উত্তর
৪ নভেম্বর, ১৯৭২।
লোড হচ্ছে…
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান হলো দেশের সর্বোচ্চ আইন। এটি একটি লিখিত দলিল যা রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামো, বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষমতা, নাগরিকদের অধিকার ও কর্তব্য এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ নির্ধারণ করে। ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর, একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। বিসিএস পরীক্ষাসহ যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সংবিধানের প্রতিটি অনুচ্ছেদ, ভাগ, তফসিল এবং সংশোধনী সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা অত্যাবশ্যক। এই পৃষ্ঠায় আমরা বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাস থেকে শুরু করে এর প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি, যা একজন পরীক্ষার্থীকে সংবিধান বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ ধারণা দিতে সক্ষম হবে। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত দ্রুত ও কার্যকর। মাত্র ৯ মাসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান জাতিকে উপহার দেওয়া হয়, যা বিশ্বের ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে ১১ জানুয়ারি 'অস্থায়ী সংবিধান আদেশ, ১৯৭২' জারি করেন।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় (MNA) ও প্রাদেশিক পরিষদের (MPA) সদস্যদের নিয়ে ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'গণপরিষদ আদেশ' জারি করা হয়।
মোট সদস্য ছিলেন ৪০৩ জন।
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল।
স্পিকার নির্বাচিত হন শাহ আব্দুল হামিদ এবং ডেপুটি স্পিকার হন মোহাম্মদুল্লাহ।
১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট 'সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়।
ড. কামাল হোসেন (তৎকালীন আইনমন্ত্রী)।
বেগম রাজিয়া বানু।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (ন্যাপ)।
খসড়া চূড়ান্তকরণ ও গ্রহণ:
১৭ এপ্রিল, ১৯৭২।
১২ অক্টোবর, ১৯৭২ (ড. কামাল হোসেন)।
৪ নভেম্বর, ১৯৭২ (এজন্য ৪ নভেম্বর 'সংবিধান দিবস' পালিত হয়)।
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ (স্বাধীনতার প্রথম বর্ষপূর্তিতে)।
৪ নভেম্বর, ১৯৭২ (এজন্য ৪ নভেম্বর 'সংবিধান দিবস' পালিত হয়)।
মূল সংবিধান:
বাংলা (মূল) ও ইংরেজি (অনূদিত পাঠ)।
শিল্পী আব্দুর রউফ।
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য এতে স্বাক্ষর করেন।
(সৈয়দ নজরুল ইসলাম বিদেশে থাকায় এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ভিন্নমত পোষণ করে স্বাক্ষর করেননি)।
গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য এতে স্বাক্ষর করেন।
(সৈয়দ নজরুল ইসলাম বিদেশে থাকায় এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ভিন্নমত পোষণ করে স্বাক্ষর করেননি)। বাংলাদেশের সংবিধানের কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা এটিকে অন্যান্য দেশের সংবিধান থেকে আলাদা করেছে। প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
এটি একটি পূর্ণাঙ্গ লিখিত দলিল।
এর পরিবর্তন সহজ নয়, সংশোধনের জন্য সংসদ সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয় (অনুচ্ছেদ ১৪২)।
সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো আইন বাতিল বলে গণ্য হবে (অনুচ্ছেদ ৭)।
রাষ্ট্রপ্রধান জনগণের ভোটে পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন (অনুচ্ছেদ ১)।
দেশে কোনো প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্য নেই, কেন্দ্র থেকে সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান হলেও নির্বাহী ক্ষমতা মূলত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার হাতে ন্যস্ত (অনুচ্ছেদ ৫৫)।
সংবিধানে নাগরিকদের জন্য মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তা লঙ্ঘিত হলে আদালতে যাওয়ার বিধান রয়েছে (অনুচ্ছেদ ৪৪)।
জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা (অনুচ্ছেদ ৮)।
আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ' (অনুচ্ছেদ ৬৫)।
বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করবে (অনুচ্ছেদ ২২, ৯৪)।
এটি একটি পূর্ণাঙ্গ লিখিত দলিল।
এর পরিবর্তন সহজ নয়, সংশোধনের জন্য সংসদ সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয় (অনুচ্ছেদ ১৪২)।
সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো আইন বাতিল বলে গণ্য হবে (অনুচ্ছেদ ৭)।
দেশে কোনো প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্য নেই, কেন্দ্র থেকে সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান হলেও নির্বাহী ক্ষমতা মূলত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার হাতে ন্যস্ত (অনুচ্ছেদ ৫৫)।
সংবিধানে নাগরিকদের জন্য মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তা লঙ্ঘিত হলে আদালতে যাওয়ার বিধান রয়েছে (অনুচ্ছেদ ৪৪)।
জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা (অনুচ্ছেদ ৮)।
সাংবিধানিক কাঠামো:
১টি (সংবিধানের মুখবন্ধ বা ভূমিকা)।
"বিসমিল্লাহির-রহমানির রহিম" প্রস্তাবনার শুরুতে সংযোজিত হয়।
১১টি।
১৫৩টি।
৭টি।
১টি (সংবিধানের মুখবন্ধ বা ভূমিকা)।
"বিসমিল্লাহির-রহমানির রহিম" প্রস্তাবনার শুরুতে সংযোজিত হয়। প্রথম ভাগ:
বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামে পরিচিত হইবে।
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবে।
রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
রাজধানী ঢাকা।
নাগরিকত্ব (বাংলাদেশী/Bengali)।
সংবিধানের প্রাধান্য (এটি সংবিধানের অভিভাবক)।
বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামে পরিচিত হইবে।
রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবে।
রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি (অনুচ্ছেদ ৮-২৫) বৈশিষ্ট্য: এই অংশের বিধানগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়, তবে রাষ্ট্র পরিচালনায় এগুলো মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
মূলনীতিসমূহ - (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা (অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা, চিকিৎসা)।
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
সুযোগের সমতা।
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
এই অংশের বিধানগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়, তবে রাষ্ট্র পরিচালনায় এগুলো মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
এই ভাগটি নাগরিকদের জন্য অপরিহার্য অধিকারগুলো নিশ্চিত করে, যা আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য।
মৌলিক অধিকার বলবৎকরণের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা করার অধিকার (অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী)।
নির্বাহী বিভাগ রাষ্ট্রপতি (অনুচ্ছেদ ৪৮-৫৪): মেয়াদ ৫ বছর, দুই মেয়াদের বেশি থাকতে পারবেন না, সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন, সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা (অনুচ্ছেদ ৫৫-৫৮): প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান, মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের কাছে দায়ী থাকে।
ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ইত্যাদি।
রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
মেয়াদ ৫ বছর, দুই মেয়াদের বেশি থাকতে পারবেন না, সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন, সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা (অনুচ্ছেদ ৫৫-৫৮): প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান, মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের কাছে দায়ী থাকে। পঞ্চম ভাগ:
৩০০ জন প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এবং ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ মোট ৩৫০ সদস্য।
৫ বছর।
অধ্যাদেশ (Ordinance) প্রণয়ন (অনুচ্ছেদ ৯৩): সংসদ অধিবেশন না থাকলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন, যা আইনের সমান ক্ষমতা রাখে।
৩০০ জন প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এবং ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ মোট ৩৫০ সদস্য।
অধ্যাদেশ (Ordinance) প্রণয়ন (অনুচ্ছেদ ৯৩): সংসদ অধিবেশন না থাকলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন, যা আইনের সমান ক্ষমতা রাখে।
বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা (অনুচ্ছেদ ৯৪): 'আপিল বিভাগ' ও 'হাইকোর্ট বিভাগ' নিয়ে গঠিত।
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।
হাইকোর্ট বিভাগ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য রিট (Writ) জারি করতে পারে।
'আপিল বিভাগ' ও 'হাইকোর্ট বিভাগ' নিয়ে গঠিত।
হাইকোর্ট বিভাগ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য রিট (Writ) জারি করতে পারে।
নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগ ছাড়াও সংবিধানে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও পদের কথা বলা আছে।
নির্বাচন (অনুচ্ছেদ ১১৮-১২৬) নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা (অনুচ্ছেদ ১১৮): প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত।
মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (Comptroller and Auditor-General) প্রতিষ্ঠা ও দায়িত্ব (অনুচ্ছেদ ১২৭-১৩২): প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব নিরীক্ষা করেন।
প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব নিরীক্ষা করেন।
বাংলাদেশের কর্মবিভাগ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) প্রতিষ্ঠা (অনুচ্ছেদ ১৩৭): এক বা একাধিক PSC প্রতিষ্ঠা করা যাবে।
সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) প্রতিষ্ঠা (অনুচ্ছেদ ১৩৭): এক বা একাধিক PSC প্রতিষ্ঠা করা যাবে। দশম ভাগ:
সংসদের মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে সংবিধান সংশোধন করা যায়।
একাদশ ভাগ:
আন্তর্জাতিক চুক্তি, যুদ্ধ, সাংবিধানিক পদের শপথ ইত্যাদি।
সংসদীয় পদ্ধতি পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন ও বাকশাল গঠন।
১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্টের পর থেকে সামরিক শাসনের সকল কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দান (আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত)।
রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষণা, ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন (পরবর্তীতে বাতিল)।
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার থেকে পুনরায় সংসদীয় পদ্ধতিতে প্রত্যাবর্তন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন (আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত)।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপ, রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি সংশোধন, ৭ই মার্চের ভাষণ ও স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্তকরণ।
বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে প্রদান (আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত)।
তফসিলগুলো সংবিধানের মূল অনুচ্ছেদের সাথে সম্পর্কিত অতিরিক্ত বিধান বা তালিকা হিসেবে কাজ করে। এখানে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণয়নের ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য, কাঠামো, গুরুত্বপূর্ণ ভাগ, অনুচ্ছেদ, সংশোধনী এবং তফসিলের উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।
উত্তর
৪ নভেম্বর, ১৯৭২।
উত্তর
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
উত্তর
৪ নভেম্বর।
উত্তর
ড. কামাল হোসেন।
উত্তর
৩৪ জন।
উত্তর
বেগম রাজিয়া বানু।
উত্তর
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
উত্তর
শিল্পী আব্দুর রউফ।
উত্তর
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
উত্তর
দুটি ভাষায়—বাংলা ও ইংরেজি।
উত্তর
বাংলা পাঠ।
উত্তর
শাহ আব্দুল হামিদ।
উত্তর
১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ এবং ৭টি তফসিল।
উত্তর
লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়।
উত্তর
সংবিধান।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৭।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ২(ক)।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৩।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৪(ক)।
উত্তর
বাংলাদেশী (অনুচ্ছেদ ৬)।
উত্তর
দ্বিতীয় ভাগে।
উত্তর
চারটি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১১।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১৭।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ২২।
উত্তর
তৃতীয় ভাগে (অনুচ্ছেদ ২৬-৪৭ক)।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ২৭।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ২৯।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৩৯।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৪১।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৪৪ (অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী)।
উত্তর
সংসদীয় পদ্ধতির সরকার বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার।
উত্তর
রাষ্ট্রপতি।
উত্তর
প্রধানমন্ত্রী।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৬৪।
উত্তর
জাতীয় সংসদ (এককক্ষবিশিষ্ট)।
উত্তর
৩৫০ জন (৩০০ জন নির্বাচিত + ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসন)।
উত্তর
৫ বছর।
উত্তর
রাষ্ট্রপতির (অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে)।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৯৩।
উত্তর
সুপ্রিম কোর্ট।
উত্তর
দুটি—আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১০২।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১১৮।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১২৭।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১৩৭।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১৪২।
উত্তর
মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ।
উত্তর
১৭টি।
উত্তর
প্রথম সংশোধনী।
উত্তর
চতুর্থ সংশোধনী।
উত্তর
৫ম, ৭ম, ৮ম (আংশিক), ১৩শ এবং ১৬শ সংশোধনী।
উত্তর
দ্বাদশ (১২শ) সংশোধনী।
উত্তর
১৩শ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তন এবং ১৫শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিলোপ করা হয়।
উত্তর
অষ্টম সংশোধনী।
উত্তর
পঞ্চম তফসিলে।
উত্তর
ষষ্ঠ তফসিলে।
উত্তর
সপ্তম তফসিলে।
উত্তর
তৃতীয় তফসিলে।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৭(১)।
উত্তর
"বিসমিল্লাহির-রহমানির রহিম"।
উত্তর
অনধিক দুই মেয়াদ।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৭৭।
উত্তর
রাষ্ট্রপতির।
উত্তর
৬০ দিনের বেশি।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১৪১(ক)।
উত্তর
৩৫ বছর।
উত্তর
২৫ বছর।
উত্তর
চতুর্থ ভাগে।
উত্তর
না।
উত্তর
হাইকোর্ট বিভাগে।
উত্তর
চলাফেরার স্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা, সংগঠনের স্বাধীনতা, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১৯।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ২৫।
উত্তর
নবম ভাগে।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৯।
উত্তর
প্রস্তাবনা কোনো ভাগের অন্তর্ভুক্ত নয়, এটি সংবিধানের মুখবন্ধ।
উত্তর
যে রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপ্রধান জনগণের ভোটে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
উত্তর
যে রাষ্ট্রে কোনো প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্য নেই এবং কেন্দ্র থেকে সকল প্রশাসনিক কাজ পরিচালিত হয়।
উত্তর
৬০ জন।
উত্তর
কোনোটিই নয় (সংসদে পাস হলে রাষ্ট্রপতিকে অনুমোদন দিতেই হয়)।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৬।
উত্তর
পঞ্চম সংশোধনী (যদিও এটি পরে বাতিল হয়, তবে বিসমিল্লাহ বহাল রাখা হয়)।
উত্তর
সপ্তম ভাগে।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১৪।
উত্তর
ডেপুটি স্পিকার।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১৫।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ১৮(২)।
উত্তর
একাদশ ভাগে।
উত্তর
পঞ্চদশ সংশোধনী।
উত্তর
জাতীয় সংসদের কাছে।
উত্তর
অনুচ্ছেদ ৫২।
উত্তর
জাতীয় সংসদ।
উত্তর
সপ্তদশ (১৭শ) সংশোধনী।
উত্তর
মৌলিক অধিকার (অনুচ্ছেদ ৩১)।