এই অধ্যায় পড়ে তুমি পারবে —
- ব্যক্তিজীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারবে
- কর্মক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে পারবে
- কর্মক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে
- সমাজজীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারবে
১.১ব্যক্তিজীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

পৃথিবীতে কত নতুন প্রযুক্তির জন্ম হচ্ছে, তার সবগুলোর কথা আমরা জানিও না। কিন্তু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এমন একটি প্রযুক্তি যা আমাদের সবার জীবনে কোনো না কোনোভাবে প্রভাব ফেলেছে। পৃথিবীতে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়াই কঠিন, যে কোনোভাবেই এ প্রযুক্তি ব্যবহার করেনি।
এটি শুধু রাষ্ট্রীয় বা আন্তর্জাতিক বড় কাজে নয়, সাধারণ মানুষের জীবনেও ব্যবহৃত হয়। তোমার আত্মীয়স্বজন, শিক্ষক, বন্ধুরা — এবং তুমিও এটি ব্যবহার করছ। এই যে তুমি এখন এই লেখাটি পড়ছ, এটিও লেখা, সাজানো আর তোমার সামনে আনা হয়েছে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
একজন মানুষের জীবনে এ প্রযুক্তির ব্যবহারের তালিকা করলে তা শেষ হবে না। চলো, গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দেখি — প্রতিটি কার্ডে চাপ দিয়ে বিস্তারিত পড়ো।
ব্যক্তিজীবনে তিনটি বড় ব্যবহার
ব্যক্তিগত যোগাযোগ: প্রায় সবার কাছেই এখন মোবাইল ফোন আছে। যে কেউ ইচ্ছে করলেই অন্যের সঙ্গে কথা বলতে পারে। এতে জীবনের মান বেড়েছে, অনেক কম পরিশ্রমে অনেক কাজ করা যায়।

মোবাইল ফোন ধীরে ধীরে একটা বুদ্ধিমান যন্ত্র হয়ে উঠেছে। কম্পিউটারও ছোট হতে হতে হাতের মুঠোয় চলে এসেছে।
কম্পিউটার যেভাবে ছোট হলো
ডেস্কটপ: টেবিলে বসিয়ে ব্যবহার করা বড় কম্পিউটার।

দলগত কাজ
- মনে করো তুমি ঠিক করেছ কোনো তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার না করে সারা দিন কাটাবে।
- সারা দিনে কোন কাজগুলো তুমি করতে পারবে না, তার একটা তালিকা করো।
১.২সাগরের একটি দিন
দৈনন্দিন জীবনে আমরা প্রতি মুহূর্তে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করি — এত অভ্যস্ত যে খেয়ালও করি না। বোঝার জন্য চলো সাগর নামের একজন কাল্পনিক মানুষের ছুটির দিনটা দেখি। সময়রেখা ধরে পড়ো আর গোনো, কতবার সে প্রযুক্তি ব্যবহার করল।
সাগরের ছুটির দিন
ভোর ৬টা
মোবাইলের অ্যালার্মে ঘুম ভাঙা
ডেস্ক ক্যালেন্ডার মনে করিয়ে দিল — আজ বন্ধুর জন্মদিন, বিকেলে উৎসব।
সকাল
টেলিভিশনে খবর
ধানের বাম্পার ফলনের খবর, আবার বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা।
নাশতার পর
ল্যাপটপে ইমেইল ও প্রিন্ট
প্রবাসী ভাইয়ের পাঠানো পরিবারের ছবি প্রিন্টারে প্রিন্ট করে নিল।
দুপুরের আগে
গান আর ই-বুক রিডার
প্রিয় গান বাজিয়ে -এ বই পড়ল।
দুপুর
ইন্টারনেটে খাবারের অর্ডার
জিপিএসে ঠিকানা দেখে ডেলিভারির তরুণ বিরিয়ানি নিয়ে বাসায় পৌঁছে গেল।
খেতে খেতে
উইকিপিডিয়ায় নিউট্রিনো
নিয়ে খবর দেখে -তে পড়ে নিল; রাতে দেখার জন্য সিনেমা করল।
বিকেল
অনলাইনে উপহার ও ব্যাংক
বন্ধুর জন্য বই অর্ডার করল, ব্যাংকের হিসাব দেখে সেভিংস থেকে চেকিং অ্যাকাউন্টে টাকা নিল।
বের হওয়ার সময়
মায়ের ফোন, ট্রেনের টিকেট
বাবার চশমা বদলাতে হবে শুনে মোবাইলেই ট্রেনের টিকেট কাটল; রাতে -এ ডাক্তার খুঁজবে।
রাত
উপগ্রহের ছবিতে ঘূর্ণিঝড়ের খবর
ঘূর্ণিঝড় অন্যদিকে চলে গেছে — নিশ্চিন্ত মনে ঘুম।



একটু ভাবো
১. সাগরের বাসা খুঁজে পেতে ডেলিভারির তরুণ কোনটি ব্যবহার করেছিল?
২. নিউট্রিনো সম্পর্কে জানতে সাগর কোথায় পড়ল?
দলগত কাজ
- এখানে উল্লেখ করা হয়নি, কিন্তু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে আর কী কী কাজ করা সম্ভব — তার একটি তালিকা তৈরি করো।
১.৩কর্মক্ষেত্রে: অনলাইন ভর্তি ও কাগজবিহীন অফিস
উচ্চমাধ্যমিক শেষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য একসময় শিক্ষার্থীদের দূরদূরান্তে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম আনতে, ক্যাশ টাকা জমা দিতে, প্রবেশপত্র নিতে হতো। ফল দেখতে হতো খবরের কাগজে।
ভর্তি প্রক্রিয়া: আগে ও এখন
আগে
- বাসে-ট্রেনে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম আনা
- ক্যাশ টাকা ও ফর্ম জমা দিয়ে প্রবেশপত্র নেওয়া
- খবরের কাগজে ফল দেখা
এখন
- ঘরে বসে স্মার্টফোনেই আবেদন
- কোথাও কাগজ লাগে না
- সময়, টাকা আর পরিশ্রম — সবই বাঁচে

কাগজবিহীন অফিস ও ভার্চুয়াল অফিসের পথচলা
১৯৭৫
প্রথম ধারণা
"বিজনেস উইক" ম্যাগাজিনে কাগজবিহীন অফিস নিয়ে প্রথম প্রবন্ধ — তখন এটি ছিল প্রায় কল্পবিজ্ঞান, কারণ সবার কাছে কম্পিউটার থাকার কথা কেউ ভাবতে পারত না।
১৯৮৩
ভার্চুয়াল অফিসের আলোচনা
অফিসে না গিয়েই অফিস করার ধারণা নিয়ে প্রথম আলোচনা।
১৯৯৪
প্রথম ভার্চুয়াল অফিস
এ ধরনের অফিস প্রথম চালু হয়।
২০০৯
কাগজ ছাড়া ভর্তি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পুরো ভর্তি প্রক্রিয়া তথ্য প্রযুক্তি দিয়ে করে; এরপর দেশের প্রায় সব স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় একই পথে আসে।
এখন অনেক অফিস পুরোপুরি । কম্পিউটারগুলো নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকায় চোখের পলকে কাজ হয়ে যায়।
কাগজবিহীন অফিসের সুবিধা
- কাগজের খরচ বাঁচে।
- কাগজ তৈরি হয় গাছ থেকে — কাগজ বাঁচলে গাছ বাঁচে, পরিবেশ সুন্দর থাকে।
- কালি বা লাগে না, তাই রাসায়নিক দ্রব্যে পরিবেশ দূষণ হয় না।
- ছবি প্রিন্ট না করেই সরাসরি কম্পিউটার বা মোবাইলের পর্দায় দেখা যায়।

আমাদের দেশের ব্যাংকগুলোও কাগজবিহীন অফিসে রূপান্তরিত হয়েছে। অনলাইন ব্যাংকিং-এ গ্রাহকরা অ্যাকাউন্ট পরিচালনা, টাকা স্থানান্তর আর বিল পরিশোধ করতে পারেন — কোনো কাগজ ছাড়াই। মোবাইলের অ্যাপে লেনদেন, বিদ্যুৎ-গ্যাসের বিল, কেনাকাটা, বাস-ট্রেন-বিমানের টিকেট কেনা সবই করা যায়।
দলগত কাজ
- তোমাদের স্কুলের অফিসকে কাগজবিহীন অফিসে রূপান্তর করতে হলে কী কী কাজ করতে হবে, গুছিয়ে লেখো।
- দুটি দল তৈরি করে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে বিতর্কের আয়োজন করো।
১.৪ভার্চুয়াল অফিস ও কল সেন্টার
সব কাজ যদি কম্পিউটারে হয় আর সব কম্পিউটার নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকে, তাহলে কম্পিউটারটা অফিসে বসে ব্যবহার করছি নাকি বাসায় — তাতে কিছু আসে যায় না। যেখানে কেউ সশরীরে অফিসে নেই কিন্তু অফিসের কাজ চলছে, তার নাম ।
ভার্চুয়াল অফিসের সুবিধা
- অফিসের জন্য বড় বিল্ডিং বানাতে হয় না।
- ট্রাফিক জ্যামের সঙ্গে যুদ্ধ করে অফিসে আসতে হয় না।
- বাসায় থেকে অফিসের কাজের পাশাপাশি বাসার কাজও করা যায়, অফিস-সময়ের বাইরেও কাজ করা যায়।
- কর্মীরা যেকোনো শহরে, এমনকি যেকোনো দেশে থাকতে পারেন।
- পৃথিবীর এক পিঠে দিন, অন্য পিঠে রাত — দুই দল পালা করে কাজ করলে অফিস চলে চব্বিশ ঘণ্টা।

-এ কর্মীরা কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে গ্রাহকের প্রশ্নের জবাব দেন। কম্পিউটার কিনে সমস্যায় পড়ে কোম্পানিতে ফোন করলে সেই ফোন হয়তো চলে যায় পৃথিবীর অন্য প্রান্তের কল সেন্টারে — সেখানকার কর্মীরা প্রশ্নটার উত্তর খুব ভালো জানেন।

জানো কি? এই বইটাও…
যাঁরা তোমার হাতের এই বইটি লিখেছেন ও সাজিয়েছেন, তাঁরা কেউ কখনো একসঙ্গে বসেননি — সবাই নিজের ঘরে বসে কাজ করেছেন।
দলগত কাজ
- তোমাদের স্কুলে একটি ভার্চুয়াল ক্লাসরুম তৈরি করতে হলে কী কী করতে হবে, সেটি লেখো।
১.৫রোবট, ড্রোন আর ই-ক্লাসরুম
বাংলাদেশ এখন বিশাল জাহাজ তৈরি করে বড় বড় দেশে রপ্তানি করে। জাহাজ বানাতে বিশাল ধাতব টুকরো কেটে ওয়েল্ডিং করতে হয় — এর তীব্র আলোয় চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, প্রচণ্ড তাপ আর ছিটকে পড়া ধাতু মিলিয়ে কাজটি বেশ বিপজ্জনক।
বিপজ্জনক ও একঘেয়ে কাজে: মানুষ বনাম রোবট
মানুষ
- কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যায়
- একঘেয়ে কাজে আগ্রহ হারায়
- বিপজ্জনক কাজে আঘাতের ঝুঁকি
রোবট
- ক্লান্ত হয় না
- একঘেয়ে কাজ নিয়ে অভিযোগ করে না
- বিপজ্জনক কাজ নিরাপদে করে — মানুষ শুধু তদারকি করে

আশা করা যায় আগামী কয়েক বছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর গাড়ি শহরের রাস্তায় চলবে, প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থায় দুর্ঘটনা কমবে। বিশাল প্লেনেও পাইলটদের বেশির ভাগ কাজ কম্পিউটারই করে, আর পাইলটবিহীন প্রতিদিন ছবি তোলে, ভিডিও করে।


অফিসের কাজে আরও যা বদলেছে
- বিভিন্ন জায়গার মানুষ আলাদা বসেও একসঙ্গে কনফারেন্স করেন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে ই-ক্লাসরুম — একজন শিক্ষক পড়ান, সারা দেশের অসংখ্য মানুষ শেখে।
- আগে বড় ফাইল এক রুম থেকে অন্য রুমে যেতে দিন পার হতো; ইলেকট্রনিক ফাইল চোখের পলকে এক অফিস থেকে আরেক অফিসে যায়।
- টাকাপয়সা ও হিসাবের কাজে বড় বড় লেজার খাতায় লিখতে হয় না — কম্পিউটার মুহূর্তে সব করে ফেলে।
দলগত কাজ
- রোবট দিয়ে করাতে চাও এমন কতগুলো কাজের তালিকা তৈরি করো।
১.৮অনুশীলন
এই অধ্যায়ের মূল কথা
- ব্যক্তিজীবনে: যোগাযোগ, বিনোদন, জিপিএস, ই-বুক, অনলাইনে কেনাকাটা ও ব্যাংকিং।
- কর্মক্ষেত্রে: অনলাইন ভর্তি, কাগজবিহীন অফিস, ভার্চুয়াল অফিস, কল সেন্টার, রোবট ও ড্রোন, ই-ক্লাসরুম।
- সমাজজীবনে: ইমেইল-এসএমএসে আমন্ত্রণ, ইকার্ড, ছবি-ভিডিও শেয়ারিং, সামাজিক যোগাযোগের সাইট।
- কাগজবিহীন অফিস পরিবেশবান্ধব — গাছ বাঁচে, রাসায়নিক দূষণ কমে।
নতুন শিখলাম
কার্ডে চাপ দিলে উল্টে যাবে।
নমুনা প্রশ্ন (বহুনির্বাচনি)
১. কোন আবিষ্কারের ফলে নতুন কোথাও ভ্রমণের ক্ষেত্রে পথঘাট চিনতে সুবিধা হয়?
২. নিউট্রিনো সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে আমরা কোনটি ব্যবহার করব?
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে — (i) বই পড়া যায় (ii) ব্যাংকের লেনদেন করা যায় (iii) গেম খেলা যায়। নিচের কোনটি সঠিক?
৪. রেবা এক রাতে বাসায় বসেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করল। সে আবেদন করতে পারে — (i) মোবাইল ফোন ব্যবহার করে (ii) ইন্টারনেট ব্যবহার করে (iii) কম্পিউটার ব্যবহার করে। নিচের কোনটি সঠিক?
৫. রেবার এ ধরনের আবেদন প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত সুবিধা — (i) সময় ও অর্থ সাশ্রয় (ii) শারীরিক শ্রম লাঘব (iii) পরিবেশ সংরক্ষণ। নিচের কোনটি সঠিক?
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ১: অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়ার দুটি সুবিধা লেখো।
১. ঘরে বসেই আবেদন করা যায়, তাই দূরে যাতায়াতের সময়, টাকা ও পরিশ্রম বাঁচে। ২. কোনো কাগজ লাগে না, তাই খরচ কমে এবং পরিবেশ রক্ষা পায়।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ২: কাগজবিহীন অফিসে রূপান্তরের ফলে পরিবেশে কী প্রভাব পড়ছে?
কাগজ তৈরি হয় গাছ থেকে, তাই কাগজ বাঁচলে গাছ বাঁচে। লেখার কালি বা টোনার লাগে না বলে রাসায়নিক দ্রব্যে পরিবেশ দূষণও হয় না।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ৩: অনলাইন ব্যাংকিং কী? এর একটি সুবিধা লেখো।
ইন্টারনেট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ব্যাংকের সব কার্যক্রম — অ্যাকাউন্ট পরিচালনা, টাকা স্থানান্তর, বিল পরিশোধ — করাকে অনলাইন ব্যাংকিং বলে। সুবিধা: ব্যাংকে না গিয়েই, কাগজপত্র ছাড়াই যেকোনো বিল পরিশোধ করা যায়।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ৪: ভার্চুয়াল অফিসের দুটি সুবিধা লেখো।
১. অফিসের জন্য বড় বিল্ডিং লাগে না, ট্রাফিক জ্যাম পেরিয়ে অফিসে আসতে হয় না। ২. কর্মীরা যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করতে পারেন, ফলে অফিস চব্বিশ ঘণ্টা চলতে পারে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ৫: ই-ক্লাসরুম কী?
ইন্টারনেটের মাধ্যমে চলা ক্লাসরুম, যেখানে একজন শিক্ষক পড়ান আর সারা দেশের অসংখ্য শিক্ষার্থী নিজের জায়গা থেকে একসঙ্গে শেখে।


১.৬সমাজজীবনে: আমন্ত্রণ, শুভেচ্ছা ও স্মৃতি
বাবা-মা, দাদা-দাদি, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব — সবাইকে নিয়ে আমাদের সমাজ। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম সময়ের সঙ্গে বদলেছে; আর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সামাজিক প্রয়োজনগুলো এনে দিয়েছে হাতের মুঠোয়।
খবর পাঠানোর মাধ্যম যেভাবে বদলেছে
মানুষ পাঠিয়ে: এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে গিয়ে খবর দিতে হতো।
ছবি রাখার সাইটগুলোর মধ্যে গুগল ফটোস (photos.google.com) এবং ফ্লিকার জনপ্রিয়। নিজের তোলা ভিডিও সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা যায় -এ — যেমন ইউটিউব (www.youtube.com)।
দলগত কাজ