উত্তর
বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্র।
লোড হচ্ছে…
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা একটি বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্র। এই ব্যবস্থার প্রাণ হলো রাজনৈতিক দল, যারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। একটি কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য শুধু সরকারি দলই নয়, বরং বিরোধী দল, সুশীল সমাজ এবং বিভিন্ন চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পক্ষগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক, কার্যক্রম এবং প্রভাবের মাধ্যমেই দেশের রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি নির্ধারিত হয়। বিসিএস পরীক্ষার জন্য এই গতিশীল সম্পর্ক এবং প্রতিটি পক্ষের ভূমিকা সম্পর্কে গভীর ধারণা থাকা অপরিহার্য। এই পৃষ্ঠায় আমরা এই বিষয়গুলো বিস্তারিত ও উদাহরণসহ আলোচনা করেছি। রাজনৈতিক দল হলো এমন একদল সংগঠিত মানুষ, যারা নির্দিষ্ট কর্মসূচি ও নীতির ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভের চেষ্টা করে।
সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিকের সমিতি বা সংঘ গঠন করার স্বাধীনতা রয়েছে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে 'গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২' (RPO) অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে (EC) নিবন্ধন করতে হয়।
নিবন্ধনের জন্য দলের একটি কেন্দ্রীয় কমিটি, অন্তত এক-তৃতীয়াংশ প্রশাসনিক জেলায় কার্যকর দপ্তর এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক সদস্য থাকতে হয়।
প্রায় সকল দলের একটি স্তরভিত্তিক কাঠামো থাকে, যেমন: জাতীয় কাউন্সিল/কংগ্রেস (সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম) → কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি → জেলা/মহানগর কমিটি → উপজেলা/থানা কমিটি → ইউনিয়ন/ওয়ার্ড কমিটি।
সভা, সমাবেশ, মিছিল, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণার মাধ্যমে নিজেদের নীতির পক্ষে জনমত গঠন করা।
স্বার্থ একত্রীকরণ:
কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, ছাত্র) দাবি-দাওয়া ও স্বার্থকে একত্রিত করে একটি সমন্বিত নির্বাচনী ইশতেহারে রূপ দেওয়া।
নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকার গঠন করে এবং তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের চেষ্টা করে।
বিরোধী দল সংসদে ও সংসদের বাইরে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং নিজেদেরকে একটি বিকল্প সরকার হিসেবে উপস্থাপন করে।
জনগণকে রাজনৈতিকভাবে সচেতন করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা।
সরকারের নীতির বিরুদ্ধে হরতাল, অবরোধ, বিক্ষোভ प्रदर्शन, মানববন্ধন ইত্যাদি কর্মসূচি পালন করা।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (প্রতিষ্ঠা:
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী দল।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বিএনপি (প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৮): দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইত্যাদি।
একটি সংসদীয় গণতন্ত্রের কার্যকারিতা বহুলাংশে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের সম্পর্কের উপর নির্ভর করে।
সরকার পরিচালনা, আইন প্রণয়নে নেতৃত্ব দেওয়া এবং দেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতি নির্ধারণ করা এর প্রধান দায়িত্ব।
প্রধানমন্ত্রী 'সংসদ নেতা' হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সরকারের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এর প্রধান দায়িত্ব।
বিরোধী দলের নেতা 'বিরোধীদলীয় নেতা' হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি পান। বিরোধী দলকে 'ছায়া সরকার' (Shadow Government) বলা হয়।
ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের মধ্যে সহযোগিতার চেয়ে সংঘাতের সম্পর্কই বেশি পরিলক্ষিত হয়।
একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতার অভাব একটি প্রধান সমস্যা।
বিরোধী দলগুলোর একটি সাধারণ চর্চা হলো সংসদ অধিবেশন বর্জন করা, যা সংসদের কার্যকারিতা হ্রাস করে।
জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংসদে আলোচনার পরিবর্তে রাজপথে হরতাল, অবরোধ ও বিক্ষোভের মাধ্যমে সমাধানের প্রবণতা বেশি।
জাতীয় স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট মৌলিক বিষয়গুলোতেও (যেমন: নির্বাচন ব্যবস্থা, পররাষ্ট্র নীতি) প্রধান দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্যের অভাব দেখা যায়।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আলোচনা, বাজেট আলোচনা, প্রশ্নোত্তর পর্ব, এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে বিরোধী দল সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারে।
মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য গঠিত কমিটিগুলোতে বিরোধী দলের সদস্যরাও থাকেন।
'সরকারি হিসাব কমিটি' (PAC)-র চেয়ারম্যান প্রথা অনুযায়ী বিরোধী দল থেকে নির্বাচিত হন। সুশীল সমাজ বা সিভিল সোসাইটি হলো রাষ্ট্র ও বাজারের বাইরে অলাভজনক ও বেসরকারি সংগঠনসমূহের সমষ্টি, যারা জনস্বার্থে বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করে। গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান:
অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিষয়ে গবেষণা ও নীতি বিশ্লেষণ করে।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (BIDS): উন্নয়ন বিষয়ে সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।
অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিষয়ে গবেষণা ও নীতি বিশ্লেষণ করে।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (BIDS): উন্নয়ন বিষয়ে সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। মানবাধিকার ও আইন সহায়তা সংস্থা:
মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আইনি সহায়তা নিয়ে কাজ করে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (TIB): দুর্নীতিবিরোধী গবেষণা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (TIB): দুর্নীতিবিরোধী গবেষণা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (NGO):
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও।
আশা, প্রশিকা, টিএমএসএস ইত্যাদি।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও।
সরকারের কার্যক্রম, মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং দুর্নীতির উপর নজরদারি করা।
অ্যাডভোকেসি ও জনমত গঠন:
পরিবেশ রক্ষা, নারী অধিকার) জনসচেতনতা তৈরি এবং সরকারের নীতি পরিবর্তনে চাপ সৃষ্টি করা।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্ষুদ্রঋণের মতো মৌলিক সেবা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া।
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী হলো এমন সব সংগঠন, যারা সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে নিজ নিজ গোষ্ঠীর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য সরকারের নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। ব্যবসায়ী সংগঠন:
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।
তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের সংগঠন।
বাজেট প্রণয়নের সময় কর হ্রাস, রপ্তানিতে প্রণোদনা, এবং ব্যবসা-বান্ধব নীতি গ্রহণের জন্য সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করে।
পেশাজীবী সংগঠন:
ডাক্তারদের সংগঠন।
ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (IEB): প্রকৌশলীদের সংগঠন। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি।
নিজ নিজ পেশার সদস্যদের বেতন, পদমর্যাদা, এবং পেশাগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে।
শ্রমিক সংগঠন (Trade Union):
উদাহরণ: বিভিন্ন গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন।
শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং অন্যান্য অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন ও দর কষাকষি করে।
বিভিন্ন কৃষক সমিতি।
সারের ভর্তুকি, ফসলের ন্যায্যমূল্য এবং কৃষিঋণের জন্য দাবি জানায়।
লবিং (সরাসরি আলোচনা), গণমাধ্যমে বিবৃতি প্রদান, গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন, স্মারকলিপি পেশ, এবং কখনও কখনও ধর্মঘট বা কর্মবিরতির মতো কর্মসূচি পালন করে। এখানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের সম্পর্ক, সুশীল সমাজ এবং চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর ভূমিকার উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।
উত্তর
বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্র।
উত্তর
নির্দিষ্ট কর্মসূচি ও নীতির ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভ করা।
উত্তর
নির্বাচন কমিশনে।
উত্তর
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (RPO)।
উত্তর
জাতীয় কাউন্সিল বা কংগ্রেস।
উত্তর
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
উত্তর
২৩ জুন, ১৯৪৯।
উত্তর
জিয়াউর রহমান।
উত্তর
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
উত্তর
ছায়া সরকার (Shadow Government)।
উত্তর
সাংবিধানিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত একটি পদ।
উত্তর
ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের মধ্যে বৈরী বা সংঘাতপূর্ণ সম্পর্ক।
উত্তর
বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকা।
উত্তর
বিরোধী দল থেকে।
উত্তর
সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
উত্তর
রাষ্ট্র ও বাজারের বাইরে অলাভজনক ও বেসরকারি সংগঠনসমূহের সমষ্টি, যারা জনস্বার্থে কাজ করে।
উত্তর
Centre for Policy Dialogue (সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ)।
উত্তর
অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিষয়ে গবেষণা ও নীতি বিশ্লেষণ করে।
উত্তর
Bangladesh Institute of Development Studies।
উত্তর
একটি সুশীল সমাজ সংগঠন, যা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও সুশাসন নিয়ে কাজ করে।
উত্তর
Transparency International Bangladesh।
উত্তর
দুর্নীতিবিরোধী গবেষণা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।
উত্তর
মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আইনি সহায়তা নিয়ে।
উত্তর
বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (NGO)।
উত্তর
পরিবেশবাদী সুশীল সমাজ সংগঠন।
উত্তর
সরকারের কার্যক্রম, মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং দুর্নীতির উপর নজরদারি করা।
উত্তর
যে সংগঠন সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে নিজ স্বার্থে সরকারের নীতিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে।
উত্তর
Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry।
উত্তর
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।
উত্তর
তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের (ওভেন)।
উত্তর
নিটওয়্যার শিল্পের মালিকদের।
উত্তর
ডাক্তারদের (Bangladesh Medical Association)।
উত্তর
Institution of Engineers, Bangladesh।
উত্তর
ট্রেড ইউনিয়ন বা শ্রমিক সংগঠন।
উত্তর
লবিং, গণমাধ্যমে বিবৃতি, স্মারকলিপি পেশ, ধর্মঘট ইত্যাদি।
উত্তর
জনগণকে রাজনৈতিকভাবে সচেতন করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা।
উত্তর
প্রধানমন্ত্রী।
উত্তর
রাজনৈতিক দলের।
উত্তর
৩৮ নং অনুচ্ছেদ।
উত্তর
সরকার গঠন করা।
উত্তর
নিখিল ভারত মুসলিম লীগ (পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গঠিত হয়)।
উত্তর
সরকারের কাজের গঠনমূলক সমালোচনা এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
উত্তর
কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে সরকারের নীতি নির্ধারকদের সাথে সরাসরি আলোচনা বা যোগাযোগ করে প্রভাবিত করার চেষ্টা।
উত্তর
ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের মধ্যে সহযোগিতামূলক ও সহনশীল সম্পর্ক।
উত্তর
সংঘাতমূলক বা বৈরী রাজনীতি।
উত্তর
গণমাধ্যমকে। (তবে সুশীল সমাজকেও অনেক সময় এই অভিধায় অভিহিত করা হয়)।
উত্তর
সদস্যদের চাঁদা, অনুদান এবং মনোনয়নপত্র বিক্রয়।
উত্তর
বামপন্থী বা সমাজতান্ত্রিক আদর্শের।
উত্তর
ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল।
উত্তর
ঐতিহাসিকভাবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের অংশ (যেমন: ১৪ দল)।
উত্তর
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল।
উত্তর
রাজনৈতিক দল ক্ষমতা গ্রহণে আগ্রহী, কিন্তু চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী ক্ষমতা গ্রহণ না করে সরকারকে প্রভাবিত করতে চায়।
উত্তর
সুশীল সমাজ সাধারণত বৃহত্তর জনস্বার্থে কাজ করে, অন্যদিকে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নিজ গোষ্ঠীর নির্দিষ্ট স্বার্থে কাজ করে।
উত্তর
পেশাজীবী চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী।
উত্তর
সংসদ-বহির্ভূত রাজনৈতিক কর্মসূচি।
উত্তর
হ্যাঁ, আছে।
উত্তর
নির্বাচনে জয়লাভ করলে কী কী কাজ করবে, তার একটি প্রতিশ্রুতির তালিকা যা রাজনৈতিক দলগুলো প্রকাশ করে।
উত্তর
সরকারের স্বৈরাচারী প্রবণতা রোধ করা এবং সুশাসন নিশ্চিত করা।
উত্তর
১৯৭৫ সালে (চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে)।
উত্তর
একদলীয় শাসন ব্যবস্থা।
উত্তর
হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দীকে।
উত্তর
১৯৫৫ সালে।
উত্তর
সংবিধান বা RPO-এর শর্ত ভঙ্গ করলে, পরপর দুটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে।
উত্তর
কোনো নির্দিষ্ট নীতির পক্ষে জনমত গঠন বা সরকারকে প্রভাবিত করার জন্য নিয়মতান্ত্রিক প্রচারণা।
উত্তর
ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা বা ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বের।
উত্তর
দলের সদস্যদের দলের সিদ্ধান্ত ও আদর্শ মেনে চলা।
উত্তর
কোনো সংসদ সদস্যের নিজ দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া। (সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এটি নিষিদ্ধ)।
উত্তর
এ. এস. এম. আবদুর রব।
উত্তর
পেশাজীবী সংগঠন (চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী)।
উত্তর
উইনস্টন চার্চিল। (এটি প্রাসঙ্গিক কারণ তিনি বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবেও বিখ্যাত ছিলেন)।
উত্তর
জনমত গঠন, প্রার্থী মনোনয়ন এবং সরকার গঠন।
উত্তর
সংসদ, গণমাধ্যম এবং রাজপথের কর্মসূচির মাধ্যমে।
উত্তর
শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, গবেষক, আইনজীবী, শিল্পী ইত্যাদি।
উত্তর
শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল বিরোধী দল।
উত্তর
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (শ্রমিক সংগঠন)।
উত্তর
অন্তর্বর্তীকালীন বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
উত্তর
শক্তিশালী চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহকে।
উত্তর
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহনশীলতা।
উত্তর
সাধারণত জাতীয় সংকট বা দুর্যোগের সময় প্রধান দলগুলো মিলে গঠিত হয়।
উত্তর
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
উত্তর
যখন কোনো একক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় একাধিক দল মিলে সরকার গঠন করে।
উত্তর
সুশীল সমাজ সংগঠন (যেমন: সুজন, ফেমা)।
উত্তর
সাম্প্রদায়িক বা ধর্মীয় স্বার্থ রক্ষাকারী চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী।
উত্তর
কোনো বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে সংসদ সদস্যদের অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করা।
উত্তর
বিশেষ কোনো অপরাধ (যেমন: যুদ্ধাপরাধ) বিচারের জন্য গঠিত বিশেষ আদালত।
উত্তর
পেশাজীবী সংগঠন।
উত্তর
ব্যবসায়ী সংগঠন (FBCCI), সুশীল সমাজ (CPD) এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন।
উত্তর
টিপ ও'নীল (আমেরিকান রাজনীতিবিদ)।
উত্তর
নির্দিষ্ট আদর্শ ও কর্মসূচি।
উত্তর
ডানপন্থী বলতে সাধারণত রক্ষণশীল ও পুঁজিবাদী আদর্শ এবং বামপন্থী বলতে সমাজতান্ত্রিক বা সাম্যবাদী আদর্শ বোঝায়।
উত্তর
সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম।
উত্তর
আওয়ামী লীগ।
উত্তর
হ্যাঁ, প্রায় একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী সরকারকে চাপ দেয়, তখন তাকে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলে।
উত্তর
গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান (যেমন: CPD, BIDS)।
উত্তর
কার্যকর বিরোধী দল, স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং সক্রিয় সুশীল সমাজ।
উত্তর
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)।
উত্তর
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ করা।
উত্তর
গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক দল।
উত্তর
ভোটের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন। (যেমন: ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন)।
উত্তর
সুশীল সমাজকে।