OrioleOriole
  • হোম
  • কোর্স
  • বিষয়সমূহ
  • প্রস্তুতি
  • মডেল টেস্ট
  • লাইভ ক্লাস
  • সিলেবাস
  • ব্লগ
  • সম্পর্কে
OrioleOriole
BCS প্রস্তুতিবাংলাদেশের সংবিধান

বাংলাদেশের সংবিধান

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান হলো দেশের সর্বোচ্চ আইন। এটি একটি লিখিত দলিল যা রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামো, বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষমতা, নাগরিকদের অধিকার ও কর্তব্য এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ নির্ধারণ করে। ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর, একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। বিসিএস পরীক্ষাসহ যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সংবিধানের প্রতিটি অনুচ্ছেদ, ভাগ, তফসিল এবং সংশোধনী সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা অত্যাবশ্যক। এই পৃষ্ঠায় আমরা বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাস থেকে শুরু করে এর প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি, যা একজন পরীক্ষার্থীকে সংবিধান বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ ধারণা দিতে সক্ষম হবে। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত দ্রুত ও কার্যকর। মাত্র ৯ মাসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান জাতিকে উপহার দেওয়া হয়, যা বিশ্বের ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। অস্থায়ী সংবিধান আদেশ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে ১১ জানুয়ারি 'অস্থায়ী সংবিধান আদেশ, ১৯৭২' জারি করেন। গণপরিষদ গঠন: ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় (MNA) ও প্রাদেশিক পরিষদের (MPA) সদস্যদের নিয়ে ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'গণপরিষদ আদেশ' জারি করা হয়। মোট সদস্য ছিলেন ৪০৩ জন। প্রথম অধিবেশন: গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল। স্পিকার নির্বাচিত হন শাহ আব্দুল হামিদ এবং ডেপুটি স্পিকার হন মোহাম্মদুল্লাহ। সংবিধান প্রণয়ন কমিটি: ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট 'সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়। সভাপতি: ড. কামাল হোসেন (তৎকালীন আইনমন্ত্রী)। একমাত্র নারী সদস্য: বেগম রাজিয়া বানু। একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য: সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (ন্যাপ)। খসড়া চূড়ান্তকরণ ও গ্রহণ: কমিটির প্রথম বৈঠক: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২। খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ (ড. কামাল হোসেন)। গণপরিষদে গৃহীত (গৃহীত): ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ (এজন্য ৪ নভেম্বর 'সংবিধান দিবস' পালিত হয়)। কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ (স্বাধীনতার প্রথম বর্ষপূর্তিতে)। গণপরিষদে গৃহীত (গৃহীত): ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ (এজন্য ৪ নভেম্বর 'সংবিধান দিবস' পালিত হয়)। মূল সংবিধান: ভাষা: বাংলা (মূল) ও ইংরেজি (অনূদিত পাঠ)। হস্তলেখক: শিল্পী আব্দুর রউফ। অলঙ্করণ: শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। স্বাক্ষর: গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য এতে স্বাক্ষর করেন। (সৈয়দ নজরুল ইসলাম বিদেশে থাকায় এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ভিন্নমত পোষণ করে স্বাক্ষর করেননি)। স্বাক্ষর: গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য এতে স্বাক্ষর করেন। (সৈয়দ নজরুল ইসলাম বিদেশে থাকায় এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ভিন্নমত পোষণ করে স্বাক্ষর করেননি)। বাংলাদেশের সংবিধানের কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা এটিকে অন্যান্য দেশের সংবিধান থেকে আলাদা করেছে। প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ: লিখিত সংবিধান: এটি একটি পূর্ণাঙ্গ লিখিত দলিল। দুষ্পরিবর্তনীয়/অনমনীয় (Rigid): এর পরিবর্তন সহজ নয়, সংশোধনের জন্য সংসদ সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয় (অনুচ্ছেদ ১৪২)। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন: সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো আইন বাতিল বলে গণ্য হবে (অনুচ্ছেদ ৭)। প্রজাতন্ত্র: রাষ্ট্রপ্রধান জনগণের ভোটে পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন (অনুচ্ছেদ ১)। এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র: দেশে কোনো প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্য নেই, কেন্দ্র থেকে সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংসদীয় পদ্ধতির সরকার: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান হলেও নির্বাহী ক্ষমতা মূলত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার হাতে ন্যস্ত (অনুচ্ছেদ ৫৫)। মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি: সংবিধানে নাগরিকদের জন্য মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তা লঙ্ঘিত হলে আদালতে যাওয়ার বিধান রয়েছে (অনুচ্ছেদ ৪৪)। রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা (অনুচ্ছেদ ৮)। এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা: আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ' (অনুচ্ছেদ ৬৫)। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা: বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করবে (অনুচ্ছেদ ২২, ৯৪)। লিখিত সংবিধান: এটি একটি পূর্ণাঙ্গ লিখিত দলিল। দুষ্পরিবর্তনীয়/অনমনীয় (Rigid): এর পরিবর্তন সহজ নয়, সংশোধনের জন্য সংসদ সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয় (অনুচ্ছেদ ১৪২)। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন: সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো আইন বাতিল বলে গণ্য হবে (অনুচ্ছেদ ৭)। এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র: দেশে কোনো প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্য নেই, কেন্দ্র থেকে সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংসদীয় পদ্ধতির সরকার: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান হলেও নির্বাহী ক্ষমতা মূলত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার হাতে ন্যস্ত (অনুচ্ছেদ ৫৫)। মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি: সংবিধানে নাগরিকদের জন্য মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তা লঙ্ঘিত হলে আদালতে যাওয়ার বিধান রয়েছে (অনুচ্ছেদ ৪৪)। রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা (অনুচ্ছেদ ৮)। সাংবিধানিক কাঠামো: প্রস্তাবনা: ১টি (সংবিধানের মুখবন্ধ বা ভূমিকা)। "বিসমিল্লাহির-রহমানির রহিম" প্রস্তাবনার শুরুতে সংযোজিত হয়। ভাগ: ১১টি। অনুচ্ছেদ: ১৫৩টি। তফসিল: ৭টি। প্রস্তাবনা: ১টি (সংবিধানের মুখবন্ধ বা ভূমিকা)। "বিসমিল্লাহির-রহমানির রহিম" প্রস্তাবনার শুরুতে সংযোজিত হয়। প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র (অনুচ্ছেদ ১-৭) অনুচ্ছেদ ১: বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামে পরিচিত হইবে। অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা। অনুচ্ছেদ ২ক: রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবে। অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা বাংলা। অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক। অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি। অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী ঢাকা। অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব (বাংলাদেশী/Bengali)। অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য (এটি সংবিধানের অভিভাবক)। অনুচ্ছেদ ১: বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামে পরিচিত হইবে। অনুচ্ছেদ ২ক: রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবে। দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি (অনুচ্ছেদ ৮-২৫) বৈশিষ্ট্য: এই অংশের বিধানগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়, তবে রাষ্ট্র পরিচালনায় এগুলো মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ - (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)। অনুচ্ছেদ ১১: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার। অনুচ্ছেদ ১৪: কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি। অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা (অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা, চিকিৎসা)। অনুচ্ছেদ ১৬: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব। অনুচ্ছেদ ১৭: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা। অনুচ্ছেদ ১৮ক: পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন। অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা। অনুচ্ছেদ ২২: নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ। অনুচ্ছেদ ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন। বৈশিষ্ট্য: এই অংশের বিধানগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়, তবে রাষ্ট্র পরিচালনায় এগুলো মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। এই ভাগটি নাগরিকদের জন্য অপরিহার্য অধিকারগুলো নিশ্চিত করে, যা আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য। অনুচ্ছেদ ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা করার অধিকার (অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী)। চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ রাষ্ট্রপতি (অনুচ্ছেদ ৪৮-৫৪): মেয়াদ ৫ বছর, দুই মেয়াদের বেশি থাকতে পারবেন না, সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন, সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা (অনুচ্ছেদ ৫৫-৫৮): প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান, মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের কাছে দায়ী থাকে। স্থানীয় শাসন (অনুচ্ছেদ ৫৯-৬০): ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ইত্যাদি। অ্যাটর্নি-জেনারেল (অনুচ্ছেদ ৬৪): রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা। রাষ্ট্রপতি (অনুচ্ছেদ ৪৮-৫৪): মেয়াদ ৫ বছর, দুই মেয়াদের বেশি থাকতে পারবেন না, সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন, সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা (অনুচ্ছেদ ৫৫-৫৮): প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান, মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের কাছে দায়ী থাকে। পঞ্চম ভাগ: আইনসভা (জাতীয় সংসদ) গঠন (অনুচ্ছেদ ৬৫): ৩০০ জন প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এবং ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ মোট ৩৫০ সদস্য। সংসদের মেয়াদ (অনুচ্ছেদ ৭২): ৫ বছর। অধ্যাদেশ (Ordinance) প্রণয়ন (অনুচ্ছেদ ৯৩): সংসদ অধিবেশন না থাকলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন, যা আইনের সমান ক্ষমতা রাখে। গঠন (অনুচ্ছেদ ৬৫): ৩০০ জন প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এবং ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ মোট ৩৫০ সদস্য। অধ্যাদেশ (Ordinance) প্রণয়ন (অনুচ্ছেদ ৯৩): সংসদ অধিবেশন না থাকলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন, যা আইনের সমান ক্ষমতা রাখে। ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা (অনুচ্ছেদ ৯৪): 'আপিল বিভাগ' ও 'হাইকোর্ট বিভাগ' নিয়ে গঠিত। বিচারক নিয়োগ (অনুচ্ছেদ ৯৫): রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন। রিট জারি করার ক্ষমতা (অনুচ্ছেদ ১০২): হাইকোর্ট বিভাগ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য রিট (Writ) জারি করতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা (অনুচ্ছেদ ৯৪): 'আপিল বিভাগ' ও 'হাইকোর্ট বিভাগ' নিয়ে গঠিত। রিট জারি করার ক্ষমতা (অনুচ্ছেদ ১০২): হাইকোর্ট বিভাগ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য রিট (Writ) জারি করতে পারে। নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগ ছাড়াও সংবিধানে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও পদের কথা বলা আছে। সপ্তম ভাগ: নির্বাচন (অনুচ্ছেদ ১১৮-১২৬) নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা (অনুচ্ছেদ ১১৮): প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা (অনুচ্ছেদ ১১৮): প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত। অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (Comptroller and Auditor-General) প্রতিষ্ঠা ও দায়িত্ব (অনুচ্ছেদ ১২৭-১৩২): প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব নিরীক্ষা করেন। প্রতিষ্ঠা ও দায়িত্ব (অনুচ্ছেদ ১২৭-১৩২): প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব নিরীক্ষা করেন। নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) প্রতিষ্ঠা (অনুচ্ছেদ ১৩৭): এক বা একাধিক PSC প্রতিষ্ঠা করা যাবে। সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) প্রতিষ্ঠা (অনুচ্ছেদ ১৩৭): এক বা একাধিক PSC প্রতিষ্ঠা করা যাবে। দশম ভাগ: সংবিধান সংশোধন (অনুচ্ছেদ ১৪২): সংসদের মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে সংবিধান সংশোধন করা যায়। একাদশ ভাগ: বিবিধ (অনুচ্ছেদ ১৪৩-১৫৩): আন্তর্জাতিক চুক্তি, যুদ্ধ, সাংবিধানিক পদের শপথ ইত্যাদি। ৪র্থ সংশোধনী (১৯৭৫): সংসদীয় পদ্ধতি পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন ও বাকশাল গঠন। ৫ম সংশোধনী (১৯৭৯): ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্টের পর থেকে সামরিক শাসনের সকল কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দান (আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত)। ৮ম সংশোধনী (১৯৮৮): রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষণা, ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন (পরবর্তীতে বাতিল)। ১২শ সংশোধনী (১৯৯১): রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার থেকে পুনরায় সংসদীয় পদ্ধতিতে প্রত্যাবর্তন। ১৩শ সংশোধনী (১৯৯৬): তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন (আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত)। ১৫শ সংশোধনী (২০১১): তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপ, রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি সংশোধন, ৭ই মার্চের ভাষণ ও স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্তকরণ। ১৬শ সংশোধনী (২০১৪): বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে প্রদান (আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত)। তফসিলগুলো সংবিধানের মূল অনুচ্ছেদের সাথে সম্পর্কিত অতিরিক্ত বিধান বা তালিকা হিসেবে কাজ করে। এখানে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণয়নের ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য, কাঠামো, গুরুত্বপূর্ণ ভাগ, অনুচ্ছেদ, সংশোধনী এবং তফসিলের উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।

এই পাতার জন্য MCQ বা পাঠ-সামগ্রী এখনও যোগ করা হয়নি। শীঘ্রই উপলব্ধ হবে।

পূর্ববর্তী
বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য
পরবর্তী
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা
নিউজলেটার

পরীক্ষার আপডেট সরাসরি আপনার ইনবক্সে

নতুন সার্কুলার, ফ্রি মডেল টেস্ট ও প্রস্তুতি টিপস — সপ্তাহে একবার।

OrioleOriole

অরিয়ল (Oriole) — প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ও NTRCA শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতির এক প্ল্যাটফর্ম। সিলেবাসভিত্তিক পাঠ, প্রশ্ন ব্যাঙ্ক, মডেল টেস্ট এবং বিশেষজ্ঞ ইনস্ট্রাক্টরদের লাইভ ক্লাস — সবকিছু এক জায়গায়।

  • আকুয়া, ময়মনসিংহ ২২০০, বাংলাদেশ
  • +880 171648362490
  • hello@oriole.com.bd

প্রস্তুতি

  • সব কোর্স
  • বিষয়সমূহ
  • মডেল টেস্ট
  • লাইভ ক্লাস
  • সিলেবাস
  • ব্লগ

পরীক্ষা ও বিষয়

  • বাংলা
  • ইংরেজি
  • গণিত
  • সাধারণ জ্ঞান
  • প্রাথমিক ফুল কোর্স
  • NTRCA প্রিলি ব্যাচ

প্ল্যাটফর্ম

  • সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • সচরাচর জিজ্ঞাসা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলী
  • রিফান্ড নীতি

অ্যাপ ডাউনলোড

শীঘ্রই আসছেGoogle Play
শীঘ্রই আসছেApp Store

নিরাপদ পেমেন্ট পার্টনার

bKash
Nagad
Rocket

© 2026 অরিয়ল (Oriole)। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

গোপনীয়তা·শর্তাবলী·কুকিজ·সাইটম্যাপ