আন্তর্জাতিক সংস্থা
আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো দুই বা ততোধিক সার্বভৌম রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠান, যা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সাধারণ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতার জন্য কাজ করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বিশ্বজুড়ে শান্তি, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক অগ্রগতি সাধনে এই সংস্থাগুলো অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে আসছে। বিসিএস পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অংশে জাতিসংঘ এবং অন্যান্য প্রধান আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থাগুলোর গঠন, সদর দপ্তর, কার্যাবলী এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলি থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন আসে। এই পৃষ্ঠায় আমরা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থাগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করে তাদের সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ (জাতিসংঘ দিবস)। সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে সনদ স্বাক্ষরিত হয় ২৬ জুন, ১৯৪৫। প্রধান অঙ্গ (৬টি): সাধারণ পরিষদ (General Assembly): সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। প্রত্যেক সদস্যের একটি ভোট আছে। এটিকে 'বিশ্বের বিতর্ক সভা' বলা হয়। নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council): আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার মূল দায়িত্বপ্রাপ্ত। সদস্য সংখ্যা ১৫ (৫ স্থায়ী, ১০ অস্থায়ী)। স্থায়ী সদস্যরা হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের 'ভেটো' (না-সূচক ভোট) প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC): অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে কাজ করে। সদস্য সংখ্যা ৫৪। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ): জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ। সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস। এর বিচারক সংখ্যা ১৫ জন। সচিবালয় (Secretariat): জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। এর প্রধান হলেন মহাসচিব (Secretary-General)। অছি পরিষদ (Trusteeship Council): স্বাধীনতাহীন অঞ্চলগুলোর তত্ত্বাবধানের জন্য গঠিত হয়েছিল। ১৯৯৪ সালে পালাউ-এর স্বাধীনতার পর এর কার্যক্রম স্থগিত আছে। সাধারণ পরিষদ (General Assembly): সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। প্রত্যেক সদস্যের একটি ভোট আছে। এটিকে 'বিশ্বের বিতর্ক সভা' বলা হয়। নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council): আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার মূল দায়িত্বপ্রাপ্ত। সদস্য সংখ্যা ১৫ (৫ স্থায়ী, ১০ অস্থায়ী)। স্থায়ী সদস্যরা হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের 'ভেটো' (না-সূচক ভোট) প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC): অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে কাজ করে। সদস্য সংখ্যা ৫৪। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ): জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ। সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস। এর বিচারক সংখ্যা ১৫ জন। সচিবালয় (Secretariat): জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। এর প্রধান হলেন মহাসচিব (Secretary-General)। অছি পরিষদ (Trusteeship Council): স্বাধীনতাহীন অঞ্চলগুলোর তত্ত্বাবধানের জন্য গঠিত হয়েছিল। ১৯৯৪ সালে পালাউ-এর স্বাধীনতার পর এর কার্যক্রম স্থগিত আছে। মহাসচিব: জাতিসংঘের প্রধান নির্বাহী। নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশে সাধারণ পরিষদ ৫ বছরের জন্য নিয়োগ দেয়। বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল)। জাতিসংঘ তার বিভিন্ন বিশেষায়িত সংস্থা, তহবিল ও কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা করে। খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO): সদর দপ্তর: রোম, ইতালি। কাজ: বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উন্নয়ন। জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (UNESCO): সদর দপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স। কাজ: শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির উন্নয়ন। বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ঘোষণা করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO): সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। কাজ: আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO): সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। কাজ: শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ উন্নয়ন। জাতিসংঘ শিশু তহবিল (UNICEF): সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। কাজ: বিশ্বজুড়ে শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP): সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। কাজ: দারিদ্র্য দূরীকরণ ও টেকসই উন্নয়ন। মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন (HDR) প্রকাশ করে। জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (UNHCR): সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। কাজ: শরণার্থীদের সুরক্ষা প্রদান। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP): সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া। কাজ: পরিবেশ সুরক্ষা। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP): সদর দপ্তর: রোম, ইতালি। কাজ: জরুরি খাদ্য সহায়তা প্রদান। অন্যান্য: আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (ITU), বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO), আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO), আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থা (IMO), বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা (WIPO), আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD), জাতিসংঘ শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (UNIDO) ইত্যাদি। ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস সম্মেলনে এই দুটি প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। বিশ্বব্যাংক গ্রুপ (World Bank Group): সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র। কাজ: উন্নয়নশীল দেশগুলোকে উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা প্রদান। অঙ্গপ্রতিষ্ঠান (৫টি): IBRD (International Bank for Reconstruction and Development): মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে ঋণ দেয়। IDA (International Development Association): দরিদ্রতম দেশগুলোকে সহজ শর্তে বা সুদমুক্ত ঋণ (সফট লোন) দেয়। IBRD ও IDA একত্রে বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত। IFC (International Finance Corporation): বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করে। MIGA (Multilateral Investment Guarantee Agency): বৈদেশিক বিনিয়োগে ঝুঁকি মোকাবেলায় গ্যারান্টি দেয়। ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes): বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করে। অঙ্গপ্রতিষ্ঠান (৫টি): IBRD (International Bank for Reconstruction and Development): মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে ঋণ দেয়। IDA (International Development Association): দরিদ্রতম দেশগুলোকে সহজ শর্তে বা সুদমুক্ত ঋণ (সফট লোন) দেয়। IBRD ও IDA একত্রে বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত। IFC (International Finance Corporation): বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করে। MIGA (Multilateral Investment Guarantee Agency): বৈদেশিক বিনিয়োগে ঝুঁকি মোকাবেলায় গ্যারান্টি দেয়। ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes): বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করে। IBRD (International Bank for Reconstruction and Development): মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে ঋণ দেয়। IDA (International Development Association): দরিদ্রতম দেশগুলোকে সহজ শর্তে বা সুদমুক্ত ঋণ (সফট লোন) দেয়। IBRD ও IDA একত্রে বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত। MIGA (Multilateral Investment Guarantee Agency): বৈদেশিক বিনিয়োগে ঝুঁকি মোকাবেলায় গ্যারান্টি দেয়। ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes): বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (International Monetary Fund - IMF): সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র। কাজ: আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা, সদস্য দেশগুলোকে লেনদেনের ভারসাম্যের ঘাটতি মোকাবেলায় ঋণ প্রদান। মুদ্রা: এর নিজস্ব হিসাবের একক হলো SDR (Special Drawing Rights)। কাজ: আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা, সদস্য দেশগুলোকে লেনদেনের ভারসাম্যের ঘাটতি মোকাবেলায় ঋণ প্রদান। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উদারীকরণ এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিভিন্ন সংস্থা কাজ করে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organization - WTO): প্রতিষ্ঠা: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ (GATT এর উত্তরসূরি)। সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। কাজ: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন নির্ধারণ, বাণিজ্য উদারীকরণ এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি করা। কাজ: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন নির্ধারণ, বাণিজ্য উদারীকরণ এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি করা। জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD): উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (OECD): উন্নত দেশগুলোর একটি ফোরাম। সদর দপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (European Union - EU): উৎপত্তি: ১৯৫৭ সালের রোম চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি (EEC) হিসেবে যাত্রা শুরু। ১৯৯২ সালের ম্যাসট্রিখট চুক্তির মাধ্যমে EU গঠিত হয়। সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম। সদস্য: ২৭টি দেশ। (যুক্তরাজ্য ২০২০ সালে ব্রেক্সিট-এর মাধ্যমে জোট ত্যাগ করে)। অঙ্গ: ইউরোপীয় কমিশন, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট, কাউন্সিল অব দ্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। মুদ্রা: ইউরো (ইউরোজোনের ২০টি দেশ ব্যবহার করে)। উৎপত্তি: ১৯৫৭ সালের রোম চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি (EEC) হিসেবে যাত্রা শুরু। ১৯৯২ সালের ম্যাসট্রিখট চুক্তির মাধ্যমে EU গঠিত হয়। দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC): প্রতিষ্ঠা: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫, ঢাকা। সদর দপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল। সদস্য (৮টি): বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান। সদস্য (৮টি): বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান। বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (BIMSTEC): প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৭। সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ। সদস্য (৭টি): বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান। অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস (ASEAN): প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৭। সদর দপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া। সদস্য: ১০টি দেশ (ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া)। সদস্য: ১০টি দেশ (ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া)। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (Asian Development Bank - ADB): সদর দপ্তর: ম্যানিলা, ফিলিপাইন। সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO): চীন, রাশিয়া ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা জোট। আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU): আফ্রিকার ৫৫টি দেশ নিয়ে গঠিত। সদর দপ্তর: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া। মার্কিন রাষ্ট্রসমূহের সংস্থা (OAS): আমেরিকার দেশগুলোর জোট। সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি.। ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (OIC): মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তম সংস্থা। সদর দপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব। সদস্য: ৫৭। সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন সামরিক ও রাজনৈতিক জোট গঠিত হয়েছে। উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO): প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯। সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম। উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা। এর মূলনীতি হলো: এক সদস্যের উপর আক্রমণ সকলের উপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে। উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা। এর মূলনীতি হলো: এক সদস্যের উপর আক্রমণ সকলের উপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে। জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (Non-Aligned Movement - NAM): প্রতিষ্ঠা: ১৯৬১, বেলগ্রেড। উদ্দেশ্য: স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে মার্কিন ও সোভিয়েত—কোনো শিবিরেই যোগ না দিয়ে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা। উদ্দেশ্য: স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে মার্কিন ও সোভিয়েত—কোনো শিবিরেই যোগ না দিয়ে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা। কমনওয়েলথ (Commonwealth of Nations): উদ্দেশ্য: ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত স্বাধীন দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি। সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য। প্রধান: ব্রিটিশ রাজা/রানি। জি-৭ (G-7): বিশ্বের ৭টি উন্নত শিল্পোন্নত দেশের ফোরাম (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা, জাপান)। গ্রিনপিস, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ: প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা (INGO)।
এই পাতার জন্য MCQ বা পাঠ-সামগ্রী এখনও যোগ করা হয়নি। শীঘ্রই উপলব্ধ হবে।