উত্তর
৪ কেজি (কারণ ১০×২ = ?×৫)।
লোড হচ্ছে…
যান্ত্রিক দক্ষতা মানসিক দক্ষতার একটি বিশেষ শাখা যেখানে পরীক্ষার্থীর সাধারণ যন্ত্র, বল এবং গতির মৌলিক নীতিগুলো বোঝার ক্ষমতা যাচাই করা হয়। এই অংশে সাধারণত চিত্রভিত্তিক প্রশ্ন দেওয়া থাকে এবং সাধারণ জ্ঞান ও যুক্তির মাধ্যমে সেগুলোর সমাধান করতে হয়। এখানে জটিল গাণিতিক হিসাবের প্রয়োজন হয় না, বরং যন্ত্রগুলো কীভাবে কাজ করে তার কার্যকারণ সম্পর্ক বোঝার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। লিভার, গিয়ার, পুলি, তরলের চাপ ইত্যাদি বিষয় থেকে বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। এই পৃষ্ঠায় আমরা যান্ত্রিক দক্ষতার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চিত্রভিত্তিক বর্ণনা এবং প্রচুর উদাহরণসহ আলোচনা করেছি। লিভার হলো একটি সরল যন্ত্র যা একটি স্থির বিন্দু বা ফালক্রামকে কেন্দ্র করে ঘোরে। ভারকেন্দ্র হলো বস্তুর সেই বিন্দু যেখানে তার সমস্ত ওজন কেন্দ্রীভূত বলে ধরে নেওয়া হয়। সমস্যা ১:
একটি দণ্ড একটি ত্রিভুজাকৃতির ফালক্রামের উপর ভারসাম্য রক্ষা করে আছে।
ফালক্রামটি দণ্ডের মাঝখানে অবস্থিত। ফালক্রামের বাম প্রান্তে ২ মিটার দূরত্বে ১০ কেজি ওজনের একটি বস্তু ঝুলছে। ডান প্রান্তে ৪ মিটার দূরত্বে কত ওজনের বস্তু ঝুলালে দণ্ডটি ভারসাম্য অবস্থায় থাকবে? সমাধান: লিভারের নীতি অনুযায়ী, (বাম দিকের বল × দূরত্ব) = (ডান দিকের বল × দূরত্ব)। ১০ কেজি × ২ মিটার = ? কেজি × ৪ মিটার। ? = (১০ × ২) / ৪ = ৫ কেজি।
৫ কেজি ওজনের বস্তু ঝুলাতে হবে।
সমস্যা ২:
একটি দণ্ডের বাম প্রান্তে ১০ কেজি এবং ডান প্রান্তে ২০ কেজি ওজনের বস্তু ঝুলছে।
দণ্ডটির দৈর্ঘ্য ৬ মিটার। কোথায় ফালক্রাম স্থাপন করলে দণ্ডটি ভারসাম্য অবস্থায় থাকবে? সমাধান: ধরি, ১০ কেজি বস্তু থেকে ফালক্রামের দূরত্ব x মিটার। তাহলে ২০ কেজি বস্তু থেকে দূরত্ব হবে (৬-x) মিটার। নীতি অনুযায়ী, ১০ × x = ২০ × (৬ - x) => ১০x = ১২০ - ২০x => ৩০x = ১২০ => x = ৪।
১০ কেজি বস্তু থেকে ৪ মিটার দূরত্বে ফালক্রাম স্থাপন করতে হবে।
গিয়ার হলো দাঁতযুক্ত চাকা যা একটি যন্ত্রের গতি বা ঘূর্ণনের দিক পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয়।
দুটি গিয়ার একসাথে যুক্ত থাকলে একটি ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) ঘুরলে অন্যটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে (Anti-clockwise) ঘুরবে।
ছোট গিয়ার দ্রুত ঘোরে, বড় গিয়ার ধীরে ঘোরে। গিয়ারের দাঁতের সংখ্যা এবং ঘূর্ণন গতি ব্যস্তানুপাতিক। (দাঁত বেশি হলে গতি কম, দাঁত কম হলে গতি বেশি)। দুটি গিয়ার একসাথে যুক্ত থাকলে একটি ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) ঘুরলে অন্যটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে (Anti-clockwise) ঘুরবে। গিয়ারের দাঁতের সংখ্যা এবং ঘূর্ণন গতি ব্যস্তানুপাতিক। (দাঁত বেশি হলে গতি কম, দাঁত কম হলে গতি বেশি)। সমস্যা ১:
দুটি গিয়ার, A এবং B, পাশাপাশি যুক্ত আছে।
গিয়ার A-তে ২০টি দাঁত এবং গিয়ার B-তে ৪০টি দাঁত আছে। যদি গিয়ার A ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে, গিয়ার B কোন দিকে ঘুরবে? সমাধান: নীতি অনুযায়ী, একটি গিয়ার ক্লকওয়াইজ ঘুরলে তার সাথে যুক্ত অন্য গিয়ারটি অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ ঘুরবে।
ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।
সমস্যা ২:
তিনটি গিয়ার A, B এবং C একটি সারিতে যুক্ত আছে।
যদি A গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে, C গিয়ারটি কোন দিকে ঘুরবে? সমাধান: A ক্লকওয়াইজ ঘুরলে B অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ ঘুরবে। B অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ ঘুরলে C ক্লকওয়াইজ ঘুরবে।
বিজোড় সংখ্যক (১, ৩, ৫...) গিয়ার সিরিজে থাকলে প্রথম ও শেষ গিয়ারের ঘূর্ণন দিক একই হয়।
জোড় সংখ্যক (২, ৪, ৬...) গিয়ার সিরিজে থাকলে প্রথম ও শেষ গিয়ারের ঘূর্ণন দিক বিপরীত হয়।
ঘড়ির কাঁটার দিকে।
তিনটি গিয়ার A, B এবং C একটি সারিতে যুক্ত আছে।
যদি A গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে, C গিয়ারটি কোন দিকে ঘুরবে? সমাধান: A ক্লকওয়াইজ ঘুরলে B অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ ঘুরবে। B অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ ঘুরলে C ক্লকওয়াইজ ঘুরবে।
বিজোড় সংখ্যক (১, ৩, ৫...) গিয়ার সিরিজে থাকলে প্রথম ও শেষ গিয়ারের ঘূর্ণন দিক একই হয়।
জোড় সংখ্যক (২, ৪, ৬...) গিয়ার সিরিজে থাকলে প্রথম ও শেষ গিয়ারের ঘূর্ণন দিক বিপরীত হয়।
ঘড়ির কাঁটার দিকে।
পুলি হলো একটি সরল যন্ত্র যা দড়ি বা বেল্টের সাহায্যে ভার উত্তোলন বা বলের দিক পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়।
একটি স্থির পুলি শুধু বলের দিক পরিবর্তন করে, যান্ত্রিক সুবিধা বাড়ায় না।
একটি সচল পুলি যান্ত্রিক সুবিধা দ্বিগুণ করে, অর্থাৎ ভার উত্তোলনে অর্ধেক বল প্রয়োগ করতে হয়। বেল্ট যদি দুটি পুলিকে সরাসরি যুক্ত করে, তবে দুটি পুলি একই দিকে ঘুরবে। বেল্ট যদি ক্রস বা পেঁচানোভাবে দুটি পুলিকে যুক্ত করে, তবে পুলি দুটি বিপরীত দিকে ঘুরবে। একটি সচল পুলি যান্ত্রিক সুবিধা দ্বিগুণ করে, অর্থাৎ ভার উত্তোলনে অর্ধেক বল প্রয়োগ করতে হয়। বেল্ট যদি ক্রস বা পেঁচানোভাবে দুটি পুলিকে যুক্ত করে, তবে পুলি দুটি বিপরীত দিকে ঘুরবে। সমস্যা ১:
দুটি পুলি, P এবং Q, একটি খোলা বেল্ট দ্বারা যুক্ত।
যদি P পুলিটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে, Q পুলিটি কোন দিকে ঘুরবে? সমাধান: খোলা বেল্ট দ্বারা যুক্ত থাকায় দুটি পুলি একই দিকে ঘুরবে।
ঘড়ির কাঁটার দিকে।
সমস্যা ২:
দুটি পুলি, X এবং Y, একটি ক্রস বা পেঁচানো বেল্ট দ্বারা যুক্ত।
যদি X পুলিটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘোরে, Y পুলিটি কোন দিকে ঘুরবে? সমাধান: ক্রস বেল্ট দ্বারা যুক্ত থাকায় পুলি দুটি বিপরীত দিকে ঘুরবে।
ঘড়ির কাঁটার দিকে।
সমস্যা ১:
U-আকৃতির একটি টিউবের দুই বাহুতে দুটি ভিন্ন উচ্চতায় পানি আছে।
মাঝখানের বাধা তুলে দিলে পানির স্তর কোন দিকে যাবে? নীতি: সমোচ্চশীলতা ধর্ম অনুযায়ী, তরল সর্বদা তার উচ্চতা সমান করার চেষ্টা করে।
যে বাহুতে পানির উচ্চতা বেশি, সেখান থেকে কম উচ্চতার বাহুর দিকে পানি প্রবাহিত হবে, যতক্ষণ না উভয় বাহুর উচ্চতা সমান হয়।
U-আকৃতির একটি টিউবের দুই বাহুতে দুটি ভিন্ন উচ্চতায় পানি আছে।
মাঝখানের বাধা তুলে দিলে পানির স্তর কোন দিকে যাবে? সমাধান: যে বাহুতে পানির উচ্চতা বেশি, সেখান থেকে কম উচ্চতার বাহুর দিকে পানি প্রবাহিত হবে, যতক্ষণ না উভয় বাহুর উচ্চতা সমান হয়। সমস্যা ২:
একটি ট্যাংকের গায়ে তিনটি ভিন্ন উচ্চতায় (উপরে, মাঝে, নিচে) তিনটি ছিদ্র আছে।
কোন ছিদ্র দিয়ে পানি সবচেয়ে দূরে গিয়ে পড়বে? নীতি: তরলের চাপ গভীরতার উপর নির্ভর করে। গভীরতা যত বেশি, চাপ তত বেশি।
সবচেয়ে নিচের ছিদ্রের গভীরতা সবচেয়ে বেশি, তাই সেখানে পানির চাপও সবচেয়ে বেশি হবে।
ফলে, সবচেয়ে নিচের ছিদ্র দিয়ে পানি সবচেয়ে দূরে গিয়ে পড়বে।
একটি ট্যাংকের গায়ে তিনটি ভিন্ন উচ্চতায় (উপরে, মাঝে, নিচে) তিনটি ছিদ্র আছে।
কোন ছিদ্র দিয়ে পানি সবচেয়ে দূরে গিয়ে পড়বে? সমাধান: সবচেয়ে নিচের ছিদ্রের গভীরতা সবচেয়ে বেশি, তাই সেখানে পানির চাপও সবচেয়ে বেশি হবে। ফলে, সবচেয়ে নিচের ছিদ্র দিয়ে পানি সবচেয়ে দূরে গিয়ে পড়বে। সমস্যা ১ (স্ক্রু):
একটি স্ক্রুকে ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরানো হচ্ছে।
সাধারণ রাইট-হ্যান্ড স্ক্রু নিয়ম অনুযায়ী, ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরালে স্ক্রু ভেতরের দিকে বা সামনের দিকে অগ্রসর হয়।
ভেতরের দিকে / সামনের দিকে।
একটি স্ক্রুকে ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরানো হচ্ছে।
সাধারণ রাইট-হ্যান্ড স্ক্রু নিয়ম অনুযায়ী, ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরালে স্ক্রু ভেতরের দিকে বা সামনের দিকে অগ্রসর হয়।
সমস্যা ২ (স্প্রিং):
একটি স্প্রিং-এর নিচে একটি ওজন ঝুলানো আছে।
যদি ওজনটি বাড়ানো হয়, স্প্রিংটির কী পরিবর্তন হবে? নীতি: হুকের সূত্র অনুযায়ী, স্প্রিং-এর প্রসারণ প্রযুক্ত বলের (বা ওজনের) সমানুপাতিক।
স্প্রিংটি আরও প্রসারিত হবে।
একটি স্প্রিং-এর নিচে একটি ওজন ঝুলানো আছে।
যদি ওজনটি বাড়ানো হয়, স্প্রিংটির কী পরিবর্তন হবে? নীতি: হুকের সূত্র অনুযায়ী, স্প্রিং-এর প্রসারণ প্রযুক্ত বলের (বা ওজনের) সমানুপাতিক।
উত্তর
৪ কেজি (কারণ ১০×২ = ?×৫)।
উত্তর
প্রথম শ্রেণির লিভার (ফালক্রাম মাঝে থাকে)।
উত্তর
বাম দিকে (কারণ বাম দিকের টর্ক ২০, ডান দিকের ১৬)।
উত্তর
তৃতীয় শ্রেণির লিভার (বল মাঝে থাকে)।
উত্তর
৩০ কেজি ওজন থেকে ৩.২ মিটার দূরে (২০x = ৩০(৮-x) => ৫০x = ২৪০ => x = ৪.৮ মিটার ২০ কেজি থেকে)।
উত্তর
দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার (ভার মাঝে থাকে)।
উত্তর
ভার ও ভারবাহুর গুণফলের সমান।
উত্তর
ভারী ওজনের শিশুর দিকে ঝুঁকবে।
উত্তর
প্রথম শ্রেণির লিভার।
উত্তর
বস্তুর যে বিন্দুতে এর সমস্ত ওজন কেন্দ্রীভূত বলে মনে করা হয়।
উত্তর
ভূমির ক্ষেত্রফল এবং ভারকেন্দ্রের উচ্চতার উপর (ভূমি বেশি ও ভারকেন্দ্র নিচু হলে স্থিতিশীলতা বেশি)।
উত্তর
২ কেজি।
উত্তর
তৃতীয় শ্রেণির লিভার।
উত্তর
তৃতীয় শ্রেণিতে।
উত্তর
দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার।
উত্তর
ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।
উত্তর
ঘড়ির কাঁটার দিকে (A ও C এর দিক একই হবে)।
উত্তর
একবারের বেশি ঘুরবে।
উত্তর
১ বার (কারণ দাঁতের সংখ্যা ও ঘূর্ণন ব্যস্তানুপাতিক)।
উত্তর
বিপরীত হবে।
উত্তর
একই হবে।
উত্তর
গিয়ার B (সবচেয়ে কম দাঁত)।
উত্তর
ডান দিকে।
উত্তর
বাম দিকে।
উত্তর
ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে (A->B বিপরীত, B->C বিপরীত, C->D বিপরীত)।
উত্তর
গতি বা টর্ক পরিবর্তন করতে।
উত্তর
গতি কমবে কিন্তু শক্তি (টর্ক) বাড়বে।
উত্তর
ঘড়ির কাঁটার দিকে।
উত্তর
তাদের দাঁতের সংখ্যার উপর নির্ভরশীল, তবে ঘূর্ণন দিক একই হবে।
উত্তর
৫ বার (১০÷২)।
উত্তর
১০ কেজি ওজনের সমান বল।
উত্তর
১০ কেজি ওজনের সমান বল (বল অর্ধেক লাগে)।
উত্তর
ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে (X ও Y বিপরীত, Y ও Z একই)।
উত্তর
ছোট পুলি।
উত্তর
২ মিটার।
উত্তর
স্থির পুলি।
উত্তর
সবচেয়ে নিচের ছিদ্র দিয়ে।
উত্তর
যেদিকে পানির উচ্চতা বেশি, সেখান থেকে কম উচ্চতার দিকে যাবে।
উত্তর
তরল পদার্থ সর্বদা তার মুক্ত পৃষ্ঠকে একই সমতলে রাখার প্রবণতা।
উত্তর
পানির ঘনত্ব বেশি হওয়ায় পানি কেরোসিনের দিকে প্রবাহিত হবে।
উত্তর
গভীরতা এবং তরলের ঘনত্বের উপর।
উত্তর
কোনো পরিবর্তন হবে না।
উত্তর
যে পাত্র থেকে তরল নেওয়া হবে তাকে অন্য পাত্রের চেয়ে উঁচুতে রাখতে হয়।
উত্তর
ছোট পিস্টনটি অনেক বেশি বল লাভ করবে।
উত্তর
কাঠের ব্লক ভাসবে, লোহার ব্লক ডুবে যাবে।
উত্তর
সমুদ্রের পানির ঘনত্ব বেশি বলে প্লবতা বেশি।
উত্তর
ভেতরের দিকে বা সামনের দিকে।
উত্তর
নরম স্প্রিং।
উত্তর
ঢালু পথে যান্ত্রিক সুবিধা পাওয়া যায় (কম বল প্রয়োগ করতে হয়)।
উত্তর
সোজা আঘাতে বলের সম্পূর্ণ অংশ কাজে লাগে।
উত্তর
তলের প্রকৃতি এবং বস্তুর ওজনের উপর।
উত্তর
দুটি একসাথেই পড়বে।
উত্তর
অসম প্রসারণের জন্য (ভিতরের অংশ প্রসারিত হয় কিন্তু বাইরের অংশ হয় না)।
উত্তর
একটি চওড়া அடிப்பর একটি নিচু বস্তু।
উত্তর
স্ক্রু এবং লিভার নীতির সমন্বয়ে।
উত্তর
শূন্য।
উত্তর
সুতার দৈর্ঘ্যের উপর।
উত্তর
অসীম সংখ্যক।
উত্তর
বোঝাই ট্রাকের ভরবেগ বেশি।
উত্তর
গতি জড়তার কারণে।
উত্তর
না, A থেকে B-তে প্রবাহিত হবে।
উত্তর
সাধারণত, যে দড়িগুলো বেশি কোণে থাকে সেগুলোতে টান বেশি হয়।
উত্তর
চাকার পরিধির সমান দূরত্ব।
উত্তর
একটি ঢালু তল বেয়ে উপরে তোলা।
উত্তর
বাম দিকে ঘুরবে (বাম টর্ক ২০, ডান টর্ক ১৮)।
উত্তর
৫ বার।
উত্তর
ঘর্ষণ কম বলে।
উত্তর
অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ (A->B বিপরীত, B->C বিপরীত, C->D বিপরীত)।
উত্তর
লোহার টুকরা (কারণ এটি সম্পূর্ণ ডুবে যাবে)।
উত্তর
তৃতীয় সূত্র (প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে)।
উত্তর
ওজন শূন্য হয়ে যাবে কিন্তু ভর অপরিবর্তিত থাকবে।
উত্তর
উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে।
উত্তর
ক্ষেত্রফল কম হওয়ায় চাপ বেশি হয়।
উত্তর
গতি বাড়বে।
উত্তর
স্থিতি জড়তার কারণে। (ভুল, এটি গতি জড়তা হবে)
উত্তর
সর্বদা ভূমির সমান্তরাল থাকবে।
উত্তর
জড়তা বেশি হবে।
উত্তর
রিং।
উত্তর
যান্ত্রিক সুবিধা ১ এর বেশি হবে (কম বলে বেশি ভার তোলা যাবে)।
উত্তর
বায়ুর সংকোচনের ফলে তাপ উৎপন্ন হয়।
উত্তর
ওজন নীচে নামলে A ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে, ফলে B বিপরীত দিকে এবং C ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে। উত্তর: A এবং C।
উত্তর
প্যাসকেলের সূত্র।
উত্তর
তাপের কারণে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়।
উত্তর
কালো।
উত্তর
নিউটনের তৃতীয় সূত্রের জন্য (প্রতিক্রিয়া বল)।
উত্তর
৪৫° কোণে।
উত্তর
শক্তি।
উত্তর
প্যাসকেল (Pascal)।
উত্তর
বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উত্তর
অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
উত্তর
পারদ (Mercury)।
উত্তর
সৌরশক্তি।
উত্তর
মেরু অঞ্চলে।
উত্তর
বৃত্তাকার পথের স্পর্শক বরাবর সোজা পথে চলে যাবে।
উত্তর
বরফের ঘনত্ব পানির চেয়ে কম কিন্তু অ্যালকোহলের চেয়ে বেশি।