OrioleOriole
  • হোম
  • কোর্স
  • বিষয়সমূহ
  • প্রস্তুতি
  • মডেল টেস্ট
  • লাইভ ক্লাস
  • সিলেবাস
  • ব্লগ
  • সম্পর্কে
OrioleOriole
BCS প্রস্তুতিকম্পিউটার

কম্পিউটার

আধুনিক জীবনযাত্রা কম্পিউটার ছাড়া কল্পনা করা অসম্ভব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ থেকে শুরু করে বিনোদন পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রে কম্পিউটার এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। বিসিএস পরীক্ষার কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি অংশে কম্পিউটারের মৌলিক ধারণা, এর গঠন, প্রকারভেদ, সফটওয়্যার এবং দৈনন্দিন জীবনে এর প্রয়োগ সম্পর্কিত বিষয়গুলো থেকে প্রশ্ন আসে। এই পৃষ্ঠায় আমরা বিসিএস পরীক্ষার সিলেবাসের আলোকে কম্পিউটারের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে অসংখ্য উদাহরণসহ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি, যা পরীক্ষার্থীদের একটি সুস্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ ধারণা পেতে সহায়তা করবে। কম্পিউটারের ইতিহাস মূলত গণনাকারী যন্ত্রের ইতিহাস। আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশের পেছনে রয়েছে শত শত বছরের প্রচেষ্টা ও উদ্ভাবন। প্রাচীন যুগ: অ্যাবাকাস (Abacus): প্রায় ৫০০০ বছর আগে চীনে আবিষ্কৃত প্রথম গণনাকারী যন্ত্র। প্যাসকেলাইন (Pascaline): ব্লেইজ প্যাসকেল কর্তৃক আবিষ্কৃত প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর (১৬৪২)। প্যাসকেলাইন (Pascaline): ব্লেইজ প্যাসকেল কর্তৃক আবিষ্কৃত প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর (১৬৪২)। আধুনিক কম্পিউটারের ভিত্তি: চার্লস ব্যাবেজ: তাকে 'কম্পিউটারের জনক' বলা হয়। তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন (আধুনিক কম্পিউটারের ধারণা) তৈরি করেন। অ্যাডা লাভলেস: তাকে 'প্রোগ্রামিং-এর ধারণার প্রবর্তক' বলা হয়। চার্লস ব্যাবেজ: তাকে 'কম্পিউটারের জনক' বলা হয়। তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন (আধুনিক কম্পিউটারের ধারণা) তৈরি করেন। কম্পিউটারের প্রজন্ম (Generations): প্রথম প্রজন্ম (১৯৪৬-১৯৫৯): ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হতো। উদাহরণ: ENIAC, UNIVAC-I। দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৫৯-১৯৬৫): ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হতো। উদাহরণ: IBM 1401, PDP-1। তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬৫-১৯৭১): আইসি (IC - Integrated Circuit) ব্যবহৃত হতো। উদাহরণ: IBM 360 series। চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭১-বর্তমান): মাইক্রোপ্রসেসর বা ভিএলএসআই (VLSI) ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: পার্সোনাল কম্পিউটার (PC)। পঞ্চম প্রজন্ম (ভবিষ্যৎ): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ভিত্তিক কম্পিউটার। তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬৫-১৯৭১): আইসি (IC - Integrated Circuit) ব্যবহৃত হতো। উদাহরণ: IBM 360 series। চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭১-বর্তমান): মাইক্রোপ্রসেসর বা ভিএলএসআই (VLSI) ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: পার্সোনাল কম্পিউটার (PC)। পঞ্চম প্রজন্ম (ভবিষ্যৎ): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ভিত্তিক কম্পিউটার। কার্যনীতির ভিত্তিতে: অ্যানালগ কম্পিউটার: ক্রমাগত পরিবর্তনশীল ডেটা নিয়ে কাজ করে। উদাহরণ: গাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল। ডিজিটাল কম্পিউটার: বাইনারি সংখ্যা (০ ও ১) নিয়ে কাজ করে। আমরা সাধারণত ডিজিটাল কম্পিউটার ব্যবহার করি। হাইব্রিড কম্পিউটার: অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত। উদাহরণ: আবহাওয়া অফিসে ব্যবহৃত কম্পিউটার, হাসপাতালের আইসিইউ-এর মনিটর। অ্যানালগ কম্পিউটার: ক্রমাগত পরিবর্তনশীল ডেটা নিয়ে কাজ করে। উদাহরণ: গাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল। ডিজিটাল কম্পিউটার: বাইনারি সংখ্যা (০ ও ১) নিয়ে কাজ করে। আমরা সাধারণত ডিজিটাল কম্পিউটার ব্যবহার করি। হাইব্রিড কম্পিউটার: অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত। উদাহরণ: আবহাওয়া অফিসে ব্যবহৃত কম্পিউটার, হাসপাতালের আইসিইউ-এর মনিটর। আকারের ভিত্তিতে (ডিজিটাল কম্পিউটার): সুপার কম্পিউটার: সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতিসম্পন্ন। উদাহরণ: Summit, Fugaku। পারমাণবিক গবেষণা, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ব্যবহৃত হয়। মেইনফ্রেম কম্পিউটার: বড় আকারের প্রতিষ্ঠান যেমন ব্যাংক, বীমা কোম্পানিতে ব্যবহৃত হয়। মিনি কম্পিউটার: মেইনফ্রেমের চেয়ে ছোট। শিল্প-কারখানা বা গবেষণাগারে ব্যবহৃত হয়। মাইক্রো কম্পিউটার (পার্সোনাল কম্পিউটার বা PC): সবচেয়ে জনপ্রিয়। উদাহরণ: ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, নোটবুক, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন। সুপার কম্পিউটার: সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতিসম্পন্ন। উদাহরণ: Summit, Fugaku। পারমাণবিক গবেষণা, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ব্যবহৃত হয়। মেইনফ্রেম কম্পিউটার: বড় আকারের প্রতিষ্ঠান যেমন ব্যাংক, বীমা কোম্পানিতে ব্যবহৃত হয়। মাইক্রো কম্পিউটার (পার্সোনাল কম্পিউটার বা PC): সবচেয়ে জনপ্রিয়। উদাহরণ: ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, নোটবুক, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন। একটি কম্পিউটার প্রধানত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে গঠিত। হার্ডওয়্যারের মূল অংশগুলো হলো ইনপুট ইউনিট, সিপিইউ, মেমোরি এবং আউটপুট ইউনিট। সিপিইউ (CPU - Central Processing Unit): একে 'কম্পিউটারের মস্তিষ্ক' বলা হয়। এর তিনটি প্রধান অংশ: এএলইউ (ALU - Arithmetic Logic Unit): সকল গাণিতিক (যোগ, বিয়োগ) ও যৌক্তিক (>, <, =) কাজ সম্পন্ন করে। কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit): কম্পিউটারের সকল অংশের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে। রেজিস্টার (Register): সিপিইউ-এর অভ্যন্তরীণ দ্রুতগতিসম্পন্ন অস্থায়ী মেমোরি। এএলইউ (ALU - Arithmetic Logic Unit): সকল গাণিতিক (যোগ, বিয়োগ) ও যৌক্তিক (>, <, =) কাজ সম্পন্ন করে। কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit): কম্পিউটারের সকল অংশের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে। মেমোরি (Memory): প্রধান মেমোরি (Main Memory): RAM (Random Access Memory): অস্থায়ী ও উদ্বায়ী মেমোরি। বিদ্যুৎ চলে গেলে এর ডেটা মুছে যায়। ROM (Read-Only Memory): স্থায়ী ও অনুদ্বায়ী মেমোরি। কম্পিউটার তৈরির সময় এতে ডেটা স্থায়ীভাবে লেখা হয়। সহায়ক মেমোরি (Secondary Memory): ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: হার্ড ডিস্ক (Hard Disk), এসএসডি (SSD), সিডি/ডিভিডি, পেন ড্রাইভ। ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory): সিপিইউ ও প্রধান মেমোরির মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত অত্যন্ত দ্রুতগতির মেমোরি, যা কাজের গতি বাড়ায়। প্রধান মেমোরি (Main Memory): RAM (Random Access Memory): অস্থায়ী ও উদ্বায়ী মেমোরি। বিদ্যুৎ চলে গেলে এর ডেটা মুছে যায়। ROM (Read-Only Memory): স্থায়ী ও অনুদ্বায়ী মেমোরি। কম্পিউটার তৈরির সময় এতে ডেটা স্থায়ীভাবে লেখা হয়। RAM (Random Access Memory): অস্থায়ী ও উদ্বায়ী মেমোরি। বিদ্যুৎ চলে গেলে এর ডেটা মুছে যায়। ROM (Read-Only Memory): স্থায়ী ও অনুদ্বায়ী মেমোরি। কম্পিউটার তৈরির সময় এতে ডেটা স্থায়ীভাবে লেখা হয়। সহায়ক মেমোরি (Secondary Memory): ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: হার্ড ডিস্ক (Hard Disk), এসএসডি (SSD), সিডি/ডিভিডি, পেন ড্রাইভ। ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory): সিপিইউ ও প্রধান মেমোরির মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত অত্যন্ত দ্রুতগতির মেমোরি, যা কাজের গতি বাড়ায়। মাদারবোর্ড (Motherboard): কম্পিউটারের প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে সকল যন্ত্রাংশ (সিপিইউ, র‍্যাম, হার্ড ডিস্ক) সংযুক্ত থাকে। সিপিইউ-এর সাথে সংযুক্ত সকল ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসকে একত্রে পেরিফেরালস বলা হয়। ইনপুট ডিভাইস (Input Devices): কি-বোর্ড (Keyboard): প্রধান ইনপুট ডিভাইস। মাউস (Mouse): একটি পয়েন্টিং ডিভাইস। স্ক্যানার (Scanner): ছবি বা ডকুমেন্টকে ডিজিটাল ফাইলে রূপান্তর করে। ওসিআর (OCR - Optical Character Recognition): ছাপার অক্ষরকে কম্পিউটারের পাঠযোগ্য টেক্সটে রূপান্তর করে। ওএমআর (OMR - Optical Mark Recognition): বৃত্ত ভরাট করা উত্তরপত্র মূল্যায়নে ব্যবহৃত হয়। এমআইসিআর (MICR - Magnetic Ink Character Recognition): ব্যাংকের চেকে বিশেষ চুম্বকীয় কালি শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। অন্যান্য: মাইক্রোফোন, ওয়েবক্যাম, জয়স্টিক, লাইট পেন। ওসিআর (OCR - Optical Character Recognition): ছাপার অক্ষরকে কম্পিউটারের পাঠযোগ্য টেক্সটে রূপান্তর করে। ওএমআর (OMR - Optical Mark Recognition): বৃত্ত ভরাট করা উত্তরপত্র মূল্যায়নে ব্যবহৃত হয়। এমআইসিআর (MICR - Magnetic Ink Character Recognition): ব্যাংকের চেকে বিশেষ চুম্বকীয় কালি শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। আউটপুট ডিভাইস (Output Devices): মনিটর (Monitor): প্রধান আউটপুট ডিভাইস। একে ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে ইউনিট (VDU) বলা হয়। প্রিন্টার (Printer): ডিজিটাল ডকুমেন্টকে কাগজে ছাপায়। প্রকারভেদ: ইমপ্যাক্ট (ডট ম্যাট্রিক্স), নন-ইমপ্যাক্ট (ইঙ্কজেট, লেজার)। স্পিকার (Speaker): শব্দ আউটপুট দেয়। প্লটার (Plotter): বড় আকারের নকশা বা মানচিত্র ছাপাতে ব্যবহৃত হয়। মনিটর (Monitor): প্রধান আউটপুট ডিভাইস। একে ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে ইউনিট (VDU) বলা হয়। প্রিন্টার (Printer): ডিজিটাল ডকুমেন্টকে কাগজে ছাপায়। প্রকারভেদ: ইমপ্যাক্ট (ডট ম্যাট্রিক্স), নন-ইমপ্যাক্ট (ইঙ্কজেট, লেজার)। ক্লক স্পিড (Clock Speed): সিপিইউ প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো সাইকেল সম্পন্ন করে। এটি গিগাহার্জ (GHz) এককে মাপা হয়। ক্লক স্পিড যত বেশি, সিপিইউ তত দ্রুত কাজ করে। র‍্যামের পরিমাণ (RAM Size): র‍্যাম যত বেশি হবে, কম্পিউটার তত বেশি প্রোগ্রাম একসাথে চালাতে পারবে। বাস স্পিড (Bus Speed): মাদারবোর্ডের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের গতি। কোরের সংখ্যা (Number of Cores): আধুনিক প্রসেসরে একাধিক কোর থাকে (যেমন: ডুয়াল-কোর, কোয়াড-কোর), যা মাল্টিটাস্কিং-এর গতি বাড়ায়। অপারেটিং সিস্টেম (OS) হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার, যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং কম্পিউটারের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। ডেস্কটপ ওএস: Microsoft Windows: সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত। (যেমন: Windows 10, Windows 11)। macOS: অ্যাপল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। Linux: একটি ওপেন-সোর্স ওএস। (যেমন: Ubuntu, Red Hat)। মোবাইল ওএস: Android: গুগল কর্তৃক তৈরি, স্মার্টফোনে সর্বাধিক ব্যবহৃত। iOS: অ্যাপলের আইফোনে ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটারকে দিয়ে কোনো কাজ করানোর জন্য প্রদত্ত নির্দেশাবলীর সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে। এর মধ্যে ক্ষতিকর প্রোগ্রামও রয়েছে। সফটওয়্যার (Software): প্রোগ্রামের সমষ্টি। প্রধানত দুই প্রকার: সিস্টেম সফটওয়্যার (যেমন: অপারেটিং সিস্টেম) ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (যেমন: MS Word, Photoshop)। ভাইরাস (VIRUS - Vital Information Resources Under Siege): সংজ্ঞা: এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং নিজের অনুলিপি তৈরি করে বিভিন্ন ফাইল ও প্রোগ্রামকে আক্রমণ করে। প্রকারভেদ (উদাহরণ): ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), ওয়ার্ম (Worm), ম্যালওয়্যার (Malware), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)। প্রতিরোধ: অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা (যেমন: Kaspersky, Avast)। সংজ্ঞা: এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং নিজের অনুলিপি তৈরি করে বিভিন্ন ফাইল ও প্রোগ্রামকে আক্রমণ করে। প্রকারভেদ (উদাহরণ): ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), ওয়ার্ম (Worm), ম্যালওয়্যার (Malware), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)। ফায়ারওয়াল (Firewall): সংজ্ঞা: একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা একটি নেটওয়ার্ক বা কম্পিউটারকে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে। এটি হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার উভয়ই হতে পারে। সংজ্ঞা: একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা একটি নেটওয়ার্ক বা কম্পিউটারকে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে। এটি হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার উভয়ই হতে পারে। ডেটাবেইস হলো সম্পর্কিত ডেটার একটি সুসংগঠিত সংগ্রহ। ডেটাবেইস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো ডেটাবেইস তৈরি, পরিচালনা ও ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার। DBMS সফটওয়্যার: Oracle, MySQL, Microsoft SQL Server, PostgreSQL, Microsoft Access। ব্যবহার: ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয়, ই-কমার্স সাইট, সরকারি প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিতে তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার সিস্টেম যা কোনো বড় যন্ত্রের অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়। ডিজিটাল ঘড়ি, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, গাড়ির ইঞ্জিন কন্ট্রোল ইউনিট (ECU), এটিএম মেশিন, ডিজিটাল ক্যামেরা। শিক্ষা: অনলাইন লার্নিং (ই-লার্নিং), ডিজিটাল কন্টেন্ট, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ। স্বাস্থ্য: রোগীর তথ্য সংরক্ষণ (EHR), রোগ নির্ণয় (সিটি স্ক্যান, এমআরআই), টেলিমেডিসিন। খেলাধুলা: স্কোরবোর্ড নিয়ন্ত্রণ, হক-আই (Hawk-Eye) প্রযুক্তি, খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ। এখানে কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়—যেমন কম্পিউটারের ইতিহাস, অঙ্গসংগঠন, প্রকারভেদ, সফটওয়্যার, নম্বর ব্যবস্থা এবং দৈনন্দিন জীবনে এর প্রয়োগের উপর ভিত্তি করে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলিত হলো। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন।

এই পাতার জন্য MCQ বা পাঠ-সামগ্রী এখনও যোগ করা হয়নি। শীঘ্রই উপলব্ধ হবে।

পূর্ববর্তী
আধুনিক বিজ্ঞান
পরবর্তী
তথ্যপ্রযুক্তি
নিউজলেটার

পরীক্ষার আপডেট সরাসরি আপনার ইনবক্সে

নতুন সার্কুলার, ফ্রি মডেল টেস্ট ও প্রস্তুতি টিপস — সপ্তাহে একবার।

OrioleOriole

অরিয়ল (Oriole) — প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ও NTRCA শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতির এক প্ল্যাটফর্ম। সিলেবাসভিত্তিক পাঠ, প্রশ্ন ব্যাঙ্ক, মডেল টেস্ট এবং বিশেষজ্ঞ ইনস্ট্রাক্টরদের লাইভ ক্লাস — সবকিছু এক জায়গায়।

  • আকুয়া, ময়মনসিংহ ২২০০, বাংলাদেশ
  • +880 171648362490
  • hello@oriole.com.bd

প্রস্তুতি

  • সব কোর্স
  • বিষয়সমূহ
  • মডেল টেস্ট
  • লাইভ ক্লাস
  • সিলেবাস
  • ব্লগ

পরীক্ষা ও বিষয়

  • বাংলা
  • ইংরেজি
  • গণিত
  • সাধারণ জ্ঞান
  • প্রাথমিক ফুল কোর্স
  • NTRCA প্রিলি ব্যাচ

প্ল্যাটফর্ম

  • সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • সচরাচর জিজ্ঞাসা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলী
  • রিফান্ড নীতি

অ্যাপ ডাউনলোড

শীঘ্রই আসছেGoogle Play
শীঘ্রই আসছেApp Store

নিরাপদ পেমেন্ট পার্টনার

bKash
Nagad
Rocket

© 2026 অরিয়ল (Oriole)। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

গোপনীয়তা·শর্তাবলী·কুকিজ·সাইটম্যাপ