধব নাও হতে পারে (যেমন: বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প)।
উত্তর
UNEP।
উত্তর
২০১৮ সালে।
উত্তর
প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা ও বায়ুপ্রবাহের দুটি বিপরীত পর্যায়ক্রমিক অবস্থা, যা বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার ধরনে পরিবর্তন আনে।