উত্তর
গ্রিক শব্দ 'Ethos' থেকে, যার অর্থ চরিত্র বা রীতি।
লোড হচ্ছে…
নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন—এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে নৈতিকতা হলো সবচেয়ে মৌলিক ধারণা। এটি মানুষের অভ্যন্তরীণ আদর্শ ও বিবেচনাবোধের সাথে সম্পর্কিত, যা ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় এবং উচিত-অনুচিত নির্ধারণের মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে। একজন ব্যক্তির চরিত্র, সমাজের শৃঙ্খলা এবং রাষ্ট্রের সুশাসন—সবকিছুর মূলে রয়েছে নৈতিকতার শক্তিশালী ভিত্তি। বিসিএস পরীক্ষায় একজন প্রার্থীর ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের নৈতিক মান যাচাই করা হয়, তাই এই বিষয়ে গভীর ও সুস্পষ্ট ধারণা থাকা অপরিহার্য। এই পৃষ্ঠায় আমরা নৈতিকতার সংজ্ঞা, উৎস, এর সাথে মূল্যবোধ ও আইনের সম্পর্ক এবং এর প্রায়োগিক দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। নৈতিকতা হলো সমাজে প্রচলিত রীতিনীতির আলোকে মানুষের আচরণের ভালো-মন্দ বিচার করার দর্শন বা বিজ্ঞান।
'Ethics' শব্দটি গ্রিক শব্দ 'Ethos' থেকে এসেছে, যার অর্থ চরিত্র, রীতি বা অভ্যাস।
'Morality' শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'Mores' থেকে এসেছে, যার অর্থও প্রথা বা রীতি। সাধারণভাবে Ethics (নীতিবিদ্যা) হলো Morality (নৈতিকতা)-এর অধ্যয়ন।
নৈতিকতা হলো সেইসব আদর্শ, নীতিমালা ও প্রথার সমষ্টি যা মানুষের আচরণের কোনটি ভালো বা মন্দ, ন্যায় বা অন্যায়, তা নির্ধারণ করে।
এটি একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান (Normative Science), কারণ এটি 'কী হওয়া উচিত' তা নিয়ে আলোচনা করে। দার্শনিকদের মতামত:
"সদ্গুণই জ্ঞান" (Virtue is knowledge)।
তাঁর মতে, মানুষ জেনেশুনে অন্যায় করে না।
মানুষের ভালো থাকার জন্য নৈতিক গুণাবলী অর্জন করা অপরিহার্য।
"সদ্গুণই জ্ঞান" (Virtue is knowledge)।
তাঁর মতে, মানুষ জেনেশুনে অন্যায় করে না। নৈতিকতার উৎস (Sources of Ethics):
মানুষের অন্তর্নিহিত ন্যায়-অন্যায় বোধ।
প্রতিটি ধর্মই সৎ পথে চলা এবং অন্যায় বর্জন করার শিক্ষা দেয়।
সমাজে প্রচলিত প্রথা, রীতি-নীতি ও আদর্শ থেকে নৈতিকতার জন্ম হয়।
রাষ্ট্রীয় আইন নাগরিকদের নৈতিক আচরণ করতে উৎসাহিত বা বাধ্য করে।
প্রাতিষ্ঠানিক ও পারিবারিক শিক্ষা নৈতিকতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
যুক্তির মাধ্যমে ভালো-মন্দ বিচার করে নৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।
প্রাতিষ্ঠানিক ও পারিবারিক শিক্ষা নৈতিকতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
নৈতিকতা, মূল্যবোধ এবং আইন—এই তিনটি ধারণা ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত হলেও এদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান। নৈতিকতা ও মূল্যবোধ (Ethics and Values):
মূল্যবোধ হলো নৈতিকতার ভিত্তি।
আমরা যে বিষয়গুলোকে মূল্যবান মনে করি (মূল্যবোধ), তার উপর ভিত্তি করেই আমাদের নৈতিক আচরণ (নৈতিকতা) গড়ে ওঠে।
মূল্যবোধ হলো বিশ্বাস ও আদর্শের সমষ্টি (যেমন: সততা, দেশপ্রেম)।
নৈতিকতা হলো সেই বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে আচরণের মানদণ্ড (যেমন: মিথ্যা না বলা, দেশের ক্ষতি না করা)। মূল্যবোধ ব্যক্তিগত বা সামাজিক হতে পারে, কিন্তু নৈতিকতা প্রায়শই একটি সামাজিক বা পেশাগত মানদণ্ড।
উদাহরণ: 'পরিবারকে ভালোবাসা' একটি মূল্যবোধ।
'পরিবারের সদস্যদের প্রতি দায়িত্ব পালন করা' একটি নৈতিক দায়িত্ব।
মূল্যবোধ হলো নৈতিকতার ভিত্তি।
আমরা যে বিষয়গুলোকে মূল্যবান মনে করি (মূল্যবোধ), তার উপর ভিত্তি করেই আমাদের নৈতিক আচরণ (নৈতিকতা) গড়ে ওঠে।
মূল্যবোধ হলো বিশ্বাস ও আদর্শের সমষ্টি (যেমন: সততা, দেশপ্রেম)।
নৈতিকতা হলো সেই বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে আচরণের মানদণ্ড (যেমন: মিথ্যা না বলা, দেশের ক্ষতি না করা)। মূল্যবোধ ব্যক্তিগত বা সামাজিক হতে পারে, কিন্তু নৈতিকতা প্রায়শই একটি সামাজিক বা পেশাগত মানদণ্ড।
উদাহরণ: 'পরিবারকে ভালোবাসা' একটি মূল্যবোধ।
'পরিবারের সদস্যদের প্রতি দায়িত্ব পালন করা' একটি নৈতিক দায়িত্ব। মূল্যবোধ হলো বিশ্বাস ও আদর্শের সমষ্টি (যেমন: সততা, দেশপ্রেম)। নৈতিকতা হলো সেই বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে আচরণের মানদণ্ড (যেমন: মিথ্যা না বলা, দেশের ক্ষতি না করা)। মূল্যবোধ ব্যক্তিগত বা সামাজিক হতে পারে, কিন্তু নৈতিকতা প্রায়শই একটি সামাজিক বা পেশাগত মানদণ্ড।
উদাহরণ: 'পরিবারকে ভালোবাসা' একটি মূল্যবোধ।
'পরিবারের সদস্যদের প্রতি দায়িত্ব পালন করা' একটি নৈতিক দায়িত্ব। নৈতিকতা ও আইন (Ethics and Law):
আইনের অন্যতম উৎস হলো নৈতিকতা।
সমাজের নৈতিক আদর্শগুলোই সময়ের সাথে সাথে আইনে পরিণত হয়।
যেমন: চুরি করা সামাজিকভাবে অনৈতিক এবং রাষ্ট্রীয়ভাবেও বেআইনি।
পার্থক্য:
নৈতিকতার পরিধি আইনের চেয়ে ব্যাপক।
সকল অনৈতিক কাজ বেআইনি নয়, কিন্তু সকল বেআইনি কাজই সাধারণত অনৈতিক।
আইন রাষ্ট্র কর্তৃক প্রযুক্ত হয় এবং অমান্য করলে শাস্তির বিধান আছে।
নৈতিকতা মানুষের বিবেক ও সামাজিক চাপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। উদাহরণ:
আইনগত loophole ব্যবহার করে কর ফাঁকি দেওয়া, দরিদ্র প্রতিবেশীর বিপদে সাহায্য না করা।
অন্যায্য আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা (যেমন: গান্ধীর লবণ আইন অমান্য আন্দোলন), ক্ষুধার্ত সন্তানের জন্য রুটি চুরি করা।
আইনের অন্যতম উৎস হলো নৈতিকতা।
সমাজের নৈতিক আদর্শগুলোই সময়ের সাথে সাথে আইনে পরিণত হয়।
যেমন: চুরি করা সামাজিকভাবে অনৈতিক এবং রাষ্ট্রীয়ভাবেও বেআইনি।
পার্থক্য:
নৈতিকতার পরিধি আইনের চেয়ে ব্যাপক।
সকল অনৈতিক কাজ বেআইনি নয়, কিন্তু সকল বেআইনি কাজই সাধারণত অনৈতিক।
আইন রাষ্ট্র কর্তৃক প্রযুক্ত হয় এবং অমান্য করলে শাস্তির বিধান আছে।
নৈতিকতা মানুষের বিবেক ও সামাজিক চাপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। উদাহরণ:
আইনগত loophole ব্যবহার করে কর ফাঁকি দেওয়া, দরিদ্র প্রতিবেশীর বিপদে সাহায্য না করা।
অন্যায্য আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা (যেমন: গান্ধীর লবণ আইন অমান্য আন্দোলন), ক্ষুধার্ত সন্তানের জন্য রুটি চুরি করা।
নৈতিকতার পরিধি আইনের চেয়ে ব্যাপক।
সকল অনৈতিক কাজ বেআইনি নয়, কিন্তু সকল বেআইনি কাজই সাধারণত অনৈতিক।
আইন রাষ্ট্র কর্তৃক প্রযুক্ত হয় এবং অমান্য করলে শাস্তির বিধান আছে।
নৈতিকতা মানুষের বিবেক ও সামাজিক চাপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। উদাহরণ:
আইনগত loophole ব্যবহার করে কর ফাঁকি দেওয়া, দরিদ্র প্রতিবেশীর বিপদে সাহায্য না করা।
অন্যায্য আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা (যেমন: গান্ধীর লবণ আইন অমান্য আন্দোলন), ক্ষুধার্ত সন্তানের জন্য রুটি চুরি করা।
নির্দিষ্ট পেশার ক্ষেত্রে অবশ্য পালনীয় কিছু সুনির্দিষ্ট আচরণবিধিকে পেশাগত নৈতিকতা বলে। সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য নৈতিকতা (Civil Service Ethics): সততা (Integrity): আর্থিক ও চারিত্রিক দিক থেকে সৎ থাকা, কোনো প্রকার দুর্নীতির আশ্রয় না নেওয়া।
দলীয় রাজনীতি, ধর্ম, বর্ণ বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করা।
নিজের কাজের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকা।
সরকারি কার্যক্রম আইন অনুযায়ী জনগণের জন্য উন্মুক্ত রাখা।
নিজেকে জনগণের সেবক মনে করা এবং হয়রানি ছাড়া সেবা প্রদান নিশ্চিত করা।
রাষ্ট্রীয় ও দাপ্তরিক গোপনীয় তথ্য প্রকাশ না করা।
সর্বোচ্চ দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে রাষ্ট্রের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা।
আর্থিক ও চারিত্রিক দিক থেকে সৎ থাকা, কোনো প্রকার দুর্নীতির আশ্রয় না নেওয়া।
দলীয় রাজনীতি, ধর্ম, বর্ণ বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করা।
নিজের কাজের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকা।
সরকারি কার্যক্রম আইন অনুযায়ী জনগণের জন্য উন্মুক্ত রাখা।
নিজেকে জনগণের সেবক মনে করা এবং হয়রানি ছাড়া সেবা প্রদান নিশ্চিত করা।
রাষ্ট্রীয় ও দাপ্তরিক গোপনীয় তথ্য প্রকাশ না করা।
সর্বোচ্চ দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে রাষ্ট্রের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা।
অন্যান্য পেশার নৈতিকতা:
রোগীর গোপনীয়তা রক্ষা করা, সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের চেষ্টা করা।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য না করা, আদর্শ হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করা।
বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করা, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর দ্বারা প্রভাবিত না হওয়া।
নৈতিকতা ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা অসম্ভব।
এটি সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।
নৈতিকতাবোধ মানুষকে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে বিরত রাখে।
নৈতিকতা সমাজে ন্যায়বিচার, সাম্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করে, যা সামাজিক শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।
নৈতিকতা মানুষের চরিত্রকে মহৎ করে, আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি করে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।
নৈতিক আচরণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি করে।
অবক্ষয়ের কারণ:
অর্থ ও সম্পদের প্রতি অতিরিক্ত লোভ।
অন্যায় করে পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি।
পাঠ্যক্রমে নৈতিক শিক্ষার অপর্যাপ্ততা।
পরিবারে নৈতিক চর্চার ঘাটতি।
রাজনীতিতে অসৎ ব্যক্তিদের প্রভাব।
অপসংস্কৃতির অনুপ্রবেশ।
প্রতিকার:
পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈতিক শিক্ষার উপর জোর দেওয়া।
অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
নৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ ও সচেতনতা গড়ে তোলা।
সৎ ও নৈতিক ব্যক্তিদের সামাজিকভাবে সম্মানিত করা।
এখানে নৈতিকতার ধারণা, উৎস, মূল্যবোধ ও আইনের সাথে এর সম্পর্ক এবং পেশাগত নৈতিকতার গুরুত্বের উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।
উত্তর
গ্রিক শব্দ 'Ethos' থেকে, যার অর্থ চরিত্র বা রীতি।
উত্তর
ল্যাটিন শব্দ 'Mores' থেকে, যার অর্থ প্রথা বা রীতি।
উত্তর
নীতিবিদ্যা বা নৈতিকতা।
উত্তর
মানুষের আচরণের ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় এবং উচিত-অনুচিত নিয়ে।
উত্তর
সক্রেটিস।
উত্তর
বিবেক (Conscience)।
উত্তর
সমাজে প্রচলিত প্রথা, রীতি-নীতি ও আদর্শ।
উত্তর
মূল্যবোধ হলো নৈতিকতার ভিত্তি।
উত্তর
'সততা' একটি মূল্যবোধ, আর 'সৎ থাকা' বা 'মিথ্যা না বলা' একটি নৈতিক আচরণ।
উত্তর
মূল্যবোধ ব্যক্তিগত হতে পারে, কিন্তু নৈতিকতা প্রায়শই একটি সামাজিক মানদণ্ড।
উত্তর
আইন রাষ্ট্র কর্তৃক বলবৎ করা হয় এবং অমান্য করলে শাস্তি আছে, কিন্তু নৈতিকতা মূলত বিবেক ও সামাজিক চাপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
উত্তর
নৈতিকতার পরিধি আইনের চেয়ে ব্যাপক।
উত্তর
না। যেমন: গুরুজনকে সম্মান না করা অনৈতিক কিন্তু বেআইনি নয়।
উত্তর
সাধারণত সকল বেআইনি কাজই অনৈতিক (যেমন: চুরি, খুন)।
উত্তর
আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে কর ফাঁকি দেওয়া।
উত্তর
এটি বেআইনি কিন্তু নৈতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে বিতর্কিত বা শর্তসাপেক্ষে নৈতিক বলে বিবেচিত হতে পারে।
উত্তর
নির্দিষ্ট পেশার ক্ষেত্রে অবশ্য পালনীয় কিছু সুনির্দিষ্ট আচরণবিধি।
উত্তর
নিরপেক্ষতা (Neutrality)।
উত্তর
পেশাগত নৈতিকতা।
উত্তর
নৈতিকতা।
উত্তর
দুর্নীতি প্রতিরোধ করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
উত্তর
ন্যায়বিচার, সাম্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ।
উত্তর
বস্তুবাদী জীবনদর্শন ও সম্পদের প্রতি অতিরিক্ত লোভ।
উত্তর
পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটানো।
উত্তর
Ethics বা Morality।
উত্তর
নৈতিকতার।
উত্তর
বিবেক।
উত্তর
সৎ পথে চলা এবং অন্যায় বর্জন করার শিক্ষা।
উত্তর
দেশপ্রেম একটি মূল্যবোধ।
উত্তর
নৈতিকতার সাথে।
উত্তর
সমাজের নৈতিক আদর্শ।
উত্তর
নৈতিকতার (বিবেক)।
উত্তর
আইনের (রাষ্ট্র)।
উত্তর
সততা বা সাধুতা।
উত্তর
জবাবদিহিতা (Accountability)।
উত্তর
পেশাগত নৈতিকতা (Confidentiality)।
উত্তর
শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য না করা।
উত্তর
ব্যক্তিগত চরিত্র ও আত্মমর্যাদা।
উত্তর
নৈতিক অবক্ষয়ের।
উত্তর
সামাজিক বিজ্ঞান ও দর্শন।
উত্তর
আইন।
উত্তর
একটি নৈতিক ও ধর্মীয় অনুশাসন।
উত্তর
পরিবারে।
উত্তর
নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার।
উত্তর
পেশাগত নৈতিকতা (জনগণের সেবা)।
উত্তর
'কী করা উচিত?'—এই ধরনের প্রশ্নের।
উত্তর
আচরণের আদর্শ বা মান নির্ধারণ করা।
উত্তর
যুক্তির মাধ্যমে ভালো-মন্দ বিচার করে নৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
উত্তর
মূল্যবোধ সাধারণত বেশি স্থায়ী ও মৌলিক।
উত্তর
সমাজের শৃঙ্খলা ও শান্তি রক্ষা করা।
উত্তর
মানুষের আত্মিক ও চারিত্রিক উন্নয়ন।
উত্তর
নিরপেক্ষতা।
উত্তর
নিরপেক্ষতা ও সততা।
উত্তর
নিয়ন্ত্রক ও নির্দেশক ভূমিকা।
উত্তর
নৈতিক অবক্ষয়।
উত্তর
পরিপূরক।
উত্তর
অ্যারিস্টটল। (এটি নৈতিকতার ধারণার সাথে সম্পর্কিত কারণ রাজনীতিতে নৈতিকতা অপরিহার্য)।
উত্তর
সুনাগরিক।
উত্তর
শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও সামাজিক পরিবেশ দ্বারা।
উত্তর
"অন্যের সাথে সেই রূপ আচরণ কর, যেরূপ আচরণ তুমি অন্যের কাছ থেকে আশা কর"। এটি একটি সর্বজনীন নৈতিক নীতি।
উত্তর
নৈতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে, কোনো কিছুই রাষ্ট্রের চেয়ে বড় নয়, তবে রাষ্ট্রকে অবশ্যই নৈতিক নীতির উপর চলতে হয়।
উত্তর
পেশাগত নৈতিকতার।
উত্তর
নৈতিকতা ও আইনের শাসনের অভাবে।
উত্তর
এটি একটি বিতর্কিত বিষয়। কিছু নৈতিক নীতি (যেমন: মিথ্যা না বলা) সার্বজনীন, আবার কিছু নীতি দেশ-কাল-পাত্রভেদে আপেক্ষিক।
উত্তর
এটি এমন একটি মতবাদ যা বলে, যে কাজটি সবচেয়ে বেশি মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি কল্যাণ বয়ে আনে, সেটিই নৈতিক।
উত্তর
ইমানুয়েল কান্ট।
উত্তর
ন্যায়বিচার ও নৈতিকতা।
উত্তর
এটি যেমন সার্বজনীন নৈতিকতা তৈরিতে সাহায্য করে, তেমনি অপসংস্কৃতির মাধ্যমে নৈতিক অবক্ষয়ও ঘটাতে পারে।
উত্তর
না, হয় না।
উত্তর
জনগণের সেবা করা।
উত্তর
মানুষের ভালো-মন্দ, সুন্দর-অসুন্দর সম্পর্কিত ধারণার।
উত্তর
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ।
উত্তর
দক্ষতা।
উত্তর
ইতিবাচক ও কল্যাণকর আচরণকে।
উত্তর
সমাজ ও সংস্কৃতি থেকে।
উত্তর
আইন ও নৈতিকতা উভয়ই।
উত্তর
এটি পেশার প্রতি আস্থা তৈরি করে এবং সেবার মান উন্নত করে।
উত্তর
সততা নৈতিকতার একটি অপরিহার্য অংশ।
উত্তর
নৈতিক শিক্ষার অভাবে।
উত্তর
সুশাসন ও নৈতিকতার।
উত্তর
মানুষের विवेक ও সামাজিক চেতনার উপর।
উত্তর
নৈতিকতা ও আইন মেনে চলা।
উত্তর
নৈতিক অবক্ষয় ও দুর্নীতির।
উত্তর
Ethics বা নৈতিকতা।
উত্তর
নৈতিক ও মূল্যবোধের শিক্ষা।
উত্তর
কার্যক্রমে কোনো কিছু গোপন না রাখা এবং সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকা।
উত্তর
ইতিবাচক মূল্যবোধ।
উত্তর
সামাজিক প্রথা ও নৈতিকতার সাথে।
উত্তর
নৈতিক শিক্ষা।
উত্তর
নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন।
উত্তর
অ্যারিস্টটল।
উত্তর
স্বচ্ছতা।