উত্তর
ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা (Traditional Security)।
লোড হচ্ছে…
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক অনুধাবনের দুটি মৌলিক স্তম্ভ হলো আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা আলোচনা করে কীভাবে রাষ্ট্রসমূহ তাদের অস্তিত্ব, সার্বভৌমত্ব এবং নাগরিকদের বহিরাগত ও অভ্যন্তরীণ হুমকি থেকে রক্ষা করে। অন্যদিকে, আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে কীভাবে রাষ্ট্রগুলোর শক্তি (সামরিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক) তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবিত করে। এই দুটি ধারণা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত, কারণ একটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা তার ক্ষমতা এবং অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে তার ক্ষমতা সম্পর্কের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। বিসিএস পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অংশে এই বিশ্লেষণধর্মী বিষয়গুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়। এই পৃষ্ঠায় আমরা এই ধারণাগুলো বিস্তারিত ও উদাহরণসহ আলোচনা করেছি। আধুনিক বিশ্বে নিরাপত্তার ধারণা শুধুমাত্র সামরিক হুমকি মোকাবেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে। ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা (Traditional Security): মূল ফোকাস: রাষ্ট্রকেন্দ্রিক (State-centric)। এর প্রধান লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে বহিরাগত সামরিক আক্রমণ থেকে রক্ষা করা।
উদাহরণ: ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত বিরোধ, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, স্নায়ুযুদ্ধকালীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা, বিভিন্ন দেশের সামরিক বাজেট বৃদ্ধি।
রাষ্ট্রকেন্দ্রিক (State-centric)।
এর প্রধান লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে বহিরাগত সামরিক আক্রমণ থেকে রক্ষা করা।
উদাহরণ: ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত বিরোধ, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, স্নায়ুযুদ্ধকালীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা, বিভিন্ন দেশের সামরিক বাজেট বৃদ্ধি।
অ-ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা (Non-Traditional Security): মূল ফোকাস: মানবকেন্দ্রিক (Human-centric)। এটি এমন সব হুমকিকে অন্তর্ভুক্ত করে যা রাষ্ট্রের সীমানা মানে না এবং সরাসরি ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর অস্তিত্বকে বিপন্ন করে।
উদাহরণ: জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারী (যেমন: কোভিড-১৯), আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ (যেমন: ৯/১১ হামলা), সাইবার হামলা, খাদ্য সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তা, মানব পাচার, ব্যাপকহারে অভিবাসন।
মানবকেন্দ্রিক (Human-centric)।
এটি এমন সব হুমকিকে অন্তর্ভুক্ত করে যা রাষ্ট্রের সীমানা মানে না এবং সরাসরি ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর অস্তিত্বকে বিপন্ন করে।
উদাহরণ: জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারী (যেমন: কোভিড-১৯), আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ (যেমন: ৯/১১ হামলা), সাইবার হামলা, খাদ্য সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তা, মানব পাচার, ব্যাপকহারে অভিবাসন।
মানব নিরাপত্তা (Human Security):
এটি একটি সমন্বিত ধারণা যা মানুষকে সব ধরনের ভয় ও অভাব থেকে মুক্তি দেওয়ার উপর জোর দেয়।
দুটি প্রধান উপাদান:
যুদ্ধ, সন্ত্রাসবাদ, রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন থেকে মানুষের সুরক্ষা।
ক্ষুধা, দারিদ্র্য, রোগ-শোক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মানুষের সুরক্ষা।
আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য রাষ্ট্রসমূহ সম্মিলিত ব্যবস্থা গ্রহণ করে, যা যৌথ নিরাপত্তা বা যৌথ প্রতিরক্ষা জোটের রূপ নিতে পারে। যৌথ নিরাপত্তা (Collective Security):
"একজনের উপর আক্রমণ সকলের উপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে"।
এই ব্যবস্থায় সকল রাষ্ট্র একত্রিত হয়ে আক্রমণকারী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
জাতিসংঘ (United Nations)।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ আন্তর্জাতিক শান্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে আক্রমণকারী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
১৯৯১ সালে কুয়েত থেকে ইরাকি বাহিনীকে বিতাড়িত করার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অধীনে বহুজাতিক বাহিনীর অভিযান।
"একজনের উপর আক্রমণ সকলের উপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে"।
এই ব্যবস্থায় সকল রাষ্ট্র একত্রিত হয়ে আক্রমণকারী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
জাতিসংঘ (United Nations)।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ আন্তর্জাতিক শান্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে আক্রমণকারী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
১৯৯১ সালে কুয়েত থেকে ইরাকি বাহিনীকে বিতাড়িত করার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অধীনে বহুজাতিক বাহিনীর অভিযান।
যৌথ প্রতিরক্ষা বা সামরিক জোট (Collective Defense / Military Alliance): মূলনীতি: একটি জোটের অন্তর্ভুক্ত কোনো একটি দেশের উপর বহিরাগত আক্রমণ হলে জোটের সকল সদস্য দেশ মিলে তা প্রতিহত করবে। এটি নির্দিষ্ট শত্রু বা হুমকির বিরুদ্ধে গঠিত হয়।
ন্যাটো (NATO - North Atlantic Treaty Organization), ১৯৪৯: স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের হুমকি মোকাবেলায় গঠিত হয়।
এর মূল ভিত্তি হলো আর্টিকেল-৫, যেখানে সদস্য দেশের উপর আক্রমণকে সকল সদস্যের উপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গঠিত একটি নিরাপত্তা জোট, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবেলার জন্য তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হয়।
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact) ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত একটি সামরিক জোট (১৯৫৫-১৯৯১)।
একটি জোটের অন্তর্ভুক্ত কোনো একটি দেশের উপর বহিরাগত আক্রমণ হলে জোটের সকল সদস্য দেশ মিলে তা প্রতিহত করবে।
এটি নির্দিষ্ট শত্রু বা হুমকির বিরুদ্ধে গঠিত হয়।
ন্যাটো (NATO - North Atlantic Treaty Organization), ১৯৪৯: স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের হুমকি মোকাবেলায় গঠিত হয়।
এর মূল ভিত্তি হলো আর্টিকেল-৫, যেখানে সদস্য দেশের উপর আক্রমণকে সকল সদস্যের উপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গঠিত একটি নিরাপত্তা জোট, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবেলার জন্য তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হয়।
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact) ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত একটি সামরিক জোট (১৯৫৫-১৯৯১)।
ন্যাটো (NATO - North Atlantic Treaty Organization), ১৯৪৯: স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের হুমকি মোকাবেলায় গঠিত হয়। এর মূল ভিত্তি হলো আর্টিকেল-৫, যেখানে সদস্য দেশের উপর আক্রমণকে সকল সদস্যের উপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গঠিত একটি নিরাপত্তা জোট, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবেলার জন্য তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হয়।
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact) ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত একটি সামরিক জোট (১৯৫৫-১৯৯১)।
আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ক্ষমতা (Power) হলো একটি রাষ্ট্রের সেই সক্ষমতা, যা দ্বারা সে অন্য রাষ্ট্রের আচরণকে নিজের ইচ্ছানুযায়ী প্রভাবিত করতে পারে। বস্তুগত উপাদান (Tangible Elements):
কৌশলগত অবস্থান (যেমন: তুরস্কের বসফরাস প্রণালীর উপর নিয়ন্ত্রণ), বৃহৎ আয়তন (রাশিয়া), ভূ-প্রকৃতি, জলবায়ু।
জ্বালানি তেল (সৌদি আরব), প্রাকৃতিক গ্যাস (রাশিয়া, কাতার), ইউরেনিয়াম, লৌহ।
বিশাল জনসংখ্যা সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তির উৎস হতে পারে (যেমন: চীন, ভারত)।
সৈন্য সংখ্যা, উন্নত অস্ত্রশস্ত্র (পারমাণবিক অস্ত্র, বিমানবাহী রণতরী), প্রযুক্তিগত দক্ষতা।
মোট দেশজ উৎপাদন (GDP), শিল্প ভিত্তি, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, বাণিজ্য।
ভৌগোলিক অবস্থান:
তুরস্কের বসফরাস প্রণালীর উপর নিয়ন্ত্রণ), বৃহৎ আয়তন (রাশিয়া), ভূ-প্রকৃতি, জলবায়ু।
জ্বালানি তেল (সৌদি আরব), প্রাকৃতিক গ্যাস (রাশিয়া, কাতার), ইউরেনিয়াম, লৌহ।
বিশাল জনসংখ্যা সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তির উৎস হতে পারে (যেমন: চীন, ভারত)।
সৈন্য সংখ্যা, উন্নত অস্ত্রশস্ত্র (পারমাণবিক অস্ত্র, বিমানবাহী রণতরী), প্রযুক্তিগত দক্ষতা।
মোট দেশজ উৎপাদন (GDP), শিল্প ভিত্তি, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, বাণিজ্য।
অবস্তুগত উপাদান (Intangible Elements):
দূরদর্শী ও বিচক্ষণ রাষ্ট্রনায়ক।
জাতীয় মনোবল ও ঐক্য।
আন্তর্জাতিক ফোরামে দর কষাকষির সক্ষমতা।
ভাবাদর্শ ও সংস্কৃতির আবেদন:
গণতন্ত্র) বা সংস্কৃতির (যেমন: চলচ্চিত্র, সংগীত) বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা।
সামরিক শক্তি (হুমকি, আক্রমণ) বা অর্থনৈতিক শক্তি (নিষেধাজ্ঞা, পুরস্কার) প্রয়োগ করে অন্যকে প্রভাবিত করা।
উদাহরণ: ইরানের উপর মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ।
জোর বা অর্থ দিয়ে নয়, বরং আকর্ষণ ও প্ররোচনার মাধ্যমে নিজ দেশের সংস্কৃতি, রাজনৈতিক আদর্শ এবং পররাষ্ট্রনীতির গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করে অন্যকে প্রভাবিত করা।
উদাহরণ: হলিউডের চলচ্চিত্র, কে-পপ সংগীত, যুক্তরাষ্ট্রের ফুলব্রাইট স্কলারশিপ, চীনের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ক্ষমতার বণ্টন কীভাবে বিশ্ব রাজনীতিকে আকার দেয়, তা মেরুকরণের মাধ্যমে বোঝা যায়। এটি এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে কোনো একটি রাষ্ট্র বা জোট যেন এককভাবে अत्यधिक শক্তিশালী হয়ে অন্য রাষ্ট্রের জন্য হুমকি হতে না পারে, তার জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্র জোট গঠন বা শক্তি বৃদ্ধি করে একটি ভারসাম্য অবস্থা তৈরি করে।
যখন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় একটি মাত্র মহাপরাক্রমশালী শক্তি বিদ্যমান থাকে।
উদাহরণ: ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে প্রায় ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক সংকট পর্যন্ত সময়কাল, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছিল একক পরাশক্তি।
যখন দুটি প্রধান শক্তিধর রাষ্ট্র বা জোট একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়।
উদাহরণ: স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময় (১৯৪৭-১৯৯১), যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে দুটি ভিন্ন মেরু তৈরি হয়েছিল।
যখন তিন বা ততোধিক শক্তিধর রাষ্ট্র বা জোট আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
উদাহরণ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্ববর্তী ইউরোপ (যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া)।
বর্তমান বিশ্বকেও একটি উদীয়মান বহুমেরু ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত প্রভৃতি শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা ধারণা ঐতিহ্যগত ও অ-ঐতিহ্যগত উভয় প্রকার হুমকি দ্বারাই প্রভাবিত।
সীমান্ত সুরক্ষা (ভারত ও মিয়ানমারের সাথে)।
সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা ও সম্পদ রক্ষা। অ-ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা ঝুঁকি (প্রধান):
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও লবণাক্ততা বাংলাদেশের জন্য অস্তিত্বের সংকট তৈরি করেছে।
মিয়ানমার থেকে আগত ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের উপর মারাত্মক সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত চাপ সৃষ্টি করেছে।
মানব পাচার ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ। জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা।
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও লবণাক্ততা বাংলাদেশের জন্য অস্তিত্বের সংকট তৈরি করেছে।
মিয়ানমার থেকে আগত ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের উপর মারাত্মক সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত চাপ সৃষ্টি করেছে।
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশের ভূমিকা: জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশন: বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। এটি বাংলাদেশের সফট পাওয়ার ও কূটনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করেছে।
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ।
এটি বাংলাদেশের সফট পাওয়ার ও কূটনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করেছে।
উত্তর
ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা (Traditional Security)।
উত্তর
অ-ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা (Non-Traditional Security)।
উত্তর
জোসেফ নাই (Joseph Nye)।
উত্তর
দ্বিমেরু (Bipolar)।
উত্তর
যৌথ প্রতিরক্ষা (Collective Defense)।
উত্তর
যৌথ নিরাপত্তা (Collective Security)।
উত্তর
নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council)।
উত্তর
ভয় থেকে মুক্তি (Freedom from Fear) এবং অভাব থেকে মুক্তি (Freedom from Want)।
উত্তর
হার্ড পাওয়ার (Hard Power)।
উত্তর
একমেরু (Unipolar)।
উত্তর
অ-ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা।
উত্তর
১৯৪৯ সালে।
উত্তর
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact)।
উত্তর
সফট পাওয়ার।
উত্তর
জলবায়ু পরিবর্তন।
উত্তর
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
উত্তর
সামরিক শক্তি / প্রাকৃতিক সম্পদ / জনসংখ্যা / অর্থনীতি।
উত্তর
জাতীয় ঐক্য / কূটনৈতিক দক্ষতা / ভাবাদর্শ / নেতৃত্ব।
উত্তর
কোনো একটি রাষ্ট্রের একক আধিপত্য বা আগ্রাসন রোধ করা।
উত্তর
অ-ঐতিহ্যগত (সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত)।
উত্তর
অনুচ্ছেদ-৫ (Article 5)।
উত্তর
উদীয়মান বহুমেরু (Emerging Multipolar) ব্যবস্থা।
উত্তর
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ।
উত্তর
মানব নিরাপত্তা ও অ-ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা।
উত্তর
হার্ড পাওয়ার।
উত্তর
মানব নিরাপত্তা (Human Security)।
উত্তর
১৯৯১ সালে।
উত্তর
যুক্তরাষ্ট্র।
উত্তর
ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা।
উত্তর
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে।
উত্তর
অর্থনৈতিক ক্ষমতা (হার্ড পাওয়ার) এবং সফট পাওয়ারের সমন্বয়।
উত্তর
বহুমেরু (Multipolar)।
উত্তর
সফট পাওয়ার ও কূটনৈতিক প্রভাব।
উত্তর
বস্তুগত উপাদান।
উত্তর
দ্বিমেরু (Bipolar) ব্যবস্থায়।
উত্তর
ঐতিহ্যগত ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা।
উত্তর
স্মার্ট পাওয়ার (Smart Power)।
উত্তর
১৯৯০-এর দশক।
উত্তর
coerction (জবরদস্তি) এবং inducement (প্রলোভন)।
উত্তর
attraction (আকর্ষণ) এবং persuasion (প্ররোচনা)।
উত্তর
যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত।
উত্তর
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবেলা করা।
উত্তর
বাংলাদেশ, মালদ্বীপের মতো নিচু прибрежный দেশগুলোর জন্য।
উত্তর
সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন থেকে পশ্চিম ইউরোপকে রক্ষা করা।
উত্তর
সফট পাওয়ার ও কূটনৈতিক বিচক্ষণতা।
উত্তর
পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্র/সাম্যবাদ।
উত্তর
অবস্তুগত উপাদান।
উত্তর
দক্ষিণ কোরিয়া।
উত্তর
অপ্রতিসম যুদ্ধ (Asymmetric warfare) ও ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা।
উত্তর
নিউক্লিয়ার ক্লাব (Nuclear Club)।
উত্তর
যুক্তরাষ্ট্র (সোভিয়েত প্রভাব ঠেকাতে)।
উত্তর
প্রতিপক্ষের উপর পাল্টা ভয়াবহ আক্রমণের ভয় দেখিয়ে তাকে আক্রমণ থেকে বিরত রাখা।
উত্তর
কোনো একক বিশ্ব সরকারের অনুপস্থিতি।
উত্তর
বাস্তববাদ (Realism)।
উত্তর
প্রতিবেশী দেশ।
উত্তর
পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক হাতিয়ার (যেমন- বাণিজ্য, নিষেধাজ্ঞা, সাহায্য) ব্যবহার করা।
উত্তর
অভ্যন্তরীণ ও অ-ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা হুমকি।
উত্তর
NPT (Non-Proliferation Treaty)।
উত্তর
যে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের মৌলিক সেবা ও নিরাপত্তা দিতে এবং ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করতে অক্ষম।
উত্তর
অ-ঐতিহ্যগত এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা হুমকি।
উত্তর
একটি রাষ্ট্রের সামরিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অপ্রতিরোধ্য প্রাধান্য।
উত্তর
বৃহৎ শক্তিগুলোর সরাসরি সংঘাতে না জড়িয়ে ছোট ছোট রাষ্ট্র বা গোষ্ঠীকে দিয়ে যুদ্ধ চালানো।
উত্তর
স্নায়ুযুদ্ধকালীন ছায়াযুদ্ধ (যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে)।
উত্তর
যুদ্ধের পঞ্চম ক্ষেত্র (Fifth domain of warfare)।
উত্তর
কমায়।
উত্তর
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের।
উত্তর
IAEA (International Atomic Energy Agency)।
উত্তর
স্নায়ুযুদ্ধকালে।
উত্তর
ওয়েস্টফেলিয়ার শান্তিচুক্তি (১৬৪৮)।
উত্তর
অ-ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা হুমকি।
উত্তর
মূলত সফট পাওয়ার, তবে হার্ড পাওয়ারের সাথেও ব্যবহৃত হয়।
উত্তর
অ-ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা হুমকি (আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ)।
উত্তর
কারণ এটি একটি বৈশ্বিক ও অ-ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা হুমকি।
উত্তর
আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ক্ষমতা মূলত আপেক্ষিক।
উত্তর
NATO।
উত্তর
অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা।
উত্তর
মিয়ানমার (রোহিঙ্গা শরণার্থী)।
উত্তর
অ-ঐতিহ্যগত নিরাপত্তা/মানব নিরাপত্তা।
উত্তর
বস্তুগত উপাদান (যেমন: GDP, সৈন্য সংখ্যা)।
উত্তর
পারমাণবিক অস্ত্র।
উত্তর
বহুমেরুকরণ (Multipolarity)।
উত্তর
ভূগোল এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ক্ষমতার সম্পর্ক নিয়ে।
উত্তর
হার্ড পাওয়ার (অর্থনৈতিক ক্ষমতা)।
উত্তর
মানব নিরাপত্তা এবং Responsibility to Protect (R2P)।
উত্তর
জলবায়ু উদ্বাস্তু বা Climate Refugee।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ২৫।